চৌরঙ্গী চৌরঙ্গী চৌরঙ্গী চৌরঙ্গী

বাণী

চৌরঙ্গী চৌরঙ্গী চৌরঙ্গী চৌরঙ্গী 
চারদিকে রঙ ছড়িয়ে বেড়ায় রঙ্গিলা কুরঙ্গী॥
যে সকলের মন মাতায় কলকাতার চৌমাথায়
ওপারে যে ফিল্মের ঝিল্‌মিল্‌ আলোর দেয়ালি।
এপারে যে পথের ভিখারিনী চোখের বালি।
গোরা কালো সাহেব মেমে মন্দ ভালো বি.এ. এম.এ.
				সবাই তাহার সঙ্গী।
যে দক্ষিণ হাত তুলি দক্ষিণা চায়
আলো দেয় রবি শশী, ফুল দেয় দখিনা বায়।
			ওকি গোলাপ ফুল নারঙ্গি।
নুয়ে প’ড়ে আকাশ দেখে তাহার নাচের ভঙ্গী॥

সিনেমাঃ ‘চৌরঙ্গী’

সোনার চাঁপা ভাসিয়ে দিয়ে গহীন সাগর-জলে

বাণী

সোনার চাঁপা ভাসিয়ে দিয়ে গহীন সাগর-জলে
দূরে ব’সে কাঁদে কে রে কাঁদে আয় ফিরে আয় ব’লে।।
		কার আঁচলের মানিক ওরে
		অকূল স্রোতে পড়লি ঝরে রে
কোন্ মায়ের কোল্ খালি ক’রে এলি রে তুই চ’লে।।

নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’

আমি দ্বার খুলে আর রাখব না

বাণী

আমি দ্বার খুলে আর রাখব না, পালিয়ে যাবে গো।
জানবে সবে গো, নাম ধরে আর ডাকব না।।
	এবার পূজার প্রদীপ হয়ে
	জ্বলবে আমার দেবালয়ে,
জ্বালিয়ে যাবে গো — আর আঁচল দিয়ে ঢাকব না।।
হার মেনেছি গো, হার দিয়ে আর বাঁধব না।
দান এনেছি গো, প্রাণ চেয়ে আর কাঁদব না।
	পাষাণ, তোমায় বন্দী ক’রে
	রাখব আমার ঠাকুর ঘরে,
রইব কাছে গো — আর অন্তরালে থাকব না।।

যতদিন রবে প্রাণের প্রদীপে

বাণী

যতদিন রবে প্রাণের প্রদীপে প্রেমের শিখাটি জ্বালা।
ফুরাবে না, প্রিয় ফুরাবে না তোমারে পাওয়ার আশা।।
চামেলির মত ঝুরিব জনম জনম,
না ফুরাবে কভু, তোমারে ঘেরিয়া সুখ-কল্পনা মম।
শত তরঙ্গে সাগর-বক্ষে ঝলকি’ উঠিবে তুমি,
সাগর-নীলে এলায়ে নিজেরে তোমার স্মৃতিরে চুমি।
তোমারি তরে, শুধু তোমারি তরে এই যাওয়া-আসা।।
যদি কোনোদিন সাধ জাগে তব মনে
মোর লাগি’, প্রিয়, ঝুরিও পুবালি পবনে,
বাদল-বরিষে আমি আছি জেন লাগি’ তব ভালোবাসা।।

আয় সবে ভাই বোন

বাণী

আয় সবে ভাই বোন
আয় সবে আয় শোন্ 
	পদধূলি শিরে লয়ে মা’র।
মা’র বড় কেহ নাই
কেহ নাই, কেহ নাই,
	নত করি’ বল সবে — ‘মা আমার! মা আমার!’

রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘মাতৃস্তোত্র’

দোলে নিতি নব রূপের টেউ-পাথার

বাণী

দোলে নিতি নব রূপের টেউ-পাথার ঘনশ্যাম তোমারি নয়নে।
আমি হেরি যে নিখিল বিশ্বরূপ-সম্ভার তোমারি নয়নে॥
		তুমি পলকে ধর নাথ সংহার-বেশ
		হও পলকে করুণা-নিধান পরমেশ।
নাথ ভরা যেন বিষ অমৃতের ভান্ডার তোমার দুই নয়নে॥
		ওগো মহা-শিশু, তব খেলা-ঘরে
		একি বিরাট সৃষ্টি বিহার করে,
সংসার চক্ষে তুমিই হে নাথ, সংসার তোমারি নয়নে॥
		তুমি নিমেষে রচি নব বিশ্বছবি
		ফেল নিমেষে মুছিয়া হে মহাকবি,
করে কোটি কোটি ব্রহ্মান্ড ভুবন-সঞ্চার তোমারি নয়নে॥
		তুমি ব্যাপক ব্রহ্ম চরাচরে
		জড় জীবজন্তু নারী-নরে,
কর কমল-লোচন, তোমার রূপ বিস্তার হে আমারি নয়নে॥