হাতে হাত দিয়ে আগে চল হাতে নাই থাক হাতিয়ার

বাণী

হাতে হাত দিয়ে আগে চল হাতে নাই থাক হাতিয়ার।
জমায়েত হও, আপনি আসিবে শক্তি জুলফিকার।।
আন আলীর শৌর্য, হোসেনের ত্যাগ ওমরের মত কর্মানুরাগ;
খালেদের মত সব অশান্ত ভেঙে কর একাকার।।
ইসলামে নাই ছোট বড় আর আশরাফ আতরাফ
নিষ্ঠুর হাতে এই ভেদ জ্ঞান কর মিসমার সাফ।
চাকর সৃজিতে , চাকরি করিতে, ইসলাম আসে নাই পৃথিবীতে।
মরিবে ক্ষুধায় কেহ নিরন্ন, কারো ঘরে রবে অঢেল অন্ন
এ জুলুম সহেনি, ইসলাম, সহিবে না আজো আর।।

জীবন যাপন করিতে

বাণী

জীবন যাপন করিতে,
চাষ কর বিধিমতে,
রবে যদি সুখেতে —
		এই পৃথিবী মাঝার।।
জমি ‘উগালে’ ‘সামালে’
বীজ ফেলাও কুতুহলে,
পাবে তবে সেই ফসলে —
		মেহনতের সার।।
লাগাও ধান প্রধান ফসল,
তরকারি কলাই সকল,
দাও সময় মত জল —
		যাতে প্রাণ বাঁচে তার।।
অরি হতে ফসলে
রক্ষা কর সকলে,
নজরুল এসলাম বলে —
		নইলে বাঁচা হবে ভার।।

লেটো গান : ‘চাষার সঙ’

চির-কিশোর মুরলীধর

বাণী

চির-কিশোর মুরলীধর কুঞ্জবন-চারী।
গোপনারী-মনোহারী বামে রাধা প্যারী।।
শোভে শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্ম করে,
গোষ্ঠ-বিহারী কভু, কভু দানবারি।।
তমাল-তলে কভু কভু নীপ-বনে,
লুকোচুরী খেল হরি ব্রজ-বধূ সনে।
মধুকৈটভারি কংস-বিনাশন,
কভু কণ্ঠে গীতা, শিখী-পাখা-ধারী।।

মদিনার শাহানশাহ্ কোহ্-ই-তূর-বিহারী

বাণী

মদিনার শাহানশাহ্ কোহ্-ই-তূর-বিহারী
মোহাম্মদ মোস্তফা নবুয়তধারী॥
আল্লার প্রিয় সখা, দুলাল মা আমেনার
খাদিজার স্বামী, প্রিয়তম আয়েশার
আস্‌হাবের হাম্‌দম্‌, ওয়ালেদ ফাতেমার,
বেলালের আজান, খালেদের তলোয়ার,
কেয়ামতে উম্মত শাফায়ত-কারী॥
তৌহিদ-বাণী মুখে, আল-কোরআন হাতে
খোদার নূর দেখি যাঁর হাসির ইশারাতে
যাঁর কদমের নীচে দুলে কত জিন্নাত,
যে দু’হাতে বিলালো দুনিয়ায় খোদার মোহাব্বত
হো মেরাজের দুলহা আল্লার আর্শচারী॥
নয়নে যাঁর সদা খোদার রহমত ঝরে
সংসার মরুবাসী পিয়াসার তরে
আনিল যে কওসর সাহারা নিঙাড়ি’॥

আকাশে ভাই চাঁদ উঠেছে

বাণী

আকাশে ভাই চাঁদ উঠেছে
(আহা) দেখবি যদি আয় না!
রূপে পরান পাগল করে,
তারে হাতে ধরা যায় না।
হাতে ধরা যায় না – 
আমার সাধের ‘আয়না’ –
আমার বুকে ফুট্‌লো রে ভাই
কোন্ বাগিচার ফুল
কোন্ সে দেশের হাসনুহানা
কোন্ বসোরার গুল্,
ওরে গন্ধে পরান পাগল করে,
তারে গলায় পরা যায় না।।

নাটিকা : ‘কাফন-চোরা’

হে বিধাতা হে বিধাতা হে বিধাতা

বাণী

হে বিধাতা! হে বিধাতা! হে বিধাতা!
দুঃখ-শোক-মাঝে, তোমারি পরশ রাজে,
কাঁদায়ে জননী-প্রায়, কোলে কর পুনরায়, শান্তি-দাতা।।
ভুলিয়া যাই হে যবে সুখ-দিনে তোমারে
স্মরণ করায়ে দাও আঘাতের মাঝারে।
দুঃখের মাঝে তাই, হরি হে, তোমারে পাই দুঃখ-ত্রাতা।।
দারা-সুত-পরিজন-রূপে হরি, অনুখন
তোমার আমার মাঝে আড়াল করে সৃজন।
তুমি যবে চাহ মোরে, লও হে তোদের হ’রে
ছিঁড়ে দিয়ে মায়া-ডোর, ক্রোড়ে ধর আপন।
ভক্ত সে প্রহ্লাদ ডাকে যবে ‘নারায়ণ’,
নির্মম হয়ে তার পিতারও হর জীবন।
সব যবে ছেড়ে যায় দেখি তব বুকে হায় আসন পাতা।।