বাণী
অবুঝ মোর আঁখি বারি, আমি রোধিতে নারি।। গ'লেছে যে-নদী জল, কে তারে রোধিবে বল, পাষাণের সে নারায়ণ তবু সে আমারি।।
রাগ ও তাল
রাগঃ তিলক কামোদ
তালঃ
অবুঝ মোর আঁখি বারি, আমি রোধিতে নারি।। গ'লেছে যে-নদী জল, কে তারে রোধিবে বল, পাষাণের সে নারায়ণ তবু সে আমারি।।
রাগঃ তিলক কামোদ
তালঃ
ওমা নির্গুণেরে প্রসাদ দিতে তোর মত কেউ নাই। তোর পায়ে মা তাই রক্তজবা গায়ে শ্মশান-ছাই।। দৈত্য-অসুর হনন ছলে ঠাঁই দিস্ তুই চরণ তলে, আমি তামসিকের দলে মা গো তাই নিয়েছি ঠাঁই।। কালো ব’লে গৌরী তোরে কে দিয়েছে গালি, (ওমা) ত্রিভুবনের পাপ নিয়ে তোর অঙ্গ হ’ল কালি। অপরাধ না করলে শ্যামা ক্ষমা যে তোর পেতাম না মা, (আমি) পাপী ব’লে আশা রাখি চরণ যদি পাই।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

যেয়ো না যেয়ো না মদিনা-দুলাল হয়নি যাবার বেলা। সংসার-পাথারে, আজো দোলে পাপের ভেলা।। মেটেনি তোমায় দেখার পিয়াসা মেটেনি কদম জিয়ারত আশা হযরত, এই জমেছে প্রথম দীন-ই-ইসলাম মেলা।। ছড়ায়ে পড়েনি তোমার কালাম আজিও সকল দেশে, ফিরিয়া আসেনি সিপাহীরা তব আজও বিজয়ীর বেশে। দিনের বাদশা চাও ফিরে চাও শোক-দুর্দিনে বেদনা ভোলাও গুনাহ্গার এই উম্মতে তব হানিও না অবহেলা।।
বৈতালিক
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

কেন হেরিলাম নব ঘনশ্যাম কালারে কাল্ কালিন্দী-কূলে। (সে যে) বাঁশরির তানে সকরুণ গানে ডাকিল প্রেম-কদম্ব মূলে।। কেন কলস ভরিতে গেনু যমুনা-তীরে, মোর কলস সাথে গেল ভাসি, লাজ-কূল-মান আকুল নীরে। কলসির জল মোর নয়নে ভরিয়া সই আসিনু ফিরে।। সখি হে তোদের সে রাই নাই, গোকুলের রাই গোকুলে নাই। সে যে হারাইয়া গেছে শ্যামের রূপে লো নবীন নীরদে বিজলি প্রায়। সে রবি-শশী সম ডুবিয়া গেছে লো সুনীল রূপের গগন-গায়।। হরি-চন্দন-পঙ্কে লো সখি শীতল ক’রে দে জ্বালা, দুলায়ে দে গলে বল্লভ-রূপী শ্যাম পল্লব মালা। নীল কমল আর অপরাজিতার, শেজ্ পেতে দে লো কোমর বিথার পেতে দে শয্যা পেতে দে, নীল শয্যা পেতে দে পেতে দে! পরাইয়া দে লো সখি অঙ্গে নীলাম্বরী, জড়াইয়া কালো বরণ আমি যেন মরি।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

চাঁদের মত নীরবে এসো প্রিয় নিশীথ রাতে। ঘুম হয়ে পরশ দিও হে প্রিয়, নয়ন-পাতে।। তব তবে বাহির-দুয়ার মম খুলিবে না এ-জনমে প্রিয়তম, মনের দুয়ার খুলি’ গোপনে এসো বিজড়িত রহিও স্মৃতির সাথে।। কুসুম-সুরভি হ’য়ে এসো নিশি-পবনে, রাতের পাপিয়া হয়ে পিয়া পিয়া ডাকিও বব-ভবনে। আঁখি-জল হয়ে আঁখিতে আসিও বেণুকার সুর হয়ে শ্রবণে ভাসিও, বিরহ হ’য়ে এসো হে চির-বিরহী আমার অন্তর-বেদনাতে।।
গীতিচিত্রঃ ‘অতনুর দেশ’
রাগঃ
তালঃ
শিল্পীঃ কাজী বেলাল
মৃত্যু-আহত দয়িতের তব শোনো করুণ মিনতি। অমৃতময়ী মৃত্যুঞ্জয়ী হে সাবিত্রী সতী।। ঘন অরণ্যে বাজে মোর স্বর মোরি রোদনে উঠিয়াছে ঝড়, সাঁঝের চিতায় ঐ নিভে যায়, মম নয়নের জ্যোতি হে সাবিত্রী সতী! যুগে যুগে তুমি বাঁচায়েছ মোরে মৃত্যুর হাত হতে দেবী সাবিত্রী সতী! মোরি হাত ধ’রে রাজপুরী ছেড়ে চলেছ বনের পথে বিধবা অশ্রুমতী! জীবনের তৃষা মেটেনি আমার তুমি এসে মোরে বাঁচাও আবার, মৃত্যু তোমারে করিবে প্রণাম, ধরার অরুন্ধতি হে সাবিত্রী সতী!
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
