বাণী
মাকে আমার এলাম ছেড়ে মা অভয়া, মাকে দেখো। মোর তরে মা কাঁদে যদি তুমি তাকে ভুলিয়ে রেখো।। মায়ের যে বুক শূন্য ক’রে এলাম আমি দেশান্তরে শূন্য করে সেই খালি বুক মহামায়া তুমি থেকো।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ত্রিমাত্রিক ছন্দ
ভিডিও
স্বরলিপি

মাকে আমার এলাম ছেড়ে মা অভয়া, মাকে দেখো। মোর তরে মা কাঁদে যদি তুমি তাকে ভুলিয়ে রেখো।। মায়ের যে বুক শূন্য ক’রে এলাম আমি দেশান্তরে শূন্য করে সেই খালি বুক মহামায়া তুমি থেকো।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগঃ
তালঃ ত্রিমাত্রিক ছন্দ

এলো ঐ শারদ রাতি! শেফালি-সুগন্ধে ভরিয়া পবনে, জ্বালায়ে চাঁদের বাতি।। বরষার জলধারা ত্যাজিল সে-খরবেগ ঝরঝর ঝরণে রিক্ত হইল মেঘ, শ্বেত-হংস খেলে, সারঙ্ সুরে মাতি’।। আবরণ-হীনা মেঘ ভেসে যায় বাতাসে কাহার আগমনী প্রকাশে আভাসে, কদম্ব রেণু মাখি’, এসো প্রিয় সাথি।।
রাগঃ পুরিয়া-ধানশ্রী
তালঃ কাহার্বা
আমি যদি আরব হ’তাম — মদিনারই পথ। এই পথে মোর চ’লে যেতেন নূর নবী হজরত।। পয়জার তাঁর লাগত এসে আমার কঠিন বুকে, আমি ঝর্না হয়ে গ’লে যেতাম অম্নি পরম সুখে; সেই চিহ্ন বুকে পুরে পালিয়ে যেতাম কোহ্-ই-তুরে, দিবা নিশি করতাম তাঁর কদম জিয়ারত।। মা ফাতেমা খেলতো এসে আমার ধূলি ল’য়ে আমি পড়তাম তাঁর পায়ে লুটিয়ে ফুলের রেণু হয়ে। হাসান হোসেন হেসে হেসে নাচতো আমার বক্ষে এসে চক্ষে আমার বইতো নদী পেয়ে সে নেয়ামত।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ঝর ঝর ঝরে শাওন ধারা। ভবনে এলো মোর কে পথহারা।। বিরহ রজনী একেলা যাপি সঘনে বহে ঝড় সভয়ে কাঁপি, উথলি’ উঠে ঢেউ কুটীরে নাহি কেউ — গগনে নাহি মোর চন্দ্রতারা।। নিভেছে গৃহদীপ নয়নে বারি, আঁধারে তব মুখ নাহি নেহারি। তোমার আকুল কুন্তল বাসে চেনা দিনের স্মৃতি স্মরণে আসে, আজি কি এলে মোর প্রলয়-সুন্দর — ঝলকে বিদ্যুতে আঁখি-ইশারা।।
রাগঃ রামদাসী মল্লার
তালঃ ত্রিতাল

গম্ভীর আরতি নৃত্যের ছন্দে। হে প্রভু! তোমারে প্রকৃতি বন্দে।। চন্দ্র সূর্য কত শত গ্রহ তারা তোমারে ঘিরি’ নাচে প্রেমে মাতোয়ারা, অনন্ত কাল ঘোরে ধূমকেতু উল্কা আগুন জ্বালায়ে বুকে উগ্র আনন্দে লীলায়িত সিন্ধু অবোধ১ উল্লাসে২, মেঘ হ’য়ে উড়ে যেতে চায় তব পাশে। নব নব সৃষ্টি বৃষ্টিধারার প্রায় সেই ছন্দের তালে অবিরাম ঝ’রে যায়, ধরণীর গোপন অনুরাগ ভক্তি ফুটে ওঠে নীরব পুষ্প-সুগন্ধে।।
১. প্রেম ২. ভাব উল্লাসে
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মোমের পুতুল মমীর দেশের মেয়ে নেচে যায়। বিহবল–চঞ্চল–পায়।। খর্জুর–বীথির ধারে সাহারা মরুর পারে বাজায় ঘুমুর ঝুমুর ঝুমুর মধুর ঝঙ্কারে। উড়িয়ে ওড়না ‘লু’ হাওয়ায় পরী–নটিনী নেচে যায় দুলে দুলে দূরে সুদূর।। সুর্মা–পরা আঁখি হানে আস্মানে, জ্যোৎস্না আসে নীল আকাশে তার টানে। ঢেউ তুলে নীল দরিয়ায় দিল–দরদী নেচে যায় দুলে দুলে দূরে সুদূর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ চন্দ্রানী
