
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

আমার হরিনামে রুচি, কারণ, পরিণামে লুচি আমি ভোজনের লাগি করি ভজন। আমি মালপোর লোভে এ কল্পলোকে তল্পী বাঁধিয়া এসেছি মন।। ‘রাধা-বল্লভী’ লোভে পূজি রাধা-বল্লভে, আসি রসগোল্লার তরে রাস মোচ্ছবে। আমার গোল্লায় গেছে মন, দাদা গো, রসগোল্লায় গেছে মন। ও তো রসগোল্লা কভু নয় যেন ন্যাড়া-মাথা বাবাজী থালাতে হয়েন উদয়! (আর) গজা দেখে প্রেম যে গজায় হৃদিতলে রে, পানতোয়া দেখে প্রাণ নাচে হরি ব’লে রে! ঐ গোলগাল মোয়া এই মায়াময় সংসার দেয় গো ভুলিয়ে, আর ক্ষীরের খোয়াতে খোয়াইতে কুল মন ওঠে চুলবুলিয়ে। (আমার) মন বলে হরি হরি হাত বলে হর হে, যত অরসিকে তেড়ে আসে বলে ব্যাটায় ধর হে! আর এই সংসারে রসিক শুধু রাঁধুনী ও ময়রাই — সেই দুই ভাই আজি এসেছে রে! যারা ময়দা খেয়ে মালপো ঢালে সেই দুই ভাই আজি এসেছে রে! আমি চিনি মেখে গায় যোগী হব দাদা যাব ময়রার দেশে, আর রসকরার কড়াই-এ ডুবিয়া মরিব গলে সন্দেশ ঠেসে। ভোজন ভজহরি-র শোনো এই তথ্য গো-ময় সংসারে ভজনই সত্য।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

চোখের বাঁধন খুলে দে মা খেলব না আর কানামাছি। আমি মার খেতে আর পারি না মা এবার বুড়ি ছুঁয়ে বাঁচি।। তুই পাবি অনেক মেয়ে ছেলে যাদের সাধ মেটেনি খেলে খেলে, তুই তাদের নিয়েই খেল না মা গো শ্রান্ত আমি রেহাই যাচি। দুঃখ-শোক-ঋণ-অভাব ব্যাধি মায়ার খেলুড়িরা মিলে, শত দিকে শত হাতে আঘাত হানে তিলে তিলে। চোর হয়ে মা আর কত দিন ঘুরব ভবে শান্তিবিহীন, তোর অভয় চরণ পাই না কেন মা তোর এত কাছে আছি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আজ শেফালির গায়ে হলুদ উলু দেয় পিক পাপিয়া। প্রথম প্রণয়-ভীরু বালা লাজে ওঠে কাঁপিয়া।। বনভূমি বাসর সাজায় ফুলে পাতায় লালে নীলে, ঝরে শিশির আশিস-বারি গগন-ঝারি ছাপিয়া।। বৃষ্টি-ধোওয়া সবুজ পাতার শাড়ি করে ঝলমল, ননদিনী ‘বৌ কথা কও’ ডাকে আড়াল থাকিয়া।। দেখতে এলো দিগ্বালিকা সাদা মেঘের রথে ঐ, শরৎ-শশীর মঙ্গল-দীপ জ্বলে গগন ব্যাপিয়া।। অতীত্ প্রণয়-স্মৃতি স্মরি’ কেঁদে যায় আশিন-হাওয়া, উড়ে বেড়ায় বর সে ভ্রমর কমল-পরাগ মাখিয়া।।
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা

বরষ গেল, আশ্বিন এলো, উমা এলো কই শূন্য ঘরে কেমন করে পরান বেঁধে রই।। ও গিরিরাজ! সবার মেয়ে মায়ের কোলে এলো ধেয়ে, আমারই ঘর রইল আঁধার, আমি কি মা নই? নাই শাশুড়ি ননদ উমার, আদর করার নাই (কেহ) মা অনাদরে কালী সেজে বেড়ায় নাকি তাই। মোর গৌরী বড় অভিমানী, সে বুঝবে না মার প্রাণ-পোড়ানী; আনতে তারে সাধতে হবে তার যে স্বভাব ঐ।।
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

এলো ঈদল-ফেতর এলো ঈদ ঈদ ঈদ। সারা বছর যে ঈদের আশায় ছিল নাক’ নিদ।। রোজা রাখার ফল ফ’লেছে দেখ রে ঈদের চাঁদ, সেহরী খেয়ে কাটল রোজা, আজ সেহেরা বাঁধ, ওরে বাঁধ আমামা বাঁধ। প্রেমাশ্রুতে ওজু ক’রে চল্ ঈদগাহ মসজিদ।। (আজ) ছিটায় মনের গোলাব-পাশে খুশির গোলাব-পানি (আজ) খোদার ইস্কের খুশবু-ভরা প্রাণের আতরদানি, ভরল হৃদয়-তশ্তরিতে শিরনি তৌহিদ।। (দেখ্) হজরতের হাসির ছটা ঈদের চাঁদে জাগে সেই চাঁদেরই রং যেন আজ সবার বুকে লাগে, (এই) দুনিয়াতেই মিটল ঈদে বেহেশ্তী উমিদ।।
নাটিকা : ‘ঈদ’ (বিদৌরার গান)
রাগঃ
তালঃ
মেঘের ডমরু ঘন বাজে। বিজলি চমকায় আমার বনছায়, মনের ময়ূর যেন সাজে॥ সঘন শ্রাবণ গগন-তলে রিমি ঝিমি ঝিম্ নবধারা জলে, চরণ-ধ্বনি বাজায় কে সে — নয়ন লুটায় তারি লাজে॥ ওড়ে গগন-তলে গানের বলাকা, শিহরণ জাগে উজ্জ্বল পাখা। সুদূরের মেঘে অলকার পানে ভেসে চ’লে যায় শ্রাবণের গানে, কাহার ঠিকানা খুঁজিয়া বেড়ায় — হৃদয়ে কার স্মৃতি রাজে॥
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan