Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে গানের পাখি নজরুলের প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে গানের পাখি নজরুলের প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে গানের পাখি নজরুলের প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

নিরন্ধ্র মেঘে মেঘে অন্ধ গগন

বাণী

নিরন্ধ্র মেঘে মেঘে অন্ধ গগন।
অশান্ত-ধারে জল ঝরে অবিরল,
		ধরণী ভীত-মগন॥
ঝঞ্ঝার ঝল্লরী বাজে ঝনন্‌ননন
দীর্ঘশ্বসি’ কাঁদে অরণ্য শনশন,
প্রলয় বিষাণ বাজে বজ্রে ঘনঘন —
মূর্ছিত মহাকাল-চরণে মরণ॥
শুধিবে না কেহ কি গো এই পীড়নের ঋণ,
দুঃখ-নিশি-শেষে আসিবে না শুভদিন।
দুষ্কৃতি বিনাশায় যুগ-যুগ-সম্ভব
অধর্ম নিধনে এসো অবতার নব,
‘আবিরাবির্ম এধি’ ঐ ওঠে রব —  
জাগৃহি ভগবন্, জাগৃহি ভগবন্॥

লীলা-চঞ্চল ছন্দ দোদুল চল-চরণা

বাণী

লীলা-চঞ্চল ছন্দ দোদুল চল-চরণা।
হেলে দুলে এলে কে গো গিরি-ঝরনা।।
দুলিয়ে জলের জরিন বেণী নাচো আনন্দে
রামধনুতে ওড়ে তব রাঙা ওড়না।।
বুলবুলিরে গান গাওয়াও, নাচাও ময়ূরে,
ফুল-ভূষণে সাজে কানন নিরাভরণা।।
চাহিয়া আছি তোমার পথে, শুনেছি নূপুর।
কবে মিলবে আমার প্রেম-পাথারে সাগর-শরণা।।

গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি

বাণী

গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল।
অনুরাগের লাল শারাব মোর আঁখি ঝলে ঝলমল (হায়)।।
	আমার গানের মদির ছোঁয়ায়
	গোলাপ কুঁড়ির ঘুম টুটে যায়,
সে গান শুনে প্রেমে–দীওয়ানা কবির আঁখি ছলছল (হায়)।।
লাল শিরাজীর গেলাস হাতে তন্বী সাকি পড়ে ঢুলে,
আমার গানের মিঠা পানির লহর বহে নহর–কূলে।
ফুটে ওঠে আনারকলি নাচে ভ্রমর রং–পাগল (হায়)।।
	সে সুর শুনে দিশেহারা
	ঝিমায় গগন ঝিমায় তারা,
চন্দ্র জাগে তন্দ্রাহারা বনের চোখে শিশির জল (হায়)।।

১. বনের পাতায়

সন্ধ্যামালতী যবে ফুলবনে ঝুরে

বাণী

সন্ধ্যামালতী যবে ফুলবনে ঝুরে
কে আসি’ বাজালে বাঁশি ভৈরবী সুরে।।
সাঁঝের পূর্ণ চাঁদে অরুণ ভাবিয়া
পাপিয়া প্রভাতী সুরে উঠিল গাহিয়া
ভোরের কমল ভেবে সাঁঝের শাপলা ফুলে
	গুঞ্জরে ভ্রমর ঘুরে’ ঘুরে’।।
বিকালের বিষাদে ঢাকা ছিল বনভূমি
সকালের মল্লিকা ফুটাইলে তুমি,
রাঙিয়া ঊষার রঙে গোধূলি-লগন
	শোনালে আশার বাণী বিরহ-বিধুরে।।

সোনার বরণ কন্যা গো এসো আমার সোনার নায়ে

বাণী

পুরুষ	:	সোনার বরণ কন্যা গো, এসো আমার সোনার নায়ে
		চল আমার বাড়ি
স্ত্রী	:	ওরে অচিন দেশের বন্ধুরে,
		তুমি ভিন্ গেরামের নাইয়া আমি ভিন্ গেরামের নারী।
পুরুষ	:	গয়না দিব বৈচী খাড়ু শাড়ি ময়নামতীর।
স্ত্রী	:	গয়না দিয়ে মন পাওয়া যায় না কুলবতীর।
পুরুষ	:	শাপলা ফুলের মালা দেব রাঙা রেশমি চুড়ি।
স্ত্রী	:	ঐ মন-ভুলানো জিনিস নিয়ে (বন্ধু) মন কি দিতে পারি?
পুরুষ	:	(তুমি) কোন্-সে রতন চাও রে কন্যা, আমি কি তা জানি?
স্ত্রী	:	তোমার মনের রাজ্যে আমি হ’তে চাই রাজরানী।
দ্বৈত	:	হইও সাক্ষী তরুলতা পদ্মা নদীর পানি (আরে ও)
		(আজি) কূল ছাড়িয়া দু’টি প্রাণী অকূলে দিল পাড়ি॥

সেদিন বলেছিলে এই সে ফুলবনে

বাণী

সেদিন ব’লেছিলে এই সে ফুলবনে,
আবার হবে দেখা ফাগুনে তব সনে।।
ফাগুন এলো ফিরে লাগে না মন কাজে,
আমার হিয়া ভরি, উদাসী বেণু বাজে;
শুধাই তব কথা দখিনা সমীরণে।।
শপথ ভুলিয়াছ বন্ধু, ভুলিলে পথ কি গো,
বারেক দিয়ে দেখা লুকালে মায়ামৃগ।
আঁচলে ফুল লয়ে হল’ না মালা গাঁথা,
আসার পথ তব ঢাকিল ঝরা পাতা;
পূজার চন্দন শুকালো অঙ্গনে।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan