মদিনাতে এসেছে সই নবীন সওদাগর

বাণী

	মদিনাতে এসেছে সই নবীন সওদাগর।
সে	হীরা জহরতের চেয়ে অধিক মনোহর।।
সই	দেখতে তারে লাখো হাজার লোক ছুটেছে পথে
সে	কোহিনূর মানিক এনেছে কোহ-ই-তূর হ’তে,
সে	কোরান-জাহাজ বোঝাই ক’রে এনেছে সোনার মোহর।।
	একবার যে কল্‌মা প’ড়ে আল্লা বলে এসে
তারে	বিনি-মূলে সল্‌মা চুনি বিলিয়ে দেয় সে হেসে,
	দুলিয়ে সে দেয় নামাজ রোজার হীরের তাবিজ বুকের পর।।
সে	বেহেশ্‌তের কুঞ্জি ল’য়ে ডাকে অহরহ
বলে	ঈমান এনে বেহেশ্‌ত যাবার সোনার চাবি লহ,
আমি	প্রাণ দিয়েছি নজ্‌রানা, সই, দেখে’ তারে এক নজর।।

নাই চিনিলে আমায় তুমি

বাণী

নাই চিনিলে আমায় তুমি রইব আধেক চেনা।
চাঁদ কি জানে কোথায় ফোটে চাঁদনি রাতে হেনা।।
	আধো আঁধার আধো আলোতে
	একটু চোখের চাওয়া পথে —
জানিতাম তা ভুলবে তুমি, আমার আঁখি ভুলবে না।।
আমার ঈষৎ পরিচয়ের এই সঞ্চার লয়ে
হয় না সাহস কোথায় যাব মনের কথা কয়ে।
	একটু জানার মধু পিয়ে
	বেড়াই কেন গুন্‌গুনিয়ে —
তুমি জান, আমি জানি, আর কেহ জানে না।।

সাঁঝের আঁচলে রহিল হে প্রিয় ঢাকা

বাণী

সাঁঝের আঁচলে রহিল হে প্রিয় ঢাকা।
ফুলগুলি মোর বেদনার রং মাখা।।
		আসিবে যখন ফিরে
		আবার এ মন্দিরে,
চরণে দলিও আলপনা মোর অশ্রুর জলে আঁকা।।
বিরহ-মলিন বন-তুলসীর শুকানো মালিকাখানি,
ফেলিবার আগে ধন্য করিও একটু পরশ দানি’।
		যেতে এই পথ ’পরে
		যদি মোরে মনে পড়ে,
যমুনার জলে ভাসাইয়া দিও একটি মাধবী শাখা।।

তুম আনন্দ ঘনশ্যাম ম্যয় হুঁ

বাণী

তুম আনন্দ ঘনশ্যাম ম্যয় হুঁ প্রেম-দিওয়ানী রাধা।
বাঁশরি শুনকে তোরি আয়ি মধুবনমে না মানু কলঙ্ককি বাধা।।
যুগ যুগান্ত অনন্তকাল সে হৃদয়-বৃন্দাবনে মে,
তুমহারে হামরে এহি লীলা নাথ চলত রহি মনমে।
	মেরে সঙ্গ রোয়ে প্রেম বিগলিতা
	ভক্তি বিশাখা প্রীতি ললিতা,
তুমকো যো চাহে মেরি তরহেসে রোয়ত জীব সমাধা।।

কেউ ভোলে না কেউ ভোলে

বাণী

কেউ		ভোলে না কেউ ভোলে অতীত দিনের স্মৃতি
কেউ		দুঃখ ল’য়ে কাঁদে কেউ ভুলিতে গায় গীতি।।
কেউ		শীতল জলদে হেরে অশনির জ্বালা
কেউ		মুঞ্জরিয়া তোলে তার শুষ্ক কুঞ্জ–বীথি।।
হেরে		কমল–মৃণালে কেউ কাঁটা কেহ কমল।
কেউ		ফুল দলি’ চলে কেউ মালা গাঁথে নিতি।।
কেউ		জ্বালে না আর আলো তার চির–দুখের রাতে,
কেউ		দ্বার খুলি’ জাগে চায় নব চাঁদের তিথি।।

বিদেশি অতিথি সিন্ধু পারে

বাণী

পুরুষ 	: 	বিদেশি অতিথি সিন্ধু পারে পথহারা ফিরি দ্বারে দ্বারে।
স্ত্রী 	: 	বাইরে হিম ঝরে ঝিম্ ঝিম্ ঝিম্ বন্ধু এসো এপারে।।
পুরুষ 	: 	তোমারে বুঝি না বুঝি বা আধেক
স্ত্রী 	: 	নয়নের ভাষা বঁধু সব দেশে এক,
পুরুষ 	: 	তুমি ঊষা, ল’য়ে তুষার কর খেলা — ভোরবেলা।
স্ত্রী 	: 	পুবের তপন সম রাঙাও জীবন মম তোমার কিরণ ধারে।।
পুরুষ 	: 	তব কণ্ঠে সুর শুনি হায় সকরুণ স্মৃতি জাগায়,
স্ত্রী 	: 	বিদেশি চেরী-কুসুমের মালিকা লহ গলায়।
উভয়ে	:	চল যাই যেথা নাই দেশের বন্ধন
			নাহি গো ক্রন্দন,
			নিরুদ্দেশের পথে প্রেম অভিসারে।।