বাণী
পিউ পিউ বিরহী পাপিয়া বোলে; কৃষ্ণচূড়া বনে ফাগুন সমীরণে ঝুরে ফুল বন পথতলে॥ নিশি পোহায়ে যায় কাহার লাগি নয়নে নাহি ঘুম বসিয়া জাগি আমারই মত হায় চাহিয়া আশা পথ নিশীথের চাঁদ পড়ে গগনে ঢলে॥
রাগ ও তাল
রাগঃ ললিত
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

পিউ পিউ বিরহী পাপিয়া বোলে; কৃষ্ণচূড়া বনে ফাগুন সমীরণে ঝুরে ফুল বন পথতলে॥ নিশি পোহায়ে যায় কাহার লাগি নয়নে নাহি ঘুম বসিয়া জাগি আমারই মত হায় চাহিয়া আশা পথ নিশীথের চাঁদ পড়ে গগনে ঢলে॥
রাগঃ ললিত
তালঃ ত্রিতাল

ঈদজ্জোহার তকবীর শোন ঈদ্গাহে! (তোর) কোরবানিরই সামান নিয়ে চল্ রাহে।। কোরবানির রঙে রঙিন পর লেবাস্ পিরহানে মাখ্রে ত্যাগের গুল্-সুবাস, হিংসা ভুলে প্রেমে মেতে ঈদগাহেরই পথে যেতে দে মোবারকবাদ দ্বীনের বাদ্শাহে।। খোদারে দে প্রাণের প্রিয়, শোন্ এ ঈদের মাজেরা যেমন পুত্র বিলিয়ে দিলেন খোদার নামে হাজেরা, ওরে কৃপণ, দিস্নে ফাঁকি আল্লাহে।। তোর পাশের ঘরে গরীব কাঙাল কাঁদছে যে তুই তারে ফেলে ঈদ্গাহে যাস্ সঙ সেজে, তাই চাঁদ উঠ্ল, এলো না ঈদ্ নাই হিম্মৎ, নাই উম্মিদ, শোন্ কেঁদে কেঁদে বেহেশ্ত হ’তে হজরত আজ কি চাহে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে এলো ঐ অসুর সংহারিতে বাঁচাতে উৎপীড়িতে ধ্বংস করিতে সব বন্ধন বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥ দনুজ দলনে চামুন্ডা এলো ঐ প্রলয় অগ্নি জ্বালি নাছিছে তাথৈ তাথৈ তাতা থৈ থৈ দুর্বলে বলে মা মাভৈঃ মাভৈঃ মুক্তি লভিবি সব শৃঙ্খল বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥ রক্ত-রঞ্জিত অগ্নি শিখায় করালী কোন্ রসনা দেখা যায়। পাতাল তলের যত মাতাল দানব পৃথিবীতে এসেছিল হইয়া মানব তাদের দন্ড দিতে আসিয়াছে চন্ডীকা সাজিয়া চন্ডী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পরদেশী বঁধু! ঘুম ভাঙায়ো চুমি' আঁখি যদি গো নিশীথে গো ঘুমাইয়া থাকি। আমি ঘুমাইয়া থাকি ঘুম ভাঙায়ো চুমি' আঁখি।। যদি দীপ নেভে গো কুটিরে বাতায়ন-পানে চাহি' যেয়ো না গো ফিরে', নিভেছে আঁখি শিখা প্রাণ আছে বাকি আজো প্রাণ আছে বাকি ঘুম ভাঙায়ো চুমি' আঁখি।।
রাগঃ মাঢ়
তালঃ কাহার্বা

বঁধু, তোমার আমার এই যে বিরহ এক জনমের নহে। তাই যত কাছে পাই তত এ হিয়ায় কি যেন অভাব রহে।। বারে বারে মোরা কত সে ভুবনে আসি দেখিয়া নিমেষে দুইজনে ভালোবাসি, দলিয়া সহসা মিলনের সেই মালা (কেন) চলিয়া গিয়াছি দোঁহে।। আমরা বুঝি গো বাঁধিব না ঘর, অভিশাপ বিধাতার। শুধু চেয়ে থাকি, কেঁদে কেঁদে ডাকি, চাঁদ আর পারাবার যেন চাঁদ আর পারাবার। মোদের জীবন-মঞ্জরি দুটি হায়! শতবার ফোটে শতবার ঝ'রে যায়; আমি কাদি ব্রজে (বঁধু), তুমি কাঁদ মথুরায়, মাঝে অপার যমুনা বহে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে। বলিও আমার পরদেশী রে।। সে দেশে যবে বাদল ঝরে কাঁদে নাকি প্রাণ একেলা ঘরে, বিরহ-ব্যথা নাহি কি সেথা বাজে না বাঁশি নদীর তীরে।। বাদল-রাতে ডাকিলে ‘পিয়া পিয়া পাপিয়া’, বেদনায় ভ’রে ওঠে নাকি রে কাহারো হিয়া। ফোটে যবে ফুল, ওঠে যবে চাঁদ জাগে না সেথা কি প্রাণে কোন সাধ, দেয় না কেহ গুরু গঞ্জনা সে দেশে বুঝি কুলবতী রে।।
রাগঃ সিংহেন্দ্র মধ্যম (দক্ষিণী রাগ)
তালঃ আদ্ধা
শিল্পীঃ ইন্দ্রানী গাঙ্গুলি
বি. দ্র.: স্বরলিপি অনির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত
