ভোরের তরুণ অরুণে আর পূর্ণিমার চাঁদে

বাণী

		ভোরের তরুণ অরুণে আর পূর্ণিমার চাঁদে।
		পাশাপাশি শুয়ে লো দেখ এক শয্যায় কাঁদে।।
		রাজার কুমার গড়া যেন ভোরের আলো দিয়ে
		রাজকন্যার সৃষ্টি যেন পদ্ম পাঁপড়ি নিয়ে,
(আমি)	দেখি সুন্দর বিধাতারে এ দুই রূপের ফাঁদে।।

নাটক : ‘মধুমালা’

চিরদিন পূজা নিয়েছ দেবতা

বাণী

চিরদিন পূজা নিয়েছ দেবতা এবার মোদের পূজিতে হবে।
বৃথাই কেঁদেছি বৃথাই সেধেছি সহেছি দুঃখ শোক নীরবে।।
	টলেনি পাষাণ বলনি কথা
	কাঁদিয়েছ চিরকাল নিঠুর দেবতা,
কাঁদিতে হবে আজ আমাদের ঘরে সে-পূজার ঋণ সুধিবে এ ভবে।।

নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’

প্রেম নগরকা ঠিকানা করলে

বাণী

প্রেম নগরকা ঠিকানা করলে প্রেম নগরকা ঠিকানা।
ছোড় করিয়ে দোদিন কা ঘর ওহি রাহপে জানা।।
	দুনিয়া দওলত হ্যায় সব মায়া
	সুখ দুখ দো হ্যায় জগ কা কায়া
দুখকো তু প্রেম সে গলে লাগালে আগে না পছতানা।।
	আতি হ্যায় যব রাত আঁধেরি
	ছোড় তু মায়া বন্ধন-ভারি
প্রেম নগর কি কর তৈয়ারি, আয়া হ্যায় পরোয়ানা।।

তব চঞ্চল আঁখি কেন ছলছল হে

বাণী

তব	চঞ্চল আঁখি কেন ছলছল হে।
	হেরি মোরা অবিরল জলে ভাসে কমল
	হেরি আজি কমলে উথলে জল হে।।
	চিরদিন কাঁদায়েছে যে জল নিঠুর
আজি	অশ্রু করেছে তারে একি সুমধুর
বঁধু	সাধ যায় ধরি তব সমুখে মুকুর
যেন	বরষিছে চাঁদ মুকুতাদল হে।
কোন	অকরুণা ভাঙিল হে পাষাণের বাঁধ
তব	কলঙ্ক লেখা গেল ধুয়ে যে হে চাঁদ।
	কাঁদ কাঁদ হে বঁধু তবে বুঝিবে মনে
কত	বেদনা পেলে জল ঝরে নয়নে
আজি	কাঁদিয়া শ্যামল হ'লে নির্মল হে।।

মাগো তোরি পায়ের নূপুর বাজে

বাণী

মাগো তোরি পায়ের নূপুর বাজে
এই বিশ্বের সকল ধ্বনির মাঝে।।
জীবের ভাষায় পাখির মধুর গানে,
সাগর রোলে নদীর কলতানে
সমীরণের মরমরে শুনি সকাল সাঁঝে।।
আমার প্রতি নিঃশ্বাসে মা রক্তধরার মাঝে
প্রাণের অনুরণনে তোর চরণধ্বনি বাজে।
গভীর প্রণব ওঙ্কারে তোর কালি (মা গো মহাকালী)
সেই নৃত্যলীলার স্তবগাথা গান চরণতলে নটরাজে।।

নিশীথ রাতে ডাক্‌লে আমায়

বাণী

নিশীথ রাতে ডাক্‌লে আমায়, কে গো তুমি কে?
কাঁদিয়ে গেলে আমার মনের বনভূমিকে,
		কে গো তুমি কে।।
	তোমার আকুল করুণ স্বরে
	আজকে তা’রেই মনে পড়ে,
এম্‌নি রাতে হারিয়েছি যে হৃদয়-মণিকে।।
দুয়ার খু’লে চেয়ে আছি তারার পানে দূরে,
আর একটিবার ডাকো ডাকো তেম্‌নি করুণ সুরে।
	একটি কথা শুন্‌ব ব’লে
	রাত কেটে যায় চোখের জলে,
দাও সাড়া দাও, জাগিয়ে তোলো আঁধার পুরীকে।।

১. থাকি