বাণী
কে গো গানে গানে হিয়া ভরালে। নিরাশা ভুলায়ে আশা ধরালে।। বল বল মোরে কেন এমন ক’রে পলকে পুলকে আঁখি ঝরালে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
কে গো গানে গানে হিয়া ভরালে। নিরাশা ভুলায়ে আশা ধরালে।। বল বল মোরে কেন এমন ক’রে পলকে পুলকে আঁখি ঝরালে।।
রাগঃ
তালঃ
রঙ্গিলা আপনি রাধা তারে হোরির রঙ দিও না ফাগুনের রাণীরে শ্যাম আর ফাগে রাঙিয়ো না।। রাঙা আবির রাঙ্গা ঠোঁটে গালে ফাগের লালী ফোটে রঙ সায়রে নেয়ে উঠে অঙ্গে ঝরে রঙের সোনা।। অনুরাগ –রাঙা মনে রঙের খেলা ক্ষণে ক্ষণে অন্তরে যার রঙের লীলা তারে বাহিরে রঙ লাগিয়ো না।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

ওগো দু’পেয়ে জীব ছিল গদাই (গদাইচন্দ্র) বিবাহ না করে, কুক্ষণে তার বিয়ে দিয়ে দিল সবাই ধ’রে॥ আইবুড়ো সে ছিল যখন, মনের সুখে উড়ত হাল্কা দু’খান পা দিয়ে সে (গদাই) নাচ্ত, কুঁদ্ত ছুঁড়ত॥ ওগো বিয়ে করে গদাই দেখলে সে আর উড়তে নারে, ভারি ঠেকে সদাই। তার এ্যাডিশনাল দু’খানা ঠ্যাং বেড়ায় পিছে ন’ড়ে॥ গদাই-এর পা দু’খানা মোটা, আর তার বৌ-এর পা দু’খানা সরু, ছোট বড় চারখানা ঠ্যাং ঠিক যেন ক্যাঙারু গদাই (দেখতে) ঠিক যেন ক্যাঙ্গারু। আপিসে পদ বৃদ্ধি হয় না (গদাইচন্দ্রের), কিন্তু ঘরে ফি-বছরে, পা বেড়ে যায় গড়পড়তায় দু’চারখান ক’রে। তার বৌ শোনে না মানা — তিনি হন্যে হয়ে কন্যে আনেন মা, ষষ্টির ছানা মানুষ থেকে চার পেয়ে জীব, শেষ ছ’পেয়ে মাছি, তারপর আটপেয়ে পিঁপড়ে, বাবা গদাই বলে, একেবারে গেছি আর বলে, ও বাবা বিয়ে করে মানুষ এই কেলেঙ্কারীর তরে (বাবা)॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বকুল বনের পাখি ডাকিয়া আর ভেঙ্গো না ঘুম বকুল বাগানে মম, ফুরায়েছে ফুলের মরশুম॥ ওগো, প্রিয় মোর দূর বিদেশে কারে আর ডাকিছ পাখি খুলিয়া পড়িছে হাতের, মলিন মালতী রাখি। নিভিয়া গিয়াছে প্রদীপ রেখে গেছে স্মৃতির ধূম॥ ষোড়শী বাসন্তিকার রঙ দেহে মোর হয়েছে ম্লান। খেলার সাথী পরদেশে, কারে দিই এ প্রীতির কুম্কুম্॥
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

বুনো পাখি, বুনো পাখি চোখে তোর নেই কেন ঘুম। ঘুমায় তেপান্তর আকাশ সাগর বন নিঝ্ঝুম।। জোছনা-আঁচল জড়াইয়া গায় শ্রান্ত ধরণী অঘোর ঘুমায়, ঘুমায় ভ্রমর লতার কোলে মাখিয়া পরাগ-কুম্কুম্।। আমিও জাগি তোরই মত পাখি বিরহ-শয়নে ভবনে একাকী, হুতাশ পবনে ছড়ায় সুরভি বিফল মালার কুসুম।।
রাগঃ
তালঃ
যে নামে মা ডেকেছিল সুরথ আর শ্রীমন্ত তোরে। সেই নাম তুই শিখিয়ে দে মা, ডাকব আমি তেমনি ক’রে।। বেদ-পুরাণে যে নাম শুনি যে নাম জপে ঋষি-মুনি সেই নাম দে, যে নাম নিতে বক্ষ ভাসে অশ্রু-নীরে।। ভয় যদি তোর ভক্তি দিতে, কর মা অসুর দানব মোরে আসবি যখন শাস্তি দিতে, দেখব তোরে নয়ন ভরে।। তোর হাতে মা মরণ হলে ঠাঁই পাব যে তোরই কোলে আঘাত করে ছেলেকে মা কাঁদে যেমন বক্ষে ধরে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
