বাণী
ওগো ঠাকুর! বলতে পার কোথায় তোমার দেশ। সেই দেশেতে যাব আমি করবো দুখের শেষ।। কাঁদবো তোমার পায়ে ধ’রে আমার বাবা-মায়ের তরে, দেখতে নারি ঠাকুর, তাদের আর এ দীন বেশ।।
নাটকঃ ‘নরমেধ’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
স্বরলিপি

ওগো ঠাকুর! বলতে পার কোথায় তোমার দেশ। সেই দেশেতে যাব আমি করবো দুখের শেষ।। কাঁদবো তোমার পায়ে ধ’রে আমার বাবা-মায়ের তরে, দেখতে নারি ঠাকুর, তাদের আর এ দীন বেশ।।
নাটকঃ ‘নরমেধ’
রাগঃ
তালঃ

নাম-হারা ঐ গাঙের পারে বনের-কিনারে বেতস-বেণুর বনে কে ঐ বাজায় বীণা রে।। লতায় পাতায় সুনীল রাগে সে-সুর সোহাগ-পুলক লাগে, সে সুর ঘুমায় দিগঙ্গনার শয়ন-লীলা রে। আমি কাঁদি, এ সুর আমার চির-চেনা রে।। ফাগুন মাঠে শিস দিয়ে যায় উদাসী তার সুর, শিউরে ওঠে আমের মুকুল ব্যথায় ভারাতুর। সে সুর কাঁপে উতল হাওয়ায়, কিশলয়ের কচি চাওয়ায়, সে চায় ইশারায় অস্তাচলের প্রাসাদ-মিনারে। আমি কাঁদি, এই ত আমার চির-চেনা রে।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ কাওয়ালি
ঘন দেয়া গরজায় গো — কেঁদে ফেরে পূবালী বায়।। একা ঘরে মম ডর লাগে, কার বিধুর স্মৃতি মনে জাগে, বারি ধারে কাঁদে চারিধার, সে কোথায় আজি সে কোথায়।। গগনে বরষে বারি, তৃষ্ণা গেল না তবু আমারি, কোন্ দূর দেশে প্রিয়তম এ বিধুর বরষায়।।
রাগঃ মিশ্র মল্লার
তালঃ কাহার্বা

ওরে ও-চাঁদ! উদয় হ’লি কোন্ জোছনা দিতে! দেয় অনেক বেশি আলো আমার নবীর পেশানীতে।। ওরে রবি! আলোক দিস্ যত তুই দগ্ধ করিস্ তত আমার নবী স্নিগ্ধ শীতল কোটি চাঁদের মত, সে নাশ করেছে মনের আঁধার ঈষৎ হাসিতে।। ওরে আসমান! তুই সুনীল হলি জানি কেমন ক’রে আমার নবীর কালো চোখের একটুকু নীল হ’রে। ওরে তারা! তোরা জ্যোতি পেলি নবীজীর চাউনিতে।। ওরে বসরা গোলাব! অনেক বেশি খোশবু তোদের চেয়ে সেই ধূলিতে মোর নবীজী যেতেন যে পথ বেয়ে, সেই বারতা ফুলকে শোনায় বুল্বুলি সঙ্গীতে।।
রাগঃ
তালঃ
নয়নে তোমার ভীরু মাধুরীর মায়া বন-মৃগী সম উঠিছ চমকি' হেরিয়া আপন ছায়া।। প্রাতে ঊষার প্রায় রেঙে ওঠো লজ্জায়, এলায়িত লতিকায় ভঙ্গুর তব কায়া।। দৃষ্টিতে তব আরতি-দীপের দ্যুতি তুমি নিবেদিতা সন্ধ্যা-পূজা-আরতি। ভূমি অবলুণ্ঠিতা বনলতা কুণ্ঠিতা কোলাহল-শঙ্কিতা যেন গো তাপস-জায়া।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওকি ঈদের চাঁদ গো! চলে মদিনারই পথে গো! যেন হাসিন্ য়ুসোফ্ ফিরে এলো ফিরদৌস হতে গো।। যাহারা তার রূপ দেখে তারা ঝুরিছে আস্মানে গুল্ ভুলে তাই বুল্বুলি চেয়ে আছে গুলিস্তানে। বুঝি বেহেশ্তেরই বাদশাজাদা এলো সোনার রথে গো।। সাদা কবুতরের মত চরণ দুটি ছুঁয়ে, গোলাপ চাঁপা উঠছে ফুটে ধূলিমাখা ভুঁয়ে গো। সেই চাঁদের মুখে জোছনা সম খোদার কালাম ঝরে তা’র রূপ দেখে, তা’র গুণ শুনে মোর মন রহে না ঘরে লো, আমি উন্মাদিনী সেই মাদানী নবীর মোহব্বতে গো।।
রাগঃ
তালঃ