ওগো প্রিয়তম তুমি চ’লে গেছ আজ

বাণী

ওগো	প্রিয়তম তুমি চ’লে গেছ আজ আমার পাওয়ার বহু দূরে।
তবু	মনের মাঝে বেণু বাজে সেই পুরানো সুরে সুরে॥
	বাজে মনের মাঝে বেণু বাজে
	প্রিয় বাজাতে যে বেণু বনের মাঝে আজো তার রেশ মনে বাজে॥
	তব কদম-মালার কেশরগুলি
	আজি ছেয়ে আছে ওগো পথের ধূলি,
	ওগো আজিকে করুণ রোদন তুলি’ বয় যমুনা ভাটি সুরে॥
	(আর উজান বয় না,)
	ওগো আজিকে আঁধার তমাল বনে, বসে আছি উদাস মনে
	ওগো তোমার দেশে চাঁদ উঠেছে আমার দেশে বাদল ঝুরে॥
	সেথা চাঁদ উঠেছে —
	ওগো শুল্কা তিথির চতুর্দশীর চাঁদ উঠেছে
	সেথা শুল্কা তিথির চতুর্দশীর চাঁদ উঠেছে
	সখি তাদের দেশে আকাশে আজ আমার দেশের চাঁদ উঠেছে।
	ওগো মোর গগনে কৃষ্ণা তিথি আমার দেশে বাদল ঝুরে॥

কে দুরন্ত বাজাও ঝড়ের ব্যাকুল বাঁশি

বাণী

কে দুরন্ত বাজাও ঝড়ের ব্যাকুল বাঁশি
আকাশ কাঁপে সে সুর শুনে সর্বনাশী।।
	বন ঢেলে দেয় উজাড় ক'রে
	ফুলের ডালা চরণ' পরে,
নীল গগনে ছুটে আসে মেঘের রাশি।।
বিপুল ঢেউয়ের নাগর-দোলায় সাগর দুলে
বান ডেকে যায় শীর্ণা নদীর কুলে কূলে
	তোমার প্রলয় মহোৎসবে
	বন্ধু ওগো, ডাকবে কবে?
ভাঙবে আমার ঘরের বাঁধন কাঁদন হাসি।।

যে আল্লার কথা শোনে

বাণী

যে আল্লার কথা শোনে তারি কথা শোনে লোকে।
আল্লার নূর যে দেখেছে পথ পায় লোক তার আলোকে।।
	যে আপনার হাত দেয় আল্লায়
	জুল্‌ফিকারের তেজ সে পায়,
যার চোখে আছে খোদার জ্যোতি রাত্রি পোহায় তারি চোখে।।
ভোগের তৃষ্ণা মিটেছে যার খোদার প্রেমের শিরনি পেয়ে,
যায় বাদ্‌শা-নবাব গোলাম হ'য়ে সেই ফকিরের কাছে যেয়ে।
আসে সেই কওমের ইমাম সেজে কওমকে পেয়েছে যে,
তারি কাছে খোদার দেওয়া শান্তি আছে দুখে-শোকে।। 

যে পেয়েছে আল্লার নাম সোনার কাঠি

বাণী

	যে পেয়েছে আল্লার নাম সোনার কাঠি,
	তার কাছে ভাই এই দুনিয়া দুধের বাটি॥
	দীন দুনিয়া দুই-ই পায় সে মজা লোটে,
	রোজা রেখে সন্ধ্যাবেলা শিরনি জোটে,
সে	সদাই বিভোর পিয়ে খোদার এশ্‌ক খাঁটি॥
সে	গৃহী তবু ঘরে তাহার মন থাকে না,
	হাঁসের মতন জলে থেকেও জল মাখে না;
তার	সবই সমান খাঁটি সোনা এঁটেল্ মাটি॥
	সবই খোদার দান ভেবে সে গ্রহণ করে,
	দুঃখ-অভাব সুখের মতই জড়িয়ে ধরে,
	ভোগ করে সে নিত্য বেহেশ্‌ত্‌ পরিপাটি॥

কাঁদিস্‌নে আর কাঁদিস্‌নে মা

বাণী

কাঁদিস্‌নে আর কাঁদিস্‌নে মা, আমি মা তোর দুঃখ ঘুচাব।
বসন-ভূষণ দেব এনে মা তোর চোখের জল মুছাব।।
	তুই হবি মা রাজ-জননী
	এনে দেব রত্ন-মণি,
রাজার আসন আন্‌ব ছিনি তোরে সেই আসনে বসাব।।

চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’ (ধ্রুবের গীত)

আজি ঈদ্ ঈদ্ ঈদ্ খুশীর ঈদ্

বাণী

	আজি ঈদ্ ঈদ্ ঈদ্ খুশীর ঈদ্ এলো ঈদ্
(যাঁর)	আসার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ।।
	শোন্ রে গাফিল, কি ব’লে তকবীর ঈদ্গাহে,
(তোর)	আমানতের হিস্‌সা সাদকা দে খোদার রাহে
	নে সাদকা দিয়ে বেহেশ্‌তে যাবার রসিদ।।
	ঈদের চাঁদের তশ্‌তরীতে জান্নাত হ’তে
	আনন্দেরি শিরনি এলো আসমানি পথে,
	সেই শিরনি নিয়ে নূতন আশায় জাগবে না উম্মিদ।।
(তোর)	পিরাহানের আতর গোলাব লাগুক রে মনে,
(আজ)	প্রেমের দাওত্ দে দুনিয়ার সকল জনে,
	দিলেন ঈদের মারফতে হজরত এই তাগিদ।।