আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই

বাণী

পুরুষ	:	আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই যবে
		তুমি মোনাজাত কর গো নীরবে,
স্ত্রী	:	তুমি যে খোদার দেওয়া সওগাত মম বেহেশ্‌তের সাথি।।
পুরুষ	:	তুমি হেরেমের বন্দিনী নহ তুমি যে ঘরের বাতি।
স্ত্রী	:	তুমি যে ঈদের চাঁদ! তব তরে জাগিয়া কাটাই রাতি।।
পুরুষ	:	তুমি নারী আগে আনিলে ঈমান দ্বীন ইসলাম ‘পরে,
স্ত্রী	:	তুমি যে বিজয়ী খোদার রহম আনিয়াছ জয় ক’রে!
পুরুস	:	আজি দুর্বল মোরা তোমারে ত্যজিয়া
স্ত্রী	:	দাঁড়াইব পাশে উঠহ জাগিয়া,
উভয়ে	:	হাতে হাত ধরি’ চলি যদি মোরা জাগিবে নূতন জাতি —
					দুনিয়া আবার উঠিবে মাতি’।।

তুমি এলে কে গো চির-সাথী অবেলাতে

বাণী

তুমি	এলে কে গো চির-সাথী অবেলাতে
যবে	ঝুরিছে সন্ধ্যামণি আঙিনাতে।
ওগো	কে এলে গো চির-সাথী অবেলাতে।।
	রোদের দাহে এলে স্নিগ্ধ-বাস ফুল-রেণু
	নিঝুম প্রাণে এলে বাজায়ে ব্যাকুল বেণু
ওগো	চাঁদের তিলক এলে আঁধার রাতে।
ওগো	কে এলে গো চির-সাথী অবেলাতে।।
	ফুল ঝরার বেলা এলে মোর শেষ অতিথি
	কাঁদে হা হা স্বরে রিক্ত কানন-বীথি।
	এলে রে মরুভূমে পিয়াসি চকোর মোর
	শুক্লাতিথির শেষে কাঁদিতে এলে চকোর।
(তুমি)	আসিলে জীবন-সাঁঝে ঘুম ভাঙাতে।
ওগো	কে এলে গো চির সাথী অবেলাতে।।

সখি দখিনা মলয় ঝিরি ঝিরি বয়

বাণী

‍
সখি দখিনা মলয় ঝিরি ঝিরি বয় কানে কথা কয় ধীরে ধীরে ধীরে।
চোখের মতন কেন ঘোরে অকারণ আমার ফুলবন ঘিরে।।
সখি! ব’লে দিস্ মলয়ারে, যেন সে আসে না
চাঁদের প্রিয়া আমি চৈতালি হেনা,
করুণা যাচে কেন মোর কাছে ফিরে ফিরে।।

নাটক : ‘সর্বহারা’

নিশিদিন তব ডাক শুনিয়াছি মনে মনে

বাণী

নিশিদিন তব ডাক শুনিয়াছি মনে মনে
শ্রবণে শুনিনি আহ্বান তব পবনে শুনেছি বনে বনে।।
	হে বিরহী তব আতাস
	পাণ্ডু করেছে তোমার আকাশ
বিজনে তোমারে করিয়াছি ধ্যান শুধা যে ফিরিনি জনে জনে।।
সকলে যখন ঘুমায়ে পড়েছে আধ রাতে
স্মৃতি মঞ্জুষা খুলিয়া দেখেছি নিরালাতে।
	যদি তব ছবি ম্লান হয়ে যায়
	অশ্রু সলিলে ধুয়ে রাখি তায়
দেবতা তোমারে মৌন পূজায় নীরবে ধেয়াই নিরজনে।।

বসিয়া বিজনে কে গো বিমনা

বাণী

	বসিয়া বিজনে কে গো বিমনা।
	নিরালায় বাসনা-তুলিকায় আঁকিছ কোন্ আল্‌পনা।।
			অনামিকায় কভু জড়াও অঞ্চল
		(কভু)	ভাসাও স্রোতে মালার ফুলদল,
কভু	আনমনে চাই গগন-কোণে যেন কোন্ উদাসী কামনা।।
পলক নাই চোখে, মুখে নাহি বাণী,
ফেলে যাওয়া যেন, কার বাঁশরিখানি।
	তাহারি আগমনী অন্তরে শুনি’
	উছলি’ উঠিবে মৌন সুরধুনী,
				বাজিবে মধু-মুরছনা।।

বনপথে কে যায়

বাণী

বনপথে কে যায়।
মনে হয় যেন তারে চিনি আমি হায়।।
ছন্দে জাগায়ে সে-নিশীথ নিঝুম
বাজে নূপুর তার রুমা ঝুমা ঝুম্,
জাগে নিশীথিনী এলোচুলে পাষাণ বুকে নির্ঝর জাগায়।।