রুম্ ঝুম্ বাদল আজি বরষে

বাণী

রুম্ ঝুম্ বাদল আজি বরষে
আকুল শিখি নাচে ঘন দরশে॥
বারির দরশনে আজি ক্ষণে ক্ষণে
নব নীরদ শ্যাম রূপে পড়ে মনে
না-জানি কোন্ দেশে কোন্ প্রিয়া সনে
রয়েছে ভুলিয়া নটবর সে॥

তরুণ অশান্ত কে বিরহী

বাণী

তরুণ অশান্ত কে বিরহী।
নিবিড় তমসায় ঘন ঘোর বরষায় —
দ্বারে হানিছ কর রহি রহি।।
ছিন্ন পাখা কাঁদে মেঘ-বলাকা
কাঁদে ঘোর অরণ্য আহত-শাখা
	চোখে আশা-বিদ্যুৎ
	এলে কোন মেঘদূত,
বিধূর বঁধূর মোর বারতা বহি’।।

হে মদিনাবাসী প্রেমিক ধর

বাণী

হে মদিনাবাসী প্রেমিক ধর হাত মম।।
জ্বলওয়া দেখালে দিল হরিলে বন্ধু হলো বেগানা
হেসে হেসে সংসার কহে দীওয়ানা এ দীওয়ানা।।
বিরহের এ রাত একেলা কেঁদে হলো ভোর
হৃদয়ে মোর শান্তি নাহি কাঁদে পরান মোর।।
দুখের দোসর কেউ নাহি মোর নাই ব্যথী ব্যথার
তোমায় ভুলে ভাসি অকূলে পার করো সরকার।।

বল্ সই বসে কেনে একা আনমনে

বাণী

বল্ সই বসে কেনে একা আনমনে
চল সই সই পাতাবি গাঁদা ফুলের সনে।।
নিয়ে পাথর কুচি, আউস ধানের গুছি
অজয় নদীর ধারে খেল্‌ব নিরজনে।।
দেখিস্‌ আস্‌বে ফিরে তোর চাঁদ নতুন চাঁদে,
চাঁদ-মুখ রেখে ঘরে কে সই রইতে পারে 
		আঁধার কয়লা খাদে!
আস্‌বে পোষা কোকিল, ডাকবে মহুল বনে।।
কিন্‌বে ধেনো জমি এবার টাকা এনে,
সে আর যেন গয়না কাপড় না কেনে
তোর বলতে যদি লাজে বাধে মুখে
আমি বল্‌ব তারে যা তুই ভাবিস মনে।।

আমার হৃদয় অধিক রাঙা

বাণী

আমার	হৃদয় অধিক রাঙা মা গো রাঙা জবাব চেয়ে,
আমি		সেই জবাতে ভবানী তোর চরণ দিলাম ছেয়ে॥
		মোর বেদনার বেদির ‘পরে
		বিগ্রহ তোর রাখবো ধ‘রে
পাষাণ দেউল সাজে না — তোর আদরিণী মেয়ে॥
স্নেহ পূজার ভোগ দেবো মা, অশ্রু-পূজাঞ্জলি,
অনুরাগের থালায় দেবো ভক্তি-কুসুম-কলি।
		অনিমেষ আঁখির বাতি
		রাখবো জ্বেলে দিবস রাতি,
তোর		রূপ হবে মা আরও শ্যামা (আমার) অশ্রুজলে নেয়ে॥

দাঁড়ালে দুয়ারে মোর

বাণী

	দাঁড়ালে দুয়ারে মোর		কে তুমি ভিখারিনী।
	গাহিয়া সজল চোখে		বেলা-শেষের রাগিণী॥
	মিনতি-ভরা আঁখি			ওগো কে তুমি ঝড়ের পাখি
(ওগো)	কি দিয়ে জুড়াই ব্যথা		কেমনে কোথায় রাখি
	কোন্ প্রিয় নামে ডাকি’		মান ভাঙাব মানিনী॥
	বুকে তোমায় রাখতে প্রিয়	        চোখে আমার বারি ঝরে,
(ওগো)	চোখে যদি রাখিতে চাই		বুকে উঠে ব্যথা ভ’রে।
	যত দেখি তত হায়,		ওগো পিপাসা বাড়িয়া যায়
	কে তুমি যাদুকরী			স্বপন-মরু-চারিণী॥