কেন ঘুম ভাঙালে প্রিয়

বাণী

কেন ঘুম ভাঙালে প্রিয় যদি ঠেলিবে পায়ে।
বৃথা বিকশিত কুসুম কি যাবে শুকায়ে,
একা বন-কুসুম ছিনু বনে ঘুমায়ে।।
ছিল পাশরি’ আপন-বেভুল কিশোর-হিয়া,
বধূর বিধূর-যৌবন কে দিলে জাগায়ে।।
প্রিয় গো প্রিয় —
আকাশ-বাতাস কেন ব্যথার রঙে তুমি দিলে রাঙায়ে।।

নাটক : ‘আলেয়া’

মাধব বংশীধারী বনওয়ারী

বাণী

মাধব বংশীধারী বনওয়ারী গোঠ-চারী গোবিন্দ কৃষ্ণ মুরারী।
গোবিন্দ কৃষ্ণ মুরারি হে পাপ-তাপ-দুখ-হারী।।
কালরূপ কভু দৈত্য-নিধনে, চিকন কালা কভু বিহর বনে,
কভু বাজাও বেণু, খেল ধেনু-সনে,
কভু বামে রাধা প্যারী, গোপ-নারী মনোহারি, নিকুঞ্জ-লীলা-বিহারী।।
কুরুক্ষেত্র-রণে পান্ডব-মিতা, কন্ঠে অভয়বাণী ভগবদ্-গীতা,
পূর্ণ ভগবান পরম পিতা, শঙ্খ-চক্র-গদাধারী,
পাপ-তারী, কান্ডারি ত্রিভুবন সৃজনকারী।।

সই চাঁদ কত দূরে

বাণী

সই চাঁদ কত দূরে।
ফাল্গুন সন্ধ্যার রজনীগন্ধা সম —
পথ চেয়ে রই, আঁখি ঝুরে।।
সন্ধ্যামালতীর কলি
ফুটিতে গিয়া নিরাশায় পড়িয়াছি ঢুলি,
বাজিয়া শ্রান্ত হয়ে থামিয়াছে সুর ভ্রমর নূপুরে।।

শুকনো পাতার নূপুর পায়ে

বাণী

শুকনো পাতার নূপুর পায়ে
		নাচিছে ঘুর্ণিবায়
জল তরঙ্গে ঝিল্‌মিল্‌ ঝিল্‌মিল্‌
		ঢেউ তুলে সে যায়।।
দীঘির বুকে শতদল দলি’
ঝরায়ে বকুল–চাঁপার কলি
চঞ্চল ঝরনার জল ছল ছলি
		মাঠের পথে সে ধায়।।
বন–ফুল আভরণ খুলিয়া ফেলিয়া
আলুথালু এলোকেশ গগনে মেলিয়া
পাগলিনী নেচে যায় হেলিয়া দুলিয়া
		ধূলি–ধূসর কায়।।
ইরানি বালিকা যেন মরু–চারিণী
পল্লীর–প্রান্তর–বনমনোহারিণী
আসে ধেয়ে সহসা গৈরিক বরণী
		বালুকার উড়্‌নি গায়।।

বালা যোবান মোরি স্যখিরি পরদেশে পিয়া

বাণী

বালা যোবান মোরি স্যখিরি পরদেশে পিয়া।
ক্যায়সে স্যামহালু সোলা ব্যরস উম্যারিয়ারি পরদেশে পিয়া।।
ব্যয়রি ভ্যয়রি যোবান দিলমে নাহি চ্যয়ন
দিল ন্য লাগে কামমে জাগি কাটে রয়ন
সোতে ড্যর লাগে একেলী স্যবরিয়া রি পরদেশে পিয়া।।
ফিকা লাগে খানা পিনা ন্যয়নোমে নিদ ন্যহিরি
যাঁহা মোরি বিদেশিয়া লেবা মোহে ওয়াহিরি।
আয়ে ফাগুন চৈত স্যখি খিলা যোবান ফুল মোর
স্যতায়ে নিসদিন মোহে বুলবুল আওর ফুলচোর
ক্যয়সে ছিপাউ উও ফুল প্যতরি আঙ্গিঁয়ারি পরদেশে পিয়া।।

ঘেরিয়া গগন মেঘ আসে

বাণী

ঘেরিয়া গগন মেঘ আসে।
	বিহ্বল ধরণী,
দশ দিশি কাঁপে তরাসে।।
	বিদ্যুৎ ঝলকে,
	ঝামর অলকে,
ঝমঝম ঝাঁঝর বাজে ঘন আকাশে।।
	শিখী নাচে হরষে
	বারিধারা বরষে,
চাতক চাতকী পাগল পিয়াসে।।