বাণী
ঘোর ঘন ঘটা ছাইল গগন ভুবন গভীর বিষাদ মগন।। নাহি রবি শশী নাহি গ্রহ তারা নিখিল নয়নে শ্রাবণের ধারা সৃষ্টি ডুবালো গো’ স্রোতের প্লাবন।।
নাটক: সাবিত্রী
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

ঘোর ঘন ঘটা ছাইল গগন ভুবন গভীর বিষাদ মগন।। নাহি রবি শশী নাহি গ্রহ তারা নিখিল নয়নে শ্রাবণের ধারা সৃষ্টি ডুবালো গো’ স্রোতের প্লাবন।।
নাটক: সাবিত্রী
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল

বক্ষে আমার কাবার ছবি চক্ষে মোহাম্মদ রসুল। শিরোপরি মোর খোদার আরশ গাই তাঁরি গান পথ বেভুল।। লায়লী প্রেমে মজনু পাগল আমি পাগল লা-ইলা’র, প্রেমিক দরবেশ আমায় চেনে অরসিকে কয় বাতুল।। হৃদয়ে মোর খুশির বাগান বুলবুলি তায় গায় সদাই, ওরা খোদার রহম মাগে আমি খোদার ইশ্ক্ চাই। আমার মনের মস্জিদে দেয় আজান হাজার মোয়াজ্জিন প্রাণের ‘লওহে’ কোরান লেখা রুহ্ পড়ে তা রাত্রি দিন। খাতুনে জিন্নত মা আমার হাসান হোসেন চোখের জেল, ভয় করি না রোজ-কেয়ামত পুল সিরাতের কঠিন পুল।।
রাগঃ বাগেশ্রী সিন্ধু
তালঃ কাহার্বা

‘কালী কালী’ মন্ত্র জপি ব’সে শোকের ঘোর শ্মশানে। মা অভয়ার নাম গুণে শান্তি যদি পাই এ প্রাণে।। এই শ্মশানে ঘুমিয়ে আছে যে ছিল মোর বুকের কাছে, সে হয়ত আবার উঠবে জেগে মা ভবানীর নাম-গানে।। সকল সুখ শান্তি আমার নিল হ’রে যে-পাষাণী, শূন্য বুকে বন্দী ক’রে রাখব আমি তারেই আনি’। মোর, যাহা প্রিয় মাকে দিয়ে জাগি আশার দীপ১ জ্বালিয়ে, মা’র সেই চরণের নিলাম শরণ, যে-চরণে মা আঘাত হানে।।২
১. বুকে চিতা, ২. যে চরণে প্রলয় আনে
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চ্যল চ্যল চ্যল ন্যওয্যওয়ান চ্যল্। ফ্যত্হেকি হো ফৌজ তুম্ ব্যহর্ কি হো মৌজ তুম্ ব্যখত্কে হো অওজ তুম্ তুম্মে হ্যায় জোর ব্যল্।। চাক হ্যায় শ্যব কি ন্যকাব ছোড় দো গ্যফল্যত কা খবাব, নিকলা ওহ লো আফতাব — তুম্ভি হো গ্যরমে অ্যস্যল।। ফ্যয়লনে কো বেকরার সুরতে নূর অ্যওর নার, জ্যল জ্যলা আফজা পুকার — জলমকি ব্যনফ্যর অ্যম্যল।। চ্যল মচাকে শোর সাফে দুশম্যন কো তোড় ফোড় উঠ খ্যড়ে হো সুব্ আজাঁ গ্যফিলিয়ত্ কো ছোড়, হিম্মত না হারানা আযায়ে গ্যর অ্যয্যল।।
রাগঃ
তালঃ
হায় ঝ’রে যায় মোর আশা-কুসুম বারে বারে। ফিরে যায় কেঁদে বসন্ত কুঞ্জ-দুয়ারে।। বহিল বৈশাখী ঝড়, ঝরিয়া গেল বনফুল, বিঁধিছে কণ্টক স্মৃতির, উড়িয়া গেল গো বুল্বুল্। যেন কার ব্যথিত নিশ্বাস শ্বসিয়া ফিরিছে হেথা, দলিত রাঙা গোলাপে জাগিছে তাহারি ব্যথা। মুরছায় দশ দিশি যেন ব্যথা-ভারে।। ছিল যথায় রাঙা ফুল-মেলা আজি পাতা ঝরার সেথা খেলা, অবেলায় বাজে বিদায়-বাঁশি বন-পারে।।
রাগঃ পাহাড়ি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
ছেড়ে দাও মোরে আর হাত ধরিও না প্রেম যারে দিতে পারিলে না তারে আর কৃপা করিও না।। আমি করুনা চাহিনি কভু কারো কাছে বহু লোক পারে, তব কৃপা যারা যাচে যারে হৃদয়ে দিলে না ঠাঁই তার তরে কাদিঁও আখিঁজল ঝুরিও না।। ভুল করেছিনু যেথা শুধু বিষ অসুন্দরের ভিড়, সেই পৃথিবীতে কেঁদেছি খুজিঁয়া প্রেম-যমুনার তীর। যার তরণী ভাসিল বিরহের পারাবারে পিছু ডেকে আর ফিরাতে চেয়ো না তারে আমারে পাষাণ-বিগ্রহ ক'রে আর মালা পরিও না।।
রাগঃ হর্ষ কানাড়া
তালঃ ত্রিতাল/দাদরা
