বাণী
আমার সকলি হরেছ হরি এবার আমায় হ’রে নিও। যদি সব হরিলে নিখিল-হরণ তবে ঐ চরণে শরণ দিও।। আমায় ছিল যারা আড়াল ক’রে হরি তুমি নিলে তাদের হ’রে, ছিল প্রিয় যারা গেল তারা (হরি) এবার তুমিই হও হে প্রিয়।।
রাগ ও তাল
রাগঃ আশাবরী / জৌনপুরী
তালঃ কাওয়ালি
স্বরলিপি

আমার সকলি হরেছ হরি এবার আমায় হ’রে নিও। যদি সব হরিলে নিখিল-হরণ তবে ঐ চরণে শরণ দিও।। আমায় ছিল যারা আড়াল ক’রে হরি তুমি নিলে তাদের হ’রে, ছিল প্রিয় যারা গেল তারা (হরি) এবার তুমিই হও হে প্রিয়।।
রাগঃ আশাবরী / জৌনপুরী
তালঃ কাওয়ালি

ডাল মেল, পত্র মেল, ওরে তরুলতা! কইতে পার, কইতে পার আমার প্রাণের বন্ধু গেল কোথা (রে)।। ও তরু, তোর পাতার কোলে ফোটা ফুলের হাসি দোলে (রে)। সে কি তোর কুসুমের মালা গলে বসেছিল হোথা (রে)।। তোর ফুল ঝরে যে যথা তোর ছায়া থাকে যথা। ঢেউ-এর মালা গলায় পরে নাচিস নদী জল, তরী বেয়ে বন্ধু আমার কোথায় গেল বল। চাঁদের তিলক প’রে আকাশ হেসে হেসে কেন তাকাস্? তোর চাঁদ কি জানে, মোর আকাশের চাঁদেরই বারতা।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

মিলন রাতের মালা হব তোমার আলোকে। সজল কাজল-লেখা হব আঁখির পলকে।। জলকে যাওয়ার কলস হব অলস সন্ধ্যায়, ছল ক’রে গো অঙ্গে তোমার পড়ব ছলকে।। তাম্বুল রাগ হব তোমার অরুণ অধরে দুল্ব স্বপন-কমল হ’য়ে ঘুমের সায়রে, জ্যোতি হব তোমার রূপের বিজ্লি-ঝলকে।। বক্ষে তোমার হার হব গো নূপুর চরণে গোপন প্রেমের দাগ হব গো হিয়ার ফলকে।।
রাগঃ পাহাড়ি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
দাসী হতে চাই না আমি হে শ্যাম কিশোর বল্লভ, আমি তোমার প্রিয়া হওয়ার দুঃখ লব। জানি জানি হে উদাসীন দুঃখ পাব অন্ত বিহীন বঁধুর আঘাত মধুর যে নাথ সে গরবে সকল সব।। তোমার যারা সেবিকা নাথ, আমি নাহি তাদের দলে, সবর্নাশের আশায় আমি ভেসেছি প্রেম পাথার জলে। দয়া যে চায় যাচুক চরণ আমার আশা করব বরণ বিরহে হোক মধুর মরণ, আজীবন সুদূরে রব।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কথার কুসুমে গাঁথা গানের মালিকা কার। ভেসে এসে হতে চায় গো আমার গলার হার।। আমি তারে নাহি জানি তার সুরের সূত্রখানি, তবু বিজড়িত হয় কেন গো, আমার কঙ্কনে বারবার।। তার সুরের তুলির পরশে, ওঠে আমার ভুবন রাঙ্গি’, কোন বিস্মৃত জনমের যেন কত স্মৃতি ওঠে জাগি’। আমার রাতের নিদে তার সুর এসে প্রাণে বিঁধে, যার সুর এত চেনা, কবে দেখা পাবো সেই অচেনার।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ও বাবা! তুর্কী-নাচন নাচিয়ে দিলে। (ওসে) কোন্ অভাগা অঙ্ক-লক্ষ্মী নাম দিল এই শঙ্খ-চিলে।। দিন রাত্তির অঙ্ক কষে পান্ হতে চুন কখন্ খসে, স্ত্রী ব’লে আন্নু ঘরে শাড়ি পরা কোন্ উকিলে।। প্রাণ-পাখি মোর খাঁচা-ছাড়া, (এই) ঝুল্তি বেণীর গুল্তি ঢিলে’ মাতঙ্গিনী মহিষিণী গুঁতিয়ে ফাটায় পেটের পিলে। যেমন বাঘ দেখে ছাগ ছুটেরে ভাই তেমনি কাছা খুলে পালিয়ে বেড়াই ওগো মাগো এসে রক্ষা কর হালুম-বাঘায় ফেল্ল গিলে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
