বাণী
পরান-প্রিয়! কেন এলে অবেলায় শীতল হিমেল বায়ে ফুল ঝ’রে যায়।। সেদিনও সকাল বেলা খেলেছি কুসুম–খেলা, আজি যে কাঁদি একেলা ভাঙ্গা এ মেলায়।।
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু
তালঃ দাদ্রা
ভিডিও
স্বরলিপি

পরান-প্রিয়! কেন এলে অবেলায় শীতল হিমেল বায়ে ফুল ঝ’রে যায়।। সেদিনও সকাল বেলা খেলেছি কুসুম–খেলা, আজি যে কাঁদি একেলা ভাঙ্গা এ মেলায়।।
রাগঃ পিলু
তালঃ দাদ্রা

আল্লা নামের বীজ বুনেছি এবার মনের মাঠে। ফলবে ফসল বেচব তারে কেয়ামতের হাটে।। পত্তনীদার যে এ জমির খাজনা দিয়ে সেই নবীজীর বেহেশতেরই তালুক কিনে বসব সোনার খাটে।। মসজিদে মোর মরাই বাঁধা হবে নাকো চুরি, মনকির নকির দুই ফেরেশতা হিসাব রাখে জুড়ি' রে; রাখবো হেফাজতের তরে ঈমানকে মোর সাথী করে, রদ হবে না কিস্তি (মোর), জমি উঠবে না আর লাটে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

বন্ধু বিদায় — যাই চ’লে যাই — তোমার গলার মালা পরায়ে তোমায়।। ফুল ঝ’রে যে পথে হারায় অশ্রু ঝ’রে যে পথে লুকায়, যাই যাই — যে আঁধার পথে আশার বাতি নিভে যায় বন্ধু বিদায়।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরী স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
কার মঞ্জির রিনিঝিনি বাজে — চিনি চিনি। প্রাণের মাঝে সদা বাজে তারি রাগিণী।। বন-শিরিষের জিরিজিরি পাতায় ধীরি ধীরি ঝিরি ঝিরি নূপুর বাজায়, তমাল-ছায়ায় বেড়ায় ঘুরে মায়া-হরিণী।। আমার গানে তারি চরণের অনুরণনে ছন্দ জাগে গন্ধে রসে রূপে বরণে। কান পেতে রই দুয়ার পাশে — তারি আসার আভাস আসে, ঝঙ্কার তোলে মনের বীণায় বীণ-বাদিনী।।
রাগঃ সিন্ধুরা
তালঃ কাহার্বা

অঝোর ধারায় বর্ষা ঝরে সঘন তিমির রাতে। নিদ্রা নাহি তোমায় চাহি’ আমার নয়ন-পাতে॥ ভেজা মাটির গন্ধ সনে তোমার স্মৃতি আনে মনে, বাদ্লী হাওয়া লুটিয়ে কাঁদে আঁধার আঙিনাতে॥ হঠাৎ বনে আস্ল ফুলের বন্যা পল্লবেরই কূলে, নাগকেশরের সাথে কদম কেয়া ফুট্ল দুলে দুলে। নবীন আমন ধানের ক্ষেতে হতাশ বায়ু ওঠে মেতে, মন উড়ে যায় তোমার দেশে পূব-হাওয়ারই সাথে॥
রাগঃ মূলতান-কানাড়া মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

প’রো প’রো চৈতালি-সাঁজে কুস্মি শাড়ি। আজি তোমার রূপের সাথে চাঁদের আড়ি॥ প’রো ললাটে কাঁচপোকার টিপ, তুমি আলতা প’রো পায়ে হৃদি নিঙাড়ি’॥ প্রজাপতির ডানা-ঝরা সোনার টোপাতে, ভাঙা ভুরু জোড়া দিও বাতুল শোভাতে। বেল-যূথিকার গ’ড়ে মালা প’রো খোঁপাতে দিও উত্তরীয় শিউলি-বোঁটার রঙে ছোপাতে, রাঙা সাঁঝের সতিনী তুমি রূপ-কুমারী॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুপ জালোটা
