বাণী
অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
ঠাকুর! তেমনি আমি বাঘা তেঁতুল (তুমি) যেমন বুনো ওল। তোমার কুলের কথা (গোকুলের কথা) রটিয়ে দোবো বাজিয়ে ঢাক ঢোল, বাজিয়ে শ্রীখোল।। কেঁদে হেঁই হেঁই যে করে, তার তরে তোমার প্রেম নেই, তুমি আয়ান ঘোষকে দেখা দিলে দেখলে লাঠি যেই। সেদিনও নদীয়াতে কল্সি কানার এক ঘায়েতে পাপ নিয়ে জগাই মাধাই-এ দিলে তুমি কোল, বাজিয়ে শ্রীখোল।। ঐ অগ্রদ্বীপে ভোগ দিল না গোবিন্দ ঘোষ, তারে বাবা ব’লে করলে আপোষ; বাগবাজারে ধমক খেয়ে সাজ্লে তামাক মদ্না হয়ে বদ্লে ফেলে ভোল, ঠাকুর বাজিয়ে শ্রীখোল।। ভালো চাও ত’ শুনিয়ো নূপুর, রাত্রি দুপুর কালে, মন্দিরে মোর নেই অধিকার এসো ঘরের চালে – আমার ভাঙা কুঁড়ের চালে। জান আমি ভীষণ গোঁয়ার, ধার ধারি না ভক্তি ধোঁয়ার ধরব যেদিন বুঝবে ইয়ে, চাঁচর কেশ মুড়িয়ে ঢাল্ব মাথায় ঘোল।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ওরে ও-চাঁদ! উদয় হ’লি কোন্ জোছনা দিতে! দেয় অনেক বেশি আলো আমার নবীর পেশানীতে।। ওরে রবি! আলোক দিস্ যত তুই দগ্ধ করিস্ তত আমার নবী স্নিগ্ধ শীতল কোটি চাঁদের মত, সে নাশ করেছে মনের আঁধার ঈষৎ হাসিতে।। ওরে আসমান! তুই সুনীল হলি জানি কেমন ক’রে আমার নবীর কালো চোখের একটুকু নীল হ’রে। ওরে তারা! তোরা জ্যোতি পেলি নবীজীর চাউনিতে।। ওরে বসরা গোলাব! অনেক বেশি খোশবু তোদের চেয়ে সেই ধূলিতে মোর নবীজী যেতেন যে পথ বেয়ে, সেই বারতা ফুলকে শোনায় বুল্বুলি সঙ্গীতে।।
রাগঃ
তালঃ
আমার কথা লুকিয়ে থাকে আমার গানের আড়ালে। সেই কথাটি জানার লাগি’ কে গো এসে দাঁড়ালে।। শূন্য মনের নাই কেহ মোর সাথি গান গেয়ে তাই কাটাই দিবারাতি, সেই হৃদয়ের গভীর বনে কে তুমি পথ হারালে।। হৃদয় নিয়ে নিদয় খেলার হয় যেখানে অভিনয়, চেও না সেই হাটের মাঝে আমার মনের পরিচয়। যে বেদনার আগুন বুকে ল’য়ে জ্বলি আমি প্রদীপ-শিখা হ’য়ে, সেই বেদনা জুড়াতে মোর কে তুমি হাত বাড়ালে।।
গীতিচিত্র: ‘অতনুর দেশ’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

[ওম্ সর্বমঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থসাধিকে। শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরী নারায়ণী নমোস্তুতে।।] জয় দুর্গা, জননী, দাও শক্তি শুদ্ধ জ্ঞান দাও, দাও প্রেম-ভক্তি, অসুর-সংহারি কবচ-অস্ত্র দাও মা, বাঁধি বাহুতে।। অর্থ-বিভব দাও, যশ দাও মাগো, প্রতি ঘরে দাও শান্তি, পরম-অমৃত দাও, দূর কর’ মৃত্যু-সম বাঁচিয়া থাকার এই ক্লান্তি। শ্রান্তিবিহীন উৎসাহ দাও কর্মে নবীন দীক্ষা দাও শক্তির ধর্মে মোদের রক্ষা কর’ বরাভয় বর্মে, চিন্ময় জ্যোতি দাও প্রতি অণুতে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কোরাস্ : চীন ও ভারতে মিলেছি আবার মোরা শত কোটি লোক। চীন ভারতের জয় হোক! ঐক্যের জয় হোক! সাম্যের জয় হোক। ধরার অর্ধ নরনারী মোরা রহি এই দুই দেশে, কেন আমাদের এত দুর্ভোগ নিত্য দৈন্য ক্লেশে। পুরুষ কন্ঠ : সহিব না আজ এই অবিচার — কোরাস্ : খুলিয়াছে আজি চোখ॥ প্রাচীন চীনের প্রাচীর মহাভারতের হিমালয় আজি এই কথা যেন কয় — মোরা সভ্যতা শিখায়েছি পৃথিবীরে-ইহা কি সত্য নয় ? হইব সর্বজয়ী আমরাই সর্বহারার দল, সুন্দর হবে শান্তি লভিবে নিপীড়িতা ধরাতল। পুরুষ কন্ঠ : আমরা আনিব অভেদ ধর্ম — কোরাস্ : নব বেদ-গাঁথা-শ্লোক॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
