নিশির পাহারা ভেঙে চোর এসেছে

বাণী

	নিশির পাহারা ভেঙে চোর এসেছে ঘর,
	ধরতে গিয়ে দেখি ওলো চোর নয় সে বর।
	বর এসেছে, বর এসেছে, বর এসেছে বর।।
	এ পালিয়েছিল চুরি ক’রে মোদের সখির নিদ্,
(এই)	হৃদয়-বনের শিকারীকে নয়ন দিয়ে বিঁধ্।
এ যে	ফুলের মালায় বন্দী ক’রে পরাল টোপর —
	বর এসেছে, বর এসেছে, বর এসেছে বর।।

নাটক : ‘মধুমালা’

এলো রমজানেরি চাঁদ এবার দুনিয়াদারি ভোল

বাণী

এলো রমজানেরি চাঁদ এবার দুনিয়াদারি ভোল
সারা বরষ ছিলি গাফেল এবার আঁখি খোল।।
	এই একমাস রোজা রেখে
	পরহেজ থাক গুনাহ থেকে
কিয়ামতের নিয়ামত তোর ঝুলি ভরে তোল।।
বন্দী রহে এই মাসে শয়তান মালাউন
(তার) এই মাসে যা করবি সওয়াব দর্জা হাজার গুণ।
	ভোগ বিলাসে মাখলি যে পাঁক
	রমজানে তা হবে রে সাফ
এফতারে তোর কর রে সামান আল্লা রসুল বোল।।

ঢল ঢল তব নয়ন-কমল

বাণী

ঢল ঢল তব নয়ন-কমল কাজল তোমারেই সাজে।
শোভে তোমারেই চাঁদের হাসি হিঙুল অধর-মাঝে।।
	ফিরোজা-রঙ শাড়ি চাঁপা রঙে তব
	সেজেছে প্রিয়া কি অভিনব,
সুনীল গগনে গোধূলি রঙ যেন মিশেছে আসিয়া ঊষা ও সাঁঝে।।
কোমলে কড়িতে বাজে কাঁকন চুড়ি
শিথিল আঁচল ল’য়ে খেলে হাওয়া লুকোচুরি,
উষ্ণ কপোল ছুঁয়ে থল্-কমলী আঁউ’রে গেল যে লাজে।।

বৈঁচি মালা রইল গাঁথা

বাণী

বৈঁচি মালা রইল গাঁথা পিয়াল পাতা ঢাকা (লো)।
সে এলো না, সয় না লো আর এক্‌লা ঘরে থাকা (লো)।।
	সে বর্শা ধনুক নিয়ে হাতে
	ঘুরে বেড়ায় কাহার সাথে?
(সে) আসবে কবে, চাঁচর কেশে বেঁধে পাখির পাখা (লো)।।
(সে) বলেছিল, ডাগর হবে টগর-চারা যবে
লুকিয়ে এসে আমার হাতের বৈঁচি-মালা লবে (লো)।।
	আজ টগর গাছে ফুল ফুটেছে
	ফাগুন মাসের চাঁদ উঠেছে।
আঙিনাতে ফুল ছড়িয়ে কাঁদে পলাশ-পাখা (লো)।।

আমি রব না ঘরে

বাণী

আমি রব না ঘরে।
ওমা ডেকেছে আমারে হরি বাঁশির স্বরে।।
	আমি আকাশে শুনি আমি বাতাসে শুনি
	ওমা নিশিদিন বাঁশরি বাজায় সে গুণী,
ওমা তাহারি সুরের সুরধুনী বহে অন্তরে বাহিরে ভুবন ভ’রে।।
যবে জাগিয়া থাকি,
হেরি’ শ্রীহরির পদ্ম-পলাশ আঁখি।
যদি ভুলিয়া কভু আমি ঘুমাই মাগো
সে-ঘুম ভেঙে দেয় বলে, জাগো জাগো,
সে শয়নে স্বপনে মোর সাধনা গো —
আমি নিবেদিতা মাগো তাহারি তরে।।

মেঘ-বরণ কন্যা থাকে মেঘলামতীর দেশে

বাণী

মেঘ-বরণ কন্যা থাকে মেঘলামতীর দেশে (রে)
সেই দেশে মেঘ জল ঢালিও তাহার আকুল কেশে।।
	তাহার কালো চোখের কাজল
	শাওন মেঘের চেয়ে শ্যামল
চাউনিতে তার বিজলি ছড়ায় চমক বেড়ায় ভেসে (রে)।।
সে ব’সে থাকে পা ডুবিয়ে ঘুমতী নদীর জলে
কভু দাঁড়িয়ে থাকে ছবির মত একলা তরু-তলে (রে)।
	কদম ফুলের মালা গেঁথে
	ছড়িয়ে সে দেয় ধানের ক্ষেতে
তারে দেখতে পেলে আমার কথা (তারে) কইও ভালোবেসে।।