
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

তেমনি চাহিয়া আছে নিশীথের তারাগুলি। লতা-নিকুঞ্জে কাঁদে আজও বন-বুলবুলি — ফিরে এসো, ফিরে এসো প্রিয়তম।। ঘুমায়ে পড়েছে সবে, মোর ঘুম নাহি আসে তুমি যে ঘুমায়ে ছিলে সেদিন আমার পাশে, সাজানো সে-গৃহ তব ঢেকেছে পথের ধূলি — ফিরে এসো, ফিরে এসো প্রিয়তম।। আমার চোখের জলে মুছে যায় পথ-রেখা রোহিণী গিয়াছে চলি’, চাঁদ কাঁদে একা একা, কোন্ দূর তারা-লোকে কেমনে রয়েছে ভুলি’ — ফিরে এসো, ফিরে এসো প্রিয়তমা।।
রাগঃ
তালঃ
ঘর-ছাড়া ছেলে আকাশের চাঁদ আয় রে। জাফ্রানি রঙের পরাব পিরান তোর গায় রে।। আস্মানে যেতে চায় তারা হয়ে আমার নয়ন-তারা (তোর) খেলার সাথি কাঁদে শাপ্লার ফুল, ফিরে আয় পথ-হারা, দু’নয়ন ঘুমে ঢুলে, হৃদয় ঘুমায় না, কাছে পেতে চায় রে।। চোখের কাজল তোর চাঁদ-মুখে লেগেছে, (আয়) মুছাব আঁচলে দেখ্ মায়ের তোর স্নেহের সাগর আছে উথলে, (মোর) মনের ময়না! ঘরে মন রয় না, পথ চেয়ে’ রাত কেটে যায় রে।।
চলচ্চিত্র : ‘চৌরঙ্গী’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তুমি ভাগিয়াছ ভাগ্লুয়া দলের সাথে। (হায় প্রিয়া!) তুমি যে ভেগেছ ভাগ্লুয়া দলের সাথে। নিয়ে গেছ হায় বাক্সের চাবি দিয়েছ দাদার হাতে।। বোমা না পড়িতে বাপের বাড়িতে ছুট দিলে স্বামীরে ভুলে, আমি পথে ফিরি হায়, কর্পোরেশনের ষাঁড় যেন কলকাতাতে। এখন পথে ফিরি হায়, কর্পোরেশনের ষাঁড় যেন কলকাতাতে।। যখন ভালুক নাচাতে এই স্বামী লয়ে (তখন) ভুলেছিলে বাবা দাদা; (তখন) তোমার বেণীটি আমার টিকি-টি একদিকে ছিল বাঁধা। সে-বেণী খুলিল সে-টিকি ছিঁড়িল ঘরের উনুন নিভিল; আমি আবার প্রেমের হাট বসাব ফিরে এসো হাটখোলাতে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমি রবি-ফুলের ভ্রমর। তা’র আলোক-মধু প্রিয়ে আমি আলোর মধুপ অমর।। ঐ শ্বেত-শতদল ফুটলো যেদিন গভীর গগন নীল সায়রে তা’র আলোর শিখা আকাশ ছেপে ছড়িয়ে গেল বিশ্ব ‘পরে — স্তরে স্তরে, সেই বহ্নি-নলের পরাগ-রেণু আমিই যেন প্রথম পেনু, প্রথম পেনু গো তাই বাহির পানে ধেয়ে এনু গেয়ে আকুল স্বরে। আজ জাগো জগৎ! ঘুম টুটেছে বিশ্বে নিবিড় তমোর।। তাঁ’র জাগরণীর অরুণ কিরণ — গন্ধ যেদিন নিশি-শেষে এই অন্ধ জগৎ জাগিয়ে গেল আকাশ-পথের হাওয়ায় ভেসে — হঠাৎ এসে; আমি ঘুম-চোখে মোর পেনু আভাস, ঘরের বাহির করা সে-বাস ভাঙলে আবাস মোর।। তাই কূজন-বেণু বাজায়ে চলি আলোর দেশের শেষে যথা সহস্রদল কমল, আনন জাগ্ছে প্রিয়তমর।। যেন এ শ্বেত-সরোজ-সরোদ বাঁধা সপ্ত সুরের রঙিন তারে রচ্ছে সুরের ইন্দ্রধনু গগন-সীমায় তোরণ-দ্বারে তমোর ‘পারে, তার সে-সুর বাজি’ আমার পাখায় গহন-গহন শাখায় শাখায় তারায় কাঁপায় গো। জাগে ঐ কমলে পরশ প্রিয়ার চরণ নিরুপমর।।
রাগঃ
তালঃ
ও বৌদি তোর কি হয়েছে চোখে কেন জল দাদার তরে মন বুঝি তোর হয়েছে উতল।। তোর দিব্যি দেখেছি স্বপনে যেন দাদা কথা কইতেছে তোর সনে দেখিস তোরা আমার স্বপন হবে না বিফল।। তোর কান্নার সাগরে যখন উঠেছে জোয়ার বৌদি লো তোর চাঁদ উঠিবার নাই রে দেরি আর। ও বৌদি তোর চোখের জলের টানে আমার দাদার সোনার তরী আসতেছে উজানে দেখ বাটনা ফেলে হাসছে দিদি চল ও ঘরে চল।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

মোরে মেঘ যবে জল দিল না, তখন তুমি আঁখিজল দিলে। যারে ঘন বন ছায়া দিল না, তাহারে অঞ্চলে জড়াইলে।। অসীম আকাশ ধরিতে নারিল যারে তোমার নয়ন কেমনে ধরিল তারে, বল কেন ভিখারির শূন্য পাত্রে অমৃত ঢালিয়া দিলে।। বল বল চির-বৈরাগিণী গো, তোমার কি ক্ষতি তায়, পৃথিবী হইতে মোর নাম যদি চিরতরে মুছে যায়। চাওনি কিছুই মোর কাছে তুমি কভু কেন ফিরাইতে চাহ বক্ষে ধরিয়া তবু, তব গৈরিক-বাসে এ প্রেম-প্রবাহ কেমনে রাখিয়াছিলে।।
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan