বাণী
ঢালো মদিরা মধু ঢালো, (ঢালো আরো) মদ রঞ্জিত হোক পান্সে চাঁদের আলো।। সারা দিনমান গেল বিফল কাজে, জাগে হৃদয়ে আনন্দ তৃষ্ণা সাঁঝে। চাহে পরান বিধুর সুরা আর সুর — আর অনুরাগ রাঙা দু’টি নয়ন কালো।।
নাটক : ‘দেবী দুর্গা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ঢালো মদিরা মধু ঢালো, (ঢালো আরো) মদ রঞ্জিত হোক পান্সে চাঁদের আলো।। সারা দিনমান গেল বিফল কাজে, জাগে হৃদয়ে আনন্দ তৃষ্ণা সাঁঝে। চাহে পরান বিধুর সুরা আর সুর — আর অনুরাগ রাঙা দু’টি নয়ন কালো।।
নাটক : ‘দেবী দুর্গা’
রাগঃ
তালঃ
তোমার কালো রূপে যাক না ডুবে সকল কালো মম, হে কৃষ্ণ প্রিয়তম! নীল সাগর-জলে হারিয়ে যাওয়া নদীর জলের সম। কৃষ্ণ নয়ন-তারায় যেমন আলোকিত হেরি ভুবন, তেমনি কালো রূপের জ্যোতি দেখাও নিরুপম।। যাক মিশে আমার পাপ-গোধূলি তোমার নীলাকাশে, মোর কামনা যাক ধুয়ে তোমার রূপের শ্রাবন মাসে। তোমায় আমায় মিলন থাকুক (যেমন) নীল সলিলে সুনীল শালুক তুমি জড়িয়ে থাকো (গো) আমার হিয়ায় গানের সুরের সম।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ইয়া মোহাম্মদ, বেহেশেত্ হতে খোদায় পাওয়ার পথ দেখাও এই দুনিয়ার দুঃখ থেকে এবার আমায় নাজাত দাও।। পীর মুর্শীদ পাইনি আমি, তাই তোমায় ডাকি দিবস-যামী, তোমারই নাম হউক হজরত আমার পরপারের নাও।। অর্থ-বিভব-যশ-সম্মান চেয়ে চেয়ে নিশিদিন দুঃখে শোকে জ্ব’লে মরি পরান কাঁদে শ্রান্তিহীন। আল্লা ছাড়া ত্রিভুবনে, শান্তি পাওয়া যায় না মনে কোথায় পাব সে আবহায়াত ইয়া নবীজী রাহ্ বাতাও।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

এসো এসো রস-লোক বিহারী এসো মধুকর-দল। এসো নভোচারী — স্বপন-কুমার এসো ধ্যান-নিরমল।। এসো হে মরাল কমল-বিলাসী, বুলবুল পিক সুর-লোক-বাসী, এসো হে স্রষ্টা এসো অ-বিনাশী এসো জ্ঞান-প্রোজ্জ্বল।। দীওয়ানা প্রেমিক এসো মুসাফির — ধূলি-ম্লান তবু উন্নত শির, আমরা-অমৃত-জয়ী এসো বীর আনন্দ বিহ্বল।। মাতাল মানব করি’ মাতামাতি দশ হাতে যবে লুটে যশ খ্যাতি, তোমরা সৃজিলে নব দেশ জাতি অগোচর অচপল।। খেল চির-ভোলা শত ব্যথা স’য়ে সংঘাত ওঠে সঙ্গীত হ’য়ে, শত বেদনার শতদল ল’য়ে লীলা তব অবিরল।। ভুলি’ অবহেলা অভাব বিষাদ ধরণীতে আনো স্বর্গের স্বাদ, লভি’ তোমাদের পুণ্য প্রসাদ পেনু তীর্থের ফল।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ একতাল
নিশীথ হয়ে আসে ভোর, বিদায় দেহ প্রিয় মোর। রজনী-গন্ধ্যার বনে হের গুঞ্জরিছে ভ্রমর।। হের ঐ তন্দ্রা ঢুলু ঢুল্, জড়ায়ে হাতে এলোচুল। বধূ যায় সিনান-ঘাটে পথে লুটায় বসন-আকুল।। খোল খোল বাহুর মালা, মোছ মোছ প্রিয়া আঁখি, শোন্ কুঞ্জ-দ্বারে তব কুহু মুহু মুহু ওঠে ডাকি’। হের লো, শিয়রে তব প্রদীপ হয়ে এলো ম্লান, দাঁড়াল রাঙা ঊষা ঐ রঙের সাগরে করি’ স্নান। আকাশ-অলিন্দে কাঁদে পাণ্ডুর-কপোল শশী, শুকতারা নিবু-নিবু ঐ, মলয়া উঠে উছসি,। কাঁদে রাতের আঁধার মোর বুকে মুখ রাখি’।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
সখি গো বৃথা প্রবোধ দিস্নে ললিতে কোন্ প্রাণে তুই বলতে পারিলি মোর শ্রীকৃষ্ণে ভুলিতে।। সেই নন্দপুরের চন্দ্র বিহনে নাহি আনন্দ মোর। তারে না হেরিলে তিলেকের তরে বাঁচে না চিত-চকোর।। বলে দে বলে দে কোথা আমার প্রাণসখা ভাসি আমি আঁখি-নীরে কেঁদে কেঁদে অন্ধ হলাম ভাসি আমি আঁখি-নীরে। সখি, এই তো আমার সাধনা আমার মত জগত কাঁদুক, এই তো আমার কামনা।। কাঁদতে হবে — যে হরিরে মোর হরিবে, তায় রাধার মত কাঁদতে হবে। সে কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে চিরজীবন কাঁদবে ভবে। সখি কাঁদলে তারে যায় না পাওয়া তাহলে সখি আমি পেতাম যদি কাঁদলে তারে পাওয়া যেত যশোমতী তারে হারাত না। সে যে প্রেমের চির-কাঙাল প্রেম বিনে তায় যায় না পাওয়া।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)
