মধুর নূপুর রুমুঝুমু বাজে

বাণী

মধুর নূপুর রুমুঝুমু বাজে।
কে এলে মনোহর নটবর-সাজে।।
নিশীথের ফুল ঝরে রাঙা পায়ে
মাধবী রাতের চাঁদ এলে কি লুকায়ে,
'পিয়া পিয়া' ব'লে পাখি ডাকে বন-মাঝে।।

রঙ্গিলা আপনি রাধা

বাণী

রঙ্গিলা আপনি রাধা তারে হোরির রঙ দিও না
ফাগুনের রাণীরে শ্যাম আর ফাগে রাঙিয়ো না।।
	রাঙা আবির রাঙ্গা ঠোঁটে
	গালে ফাগের লালী ফোটে
রঙ সায়রে নেয়ে উঠে অঙ্গে ঝরে রঙের সোনা।।
	অনুরাগ –রাঙা মনে
	রঙের খেলা ক্ষণে ক্ষণে
অন্তরে যার রঙের লীলা তারে বাহিরে রঙ লাগিয়ো না।।

এ কোথায় আসিলে হায়

বাণী

এ কোথায় আসিলে হায়, তৃষিত ভিখারি।
হায়, পথ-ভোলা পথিক, হায়, মৃগ মরুচারী।।
	মোর ব্যথায় চরণ ফেলে
	চির-দেবতা কি এলে,
হায়, শুকায়েছে যবে মোর নয়নে নয়ন-বারি।।
তোমার আসার পথে প্রিয় ছিলাম যবে পরান পাতি’,
সেদিন যদি আসিতে নাথ হইতে ব্যথার ব্যথী।
ধোওয়ায়ে নয়ন-জলে পা মুছাতাম আকুল কেশে
আজ কেন দিন-শেষে এলে নাথ মলিন বেশে!
হায়, বুকে ল’য়ে ব্যথা আসিলে ব্যথা-হারী।।
স্মৃতির যে শুকানো মালা যতনে রেখেছি তুলি’
ছুঁয়ে সে হার ঝরায়ো না ম্লান তার কুসুমগুলি,
হায়, জ্বলুক বুকে চিতা, তা’য় ঢেলো না আর বারি।।

ডাল মেল পত্র মেল ওরে তরুলতা

বাণী

ডাল মেল, পত্র মেল, ওরে তরুলতা!
কইতে পার, কইতে পার আমার প্রাণের বন্ধু গেল কোথা (রে)।।
	ও তরু, তোর পাতার কোলে
	ফোটা ফুলের হাসি দোলে (রে)।
সে কি তোর কুসুমের মালা গলে বসেছিল হোথা (রে)।।
	তোর ফুল ঝরে যে যথা
	তোর ছায়া থাকে যথা।
ঢেউ-এর মালা গলায় পরে নাচিস নদী জল,
তরী বেয়ে বন্ধু আমার কোথায় গেল বল।
	চাঁদের তিলক প’রে আকাশ
	হেসে হেসে কেন তাকাস্?
তোর চাঁদ কি জানে, মোর আকাশের চাঁদেরই বারতা।।

ফিরি ক’রে ফিরি আমি আল্লাহ্ নবীর নাম

বাণী

	ফিরি ক’রে ফিরি আমি আল্লাহ্ নবীর নাম।
	দেশ-বিদেশে পথে ঘাটে হাঁকি সুব্হ-শাম।।
			কলমা শাহাদতের বাণী
		যে	বারেক বলে একটুখানি,
সে	চাওয়ার অধিক দেয় আমারে মোর সওদার দাম।।
	দাম দিয়ে সব দুনিয়াদারীর দামি জিনিস চায়,
	অমূল্য এই আল্লারই নাম কেউ চাহে না হায়।
			আল্লাহ্ নামের ফেরিওয়ালায়
			ডাকে ওরা শেষের বেলায়,
ঐ	নাম দিয়ে সে আখেরে পায় বেহেশ্‌তী আরাম।।

১. দাম দিয়ে সব দুনিয়াদারীর মিটায় দেনা; / অমূল্য এই আল্লাহর নাম কেই চা’বে না?

যৌবনে যোগিনী আর কতকাল

বাণী

যৌবনে যোগিনী, আর কতকাল র’বি অভিমানিনী।
ফিরে ফিরে গেল কেঁদে মধু-যামিনী।।
ল’য়ে ফুলডালি এলো বনমালী,
জ্বালিল আকাশ তারার দীপালি,
ভাঙিল না ধ্যান মন্দির-বাসিনী।।

নাটক : ‘আলেয়া’