মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে

বাণী

মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে।
তাই কিরে তোর কণ্ঠেরি গান, (ওরে) এমন মধুর লাগে।।
	ওরে গোলাপ নিরিবিলি
	নবীর কদম ছুঁয়েছিলি —
তাঁর কদমের খোশবু আজো তোর আতরে জাগে।।
	মোর নবীরে লুকিয়ে দেখে
	তাঁর পেশানির জ্যোতি মেখে,
ওরে ও চাঁদ রাঙলি কি তুই গভীর অনুরাগে।।
	ওরে ভ্রমর তুই কি প্রথম
	চুমেছিলি তাঁহার কদম,
গুন্‌গুনিয়ে সেই খুশি কি জানাস্‌ রে গুল্‌বাগে।।

আর লুকাবি কোথা মা কালী

বাণী

আর লুকাবি কোথা মা কালী
বিশ্ব-ভুবন আঁধার ক’রে তোর রূপে মা সব ডুবালি।।
সুখের গৃহ শ্মশান ক’রে বেড়াস্ মা তায় আগুন জ্বালি’
দুঃখ দেবার রূপে মা তোর ভুবন-ভরা রূপ দেখালি।।
পূজা ক’রে, পাইনি তোরে মা গো এবার চোখের জলে এলি
বুকের ব্যথায় আসন পাতা ব’স্ মা সেথা দুখ্‌-দুলালী।।

আমি সুন্দর নহি জানি হে বন্ধু জানি

বাণী

আমি	সুন্দর নহি জানি হে বন্ধু জানি
তুমি	সুন্দর, তব গান গেয়ে নিজেরে ধন্য মানি।।
		আসিয়াছি সুন্দর ধরণীতে
		সুন্দর যারা তাদেরে দেখিতে
	রূপ-সুন্দর দেবতার পায় অঞ্জলি দেই বাণী।।
	রূপের তীর্থে তীর্থ-পথিক যুগে যুগে আমি আসি'
	ওগো সুন্দর বাজাইয়া যাই তোমার নামের বাশিঁ।
		পরিয়া তোমার রূপ-অঞ্জন
		ভুলেছে নয়ন রাঙিয়াছে মন
	উছলি' উঠুক মোর সঙ্গীতে সেই আনন্দখানি।।

পুব সাগরে ডুব দিয়ে ঐ

বাণী

	পুব সাগরে ডুব দিয়ে ঐ সোনার রবি উঠ্ল রে।
	রাতের চোখের অশ্রু ঝ’রে কুসুম হয়ে ফুট্ল রে।।
		যাত্রী ওরে যেতে হবে
		গভীর ব্যথা পেতে হবে,
তাই	মিলন রাতের বালুর মালা জাগরণে টট্ল রে।।

নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)

বেণুকা ও-কে বাজায় মহুয়া বনে

বাণী

বেণুকা ও-কে বাজায় মহুয়া বনে।
কেন ঝড় তোলে তার সুর আমার মনে।।
বলে আয় সে দুরন্তে সখি
আমারে কাঁদাবে সারা জনম ও-কি,
সে কি ভুলিতে তারে দেবে না জীবনে।।
সখি, ভাল ছিল তার তীর-ধনুক নিঠুর,
বাজে আরো সকরুণ তা’র বেণুকার সুর।
সখি, কেন সে বন-বিলাসী
আমারই ঘরের পাশে বাজায় বাঁশি,
আছে আরো কত দেশ, কত নারী ভুবনে।।

পরমাত্মা নহ তুমি মোর

বাণী

পরমাত্মা নহ তুমি মোর (তুমি) পরমাত্মীয় মোর।
হে বিপুল বিরাট! মোর কাছে তুমি, প্রিয়তম চিতচোর॥
তোমারে যে ভয় করে হে বিশ্বত্রাতা
তার কাছে তুমি রুদ্র দন্ডদাতা,
প্রেমময় বলে তোমারে যে বাসে ভালো
তার কাছে তুমি মধুর লীলা কিশোর॥
দ্যাখে ভীরু চোখ আষাঢ়ের মেঘে বজ্র তব বিপুল,
মোর মালঞ্চে সেই মেঘে হেরি, ফোটায় নবমুকুল।
আকাশের নীল অসীম পদ্ম পরে
চরণ রেখেছ, হে মহান লীলা ভরে
সেই অনন্ত জানি না কেমন ক’রে
আমার হৃদয়ে খেল দিবানিশি ভোর॥