বাণী
আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল শক্তি-মাতাল বুনো পাগল থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ নেচে আয় রে দৃপ্ত পায়। গিরি দরি বন ভাসায় যেমন পার্বতীয়া ঝর্নাজল। আন তীর ধনু বর্শা হান্ বাজা রে শিঙ্গা বাজা মাদল।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
স্বরলিপি

আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল শক্তি-মাতাল বুনো পাগল থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ নেচে আয় রে দৃপ্ত পায়। গিরি দরি বন ভাসায় যেমন পার্বতীয়া ঝর্নাজল। আন তীর ধনু বর্শা হান্ বাজা রে শিঙ্গা বাজা মাদল।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

এসো এসো পাহাড়ি ঝর্ণা মেঘ সজল কাজল বর্ণা এসো জল ছিটিয়ে ফুল ফুটিয়ে এসো।। উপল নুড়িতে কাঁকন চুড়িতে রিনি ঠিনি ছন্দে বন্য আনন্দে এসো এসো ছলছল ঝলমল আঁচল লুটিয়ে এসো।। তৃষ্ণায় ডাকে কূলে কূলে হরিণী আনো কৃষ্ণার জল নির্ঝরিণী। ফুলবনে ভ্রমর দল জুটিয়ে এসো।। এসো তপ্ত ধরার বক্ষে, শান্তি ধারা আনো চক্ষে শীতল হোক খরতর বায়ু, নির্জীব প্রান্তরে আনো পরমায়ু এসো পাষাণ-কারারঘুম টুটিয়ে এসো।।
নাটকঃ‘মদিনা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বউ কথা কও, বউ কথা কও, কও কথা অভিমানিনী সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে যাবে কত যামিনী।। সে কাঁদন শুনি হের নামিল নভে বাদল এলো পাতার বাতায়নে যুঁই চামেলী কামিনী।। আমার প্রাণের ভাষা শিখে ডাকে পাখি পিউ কাঁহা খোঁজে তোমায় মেঘে মেঘে আঁখি মোর সৌদামিনী।।
রাগঃ ভৈরবী–পিলু
তালঃ কাহার্বা

খর রৌদ্রের হোমানল জ্বালি’ তপ্ত গগনে জাগি। রুদ্র তাপস সন্ন্যাসী বৈরাগী।। সহসা কখন বৈকালি ঝড়ে পিঙ্গল মম জটা খু’লে পড়ে, যোগী শঙ্কর প্রলয়ঙ্কর জাগে চিত্তে ধেয়ান ভাঙি’১।। শুষ্ক কণ্ঠে শ্রান্ত ফটিক জল ক্লান্ত কপোত কাঁদায় কানন-তল, চরণে লুটায় তৃষিতা ধরণী আমার শরণ মাগি’।।
১. মম চিত্তে মাতে নৃত্যে যোগী শঙ্কর ধ্যান ভাঙি।
রাগঃ কামোদ-শ্রী
তালঃ দাদ্রা
এসো চির-জনমের সাথি। তোমারে খুঁজেছি দূর আকাশে জ্বালায়ে চাঁদের বাতি।। খুঁজেছি প্রভাতে গোধূলি-লগনে মেঘ হয়ে আমি খুঁজেছি গগনে, ঢেকেছে ধরণী আমার কাঁদনে অসীম তিমির রাতি।। ফুল হয়ে আছে লতায় জড়ায়ে মোর অশ্রুর স্মৃতি, বেণু বনে বাজে বাদল-নিশীথে আমারি করুণ-গীতি। শত জনমের মুকুল ঝরায়ে ধরা দিতে এলে আজি মধু-বায়ে, ব’সে আছি আশা-বকুলের ছায়ে বরণের মালা গাঁথি’।।
রাগঃ নাগসরাবলী
তালঃ ত্রিতাল
১.

২.

ওলো বিশাখা, ওলো ললিতে, দে এই পথের ধূলি দে। যে পথে শ্যামের রথ চ’লে গেছে, দে সেই পথের ধূলি দে।। আখর : [ধুলি নয় ধুলি নয়, এ যে হরি-চন্দন ধূলি নয়, এ যে হরি-চন্দন, অঙ্গ শীতল করা। ওর ভাগ্য ভালো, রাধার চেয়ে ওর ভাগ্য ভালো — ঐ, ধূলি মাথায় তুলে দে লো।] ঐ পথের বুকে গেছে কৃষ্ণের রথ, সখী আমি কেন হই নাই ঐ ধূলি-পথ। আখর : [বধূ, চ’লে যে যেত গো আমার, হিয়ার উপর দিয়া চ’লে যে যেত আমার, সকল জনম সফল হ’ত, চ’লে যে যেত গো] অনুরাগের রজ্জু দিয়া বাঁধিতাম সে-রথে নিয়ে যেতাম সে-রথ প্রেমপথে (ওলো ললিতে) আখর : [নিয়ে যেতাম, অনুরাগ-রজ্জুতে বেঁধে, প্রেমের পথে, অনুরাগ-রজ্জুতে বেঁধে।
রাগঃ
তালঃ