আল্লা রসুল তরু আর ফুল

বাণী

আল্লা রসুল তরু আর ফুল প্রেমিক-হৃদয় জানে।
কেহবা তরুরে ভালোবাসে ভাই, কেহ ফুল ধ’রে টানে।।
কেহবা ফুলের মধু চায়, কেহ চায় সে-গাছের ছায়া
গাছের ছায়ায় জুড়াইয়া পায় গুল্ সুবাসের মায়া,
তুরু ছুঁয়ে বোঝে আল্লা রসুলে রসলীলা কোন্‌খানে।।
কোন জন চাহে গুলের খশ্‌বু, কোন জন চাহে গুল্
খশ্‌বুর সাথে ফুলেরেও চাহে প্রেমিক যে বুল্‌বুল।
জালালের সাথে জামালেও চাহে, প্রেমিক যে বুল্‌বুল।।
আল্লারে ভালোবেসে যার গেছে সকল দ্বিধা ও ভয়
রসুল তাহারে প্রেম দিয়ে কন্, আল্লা যে প্রেমময়,
তিনি যে কেবল বিচারক নন, আল্লা যে প্রেমময়,
মজনুর মত দিওয়ানা সে যে লাইলার মধুপানে।।

আজো ফোটেনি কুঞ্জে মম কুসুম

বাণী

আজো ফোটেনি কুঞ্জে মম কুসুম ভোমরাকে যেতে বল।
সখি	গুঞ্জরি ফেরে কেন কুঞ্জে বৃথাই এত ছল।।
	কত কি শুনিয়ে যায়, গুনগুনিয়ে হায়-
	পাতার ঝরকায়, ঘোরে সে অবিরল।।
আমার প্রাণের ভেতর কেন উঠায় সে ঝড়
তারে	ফেরালে ফেরে না হাসে কেবল,
সে	ফিরিয়া গেলে চোখে আসে জল।
	একি হল দায়, আঁখি নাহি চায়
	না দেখিলে তায়, প্রাণ পাগল।।

ঝিলের জলে কে ভাসালো নীল শালুকের ভেলা

বাণী

ঝিলের জলে কে ভাসালো নীল শালুকের ভেলা
		মেঘলা সকাল বেলা।
বেণু বনে কে খেলে রে পাতা ঝরার খেলা।
		মেঘলা সকাল বেলা।।
	কাজল বরণ পল্লী মেয়ে
	বৃষ্টি ধারায় বেড়ায় নেয়ে,
ব'সে দিঘীর ধারে মেঘের পানে রয় চেয়ে একেলা।।
দুলিয়ে কেয়া ফুলের বেনী শাপলা মালা প'রে
খেলতে এলো মেঘ পরীরা ঘুমতী নদীর চরে।
বিজলিতে কে দূর বিমানে, সোনার চুড়ির ঝিলিক হানে,
বনে বনে কে বসালো যুঁই-চামেলির মেলা।।

মেরে শ্রীকৃষ্ণ ধরম শ্রীকৃষ্ণ করম

বাণী

মেরে শ্রীকৃষ্ণ ধরম শ্রীকৃষ্ণ করম শ্রীকৃষ্ণহি তন-মন-প্রাণ।
সব্‌সে নিয়ারে পিয়ারে শ্রীকৃষ্ণজী নয়নুঁকে তারে সমান॥
দুখ সুখ সব শ্রীকৃষ্ণ মাধব কৃষ্ণহি আত্মা জ্ঞান
কৃষ্ণ কণ্ঠহার আঁখকে কাজর কৃষ্ণ হৃদয়মে ধ্যান
শ্রীকৃষ্ণ ভাষা শ্রীকৃষ্ণ আশা মিটায়ে পিয়াস উয়ো নাম (মেরে)
স্বামী-সখা-পিতা-মাতা শ্রীকৃষ্ণজী ভ্রাতা-বন্ধু-সন্তান॥

পাপিয়া আজ কেন ডাকে সখি

বাণী

পাপিয়া আজ কেন ডাকে সখি, পিয়া পিয়া।
শুনি’, পিয়া পিয়া বোল্‌ ঝুরিছে আমার হিয়া।।
এমনি মধুরাতি, ছিল সে মোর সাথি,
সেদিন পাপিয়া এমনি উঠিত ডাকিয়া
সে কি আজ এলো তবে, চাঁদের মত নীরবে
হাসির জোছনাতে তার দশদিশি রাঙাইয়া।।

নাটকঃ ‘সর্বহারা’

তরুণ-তমাল-বরণ এসো

বাণী

তরুণ-তমাল-বরণ এসো শ্যামল আমার।
ঘন শ্যাম তুলি বুলায়ে মেঘ-দলে এসো দুলায়ে আঁধার।।
কাঁদে নিশীথিনী তিমির কুন্তলা
আমারি মত সে উতলা,
এসো তরুণ দুরন্ত ভাঙি’ হৃদয় দুয়ার।।
তপ্ত গগনে ঘনায়ে ঘন দেয়া
ফুটায়ে কদম কেয়া,
আমার নয়ন-যমুনায় এসো জাগায়ে জোয়ার।।