বাণী
মধুর মধুর! আজি সকলি মধুর! মধুর মালা গলে মধুর বঁধুর।। মধুর চাঁদের পাশে মধুর রোহিণী হাসে মধুর ফুলের মুখে মধু ভরপুর।। মধুর মিলন রাতি মধুর জাগার সাথী মধুরতর হ’ল মধুরতর ওলো কাছে এসে বিধুর সুদূর।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
মধুর মধুর! আজি সকলি মধুর! মধুর মালা গলে মধুর বঁধুর।। মধুর চাঁদের পাশে মধুর রোহিণী হাসে মধুর ফুলের মুখে মধু ভরপুর।। মধুর মিলন রাতি মধুর জাগার সাথী মধুরতর হ’ল মধুরতর ওলো কাছে এসে বিধুর সুদূর।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
বউ কথা কও, বউ কথা কও, কও কথা অভিমানিনী সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে যাবে কত যামিনী।। সে কাঁদন শুনি হের নামিল নভে বাদল এলো পাতার বাতায়নে যুঁই চামেলী কামিনী।। আমার প্রাণের ভাষা শিখে ডাকে পাখি পিউ কাঁহা খোঁজে তোমায় মেঘে মেঘে আঁখি মোর সৌদামিনী।।
রাগঃ ভৈরবী–পিলু
তালঃ কাহার্বা

স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা এসো মালবিকা অর্জুন-মঞ্জরি-কর্ণে গলে নীপ-মালিকা, মালবিকা।। ক্ষীণা তন্বী জল-ভার-নমিতা শ্যাম জম্বু-বনে এসো অমিতা আনো কুন্দ মালতী যুঁই ভরি থালিকা, মালবিকা।। ঘন নীল বাসে অঙ্গ ঘিরে এসো অঞ্জনা রেবা-নদীর তীরে। পরি’ হংস-মিথুন আঁকা শাড়ি ঝিল্মিল্ এসো ডাগর চোখে মাখি সাগরের নীল ডাকে বিদ্যুৎ ইঙ্গিতে দিগ্-বালিকা, মালবিকা।।
রাগঃ মিঞা কী মল্লার
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুপ জালোটা

কত কথা ছিল তোমায় বলিতে ভুলে যাই হয় না বলা পথ চলিতে।। ভ্রমরা আসে যবে বনেরই পথে না-বলা সেই কথা কয় ফুল-কলিতে।। পুড়ে মরে পতঙ্গ, দীপ তবু পারে না বলিতে, থাকে জ্বলিতে।। সে কথা কইতে গিয়ে গুণীর বীণা কাঁদে কভু সারঙ কভু ললিতে।। যত বলিতে চাই লুকাই তত গেল মোর এ জনম হায় মন ছলিতে।।
রাগঃ সারং
তালঃ কাহার্বা

কোন্ সে-সুদূর অশোক-কাননে বন্দিনী তুমি সীতা। আর কতকাল জ্বলিবে আমার বুকে বিরহের চিতা।। সীতা — সীতা!! বিরহে তোমার অরণ্যচারী কাঁদিব রঘুবীর বল্কলধারী, ঝরা চামেলির অশ্রু ঝরায়ে ঝুরিছে বন-দুহিতা।। সীতা — সীতা!! তোমার আমার এই অনন্ত অসীম বিরহ নিয়া, কত আদি কবি কত রামায়ন রচিবে, কে জানে প্রিয়া! বেদনার সুর-সাগর তীরে দয়িতা আমার এসো এসো ফিরে, আবার আঁধার হৃদি-অযোধ্যা হইবে দীপান্বিতা।। সীতা — সীতা!!
নাটকঃ ‘বন্দিনী বিরহিনী সীতা’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা

লুকোচুরি খেলতে হরি হার মেনেছ আমার সনে লুকাতে চাও বৃথা হে শ্যাম, ধরা পড় ক্ষণে ক্ষণে।। গহন মেঘে লুকাতে চাও অম্নি রাঙা, চরণ লেগে যে পথে ধাও সে পথ ওঠে ইন্দ্রধনুর রঙে রেঙে, চপল হাসি চম্কে বেড়ায় বিজলিতে নীল গগনে।। রবি-শশী-গ্রহ-তারা তোমার কথা দেয় প্রকাশি’ ঐ আলোতে হেরি তোমার তনুর জ্যোতি মুখের হাসি। হাজার কুসুম ফুটে’ ওঠে লুকাও যখন শ্যামল বনে। মনের মাঝে যেম্নি লুকাও, মন হয়ে যায় অম্নি মুনি, ব্যথায় তোমার পরশ যে পাই, ঝড়ের রাতে বংশী শুনি দুষ্টু তুমি দৃষ্টি হয়ে লুকাও আমার এই নয়নে দুষ্টু তুমি দৃষ্টি হয়ে থাক আমার এই নয়নে।।
রাগঃ ধানি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
