এসেছে রে অধর্মের আজ

বাণী

এসেছে রে অধর্মের আজ শেষ বিচারের দিন।
	কাপুরুষ মোরা মোদেরি দোষে
	অধর্ম আজ রক্ত শোষে,
আজ সে ক্ষুদ্রে রুদ্র রোষে — করব চরণ-লীন।।

এলো ঈদল-ফেতর এলো

বাণী

	এলো ঈদল-ফেতর এলো ঈদ ঈদ ঈদ।
	সারা বছর যে ঈদের আশায় ছিল নাক’ নিদ।।
	রোজা রাখার ফল ফ’লেছে দেখ রে ঈদের চাঁদ,
	সেহরী খেয়ে কাটল রোজা, আজ সেহেরা বাঁধ,
			ওরে বাঁধ আমামা বাঁধ।
	প্রেমাশ্রুতে ওজু ক’রে চল্ ঈদগাহ মসজিদ।।
(আজ)	ছিটায় মনের গোলাব-পাশে খুশির গোলাব-পানি
(আজ)	খোদার ইস্কের খুশবু-ভরা প্রাণের আতরদানি,
	ভরল হৃদয়-তশ্‌তরিতে শিরনি তৌহিদ।।
(দেখ্)	হজরতের হাসির ছটা ঈদের চাঁদে জাগে
	সেই চাঁদেরই রং যেন আজ সবার বুকে লাগে,
(এই)	দুনিয়াতেই মিটল ঈদে বেহেশ্‌তী উমিদ।।

নাটিকা : ‘ঈদ’ (বিদৌরার গান)

গঙ্গার বালুতটে খেলিছে কিশোর

বাণী

গঙ্গার বালুতটে খেলিছে কিশোর গোরা।
চরণতলে চলে পুলকে বসুন্ধরা।।
	পড়িল কি রে খসি
	ভূতলে রাকা শশী
ঝরিছে অঝোর ধারায় রূপের পাগল-ঝোরা।।
শ্রীমতি ও শ্রীহরি খেলিছে এক অঙ্গে,
দেব-দেবী নর-নারী গাহে স্তব এক সঙ্গে।
	গঙ্গা জোয়ার জাগে
	তাহারি অনুরাগে,
ফিরে এলো কি নদীয়ায় ব্রজের ননী-চোরা।।

ও-তুই যাস্‌নে রাই-কিশোরী কদমতলাতে

বাণী

ও-তুই যাস্‌নে রাই-কিশোরী কদমতলাতে,
সেথা ধরবে বসন-চোরা ভূতে, পারবিনে আর পালাতে॥
	সে দেখলে কি আর রক্ষে আছে,
	ও-তোর বসন গিয়ে উঠ্‌বে গাছে,
ওলো গোবর্ধন-গিরিধারী সে — পারবিনে তায় টলাতে॥
	দেখতে পেলে ব্রজবালা,
	ঘট কেড়ে সে ঘটায় জ্বালা,
(ওলো) নিজেই গ’লে জল হ’বি তুই পারবিনে তায় গলাতে॥
	ঠেলে ফেলে অগাধ-নীরে
	সে হাসে লো দাঁড়িয়ে তীরে,
শেষে ভাসিয়ে নিয়ে প্রেম-সাগরে ওলো দোলায় নাগরদোলাতে॥

আমারে সকল ক্ষুদ্রতা হ’তে

বাণী

	আমারে সকল ক্ষুদ্রতা হ’তে বাঁচাও প্রভু উদার!
	হে প্রভু, শেখাও নীচতার চেয়ে নীচ পাপ নাহি আর।।
		যদি শতেক জন্ম-পাপে হই পাপী
		যুগ-যুগান্ত নরকেও যাপি,
	জানি জানি প্রভু, তারও আছে ক্ষমা, ক্ষমা নাই নীচতার।।
	ক্ষুদ্র করো না, হে প্রভু, আমার হৃদয়ের পরিসর,
যেন	হৃদয়ে আমার সম ঠাঁই পায় শত্রু-মিত্র-পর।
		নিন্দা না করি ঈর্ষায় কারো
		অন্যের সুখে সুখ পাই আরো,
	কাঁদি তাঁ’রি তরে অশেষ দুঃখী ক্ষুদ্র আত্মা যার।।

‘মোনাজাত’

তব যাবার বেলা ব’লে যাও

বাণী

তব যাবার বেলা ব’লে যাও মনের কথা।
কেন কহিতে এসে চলে যাও চাপিয়া ব্যথা।।
কেন এনেছিলে ফুল আঁচলে দিতে কাহারে,
কেন মলিন ধূলায় ছড়ালে সে ফুল অযথা।।
পরি’ খয়েরী শাড়ি আসিলে সাঁঝের আঁধারে,
ওকি ভুল সবই ভুল, নয়নের ও-বিহ্বলতা।।
তুমি পুতুল ল’য়ে খেলেছ বালিকা-বেলা,
বুঝি আমারে ল’য়ে তেমনি খেলিলে খেলা।
তব নয়নের জল সে কি ছল, জানাইয়া যাও,
এই ভুল ভেঙ্গে দাও সহে না এ নীরবতা।।

১. পিলু-সিন্ধু — কাহার্‌বা ২. যাও