বাণী
(হরি) নাচত নন্দদুলাল শ্যামল সুন্দর মদন মনোহর নওল কিশোর কানাইয়া গোপাল। নাচত গিরিধারী ময়ূর মুকুট পরি দিকে দিকে ছন্দ আনন্দ পড়িছে ঝরি নাচে গোপী সখা বংশীওয়ালা হরি রুনুঝুনু বাজওত ঘুঙ্গুর তাল।
নাটিকাঃ ‘মীরাবাঈ’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

(হরি) নাচত নন্দদুলাল শ্যামল সুন্দর মদন মনোহর নওল কিশোর কানাইয়া গোপাল। নাচত গিরিধারী ময়ূর মুকুট পরি দিকে দিকে ছন্দ আনন্দ পড়িছে ঝরি নাচে গোপী সখা বংশীওয়ালা হরি রুনুঝুনু বাজওত ঘুঙ্গুর তাল।
নাটিকাঃ ‘মীরাবাঈ’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

নিশীথ জাগিয়া সে কি মোর গান শোনে। যে গান ভাসিয়া যায় আজি নিশি-পবনে।। বলাকা মালার মত আকাশের কোলে, তারা যেতে যেতে হায়, ছায়া ফেলিয়া কি যায় — তার মন-বাতায়নে।। মোর কুণ্ঠিতা বাণী সুরের গুণ্ঠনে শিহরায় আবেশে, শুনিয়া আমার গান আমার চেয়ে কি গো মোর কথা ভাবে সে। আমার সঙ্গীত-ইঙ্গিত তাহারে, আনিবে না কি মোর পথের ধারে। সুমুখে যে কথা তায়, বলিতে পারি না হায় — গানের আড়ালে তাই জানাই গোপনে।।
রাগঃ
তালঃ
কলমা শাহাদতে আছে খোদার জ্যোতি ঝিনুকের বুকে লুকিয়ে থাকে যেমন মোতি।। ঐ কলমা জপে যে ঘুমের আগে ঐ কলমা জপিয়া যে প্রভাতে জাগে, দুখের সংসার যার সুখময় হয়, তা’র — তার মুসিবত আসে নাকো, হয় না ক্ষতি।। হরদম জপে মনে কলমা যে জন খোদায়ী তত্ত্ব তা’র রহে না গোপন দিলের আয়না তার হয়ে যায় পাক সাফ আল্লার রাহে তার রহে মতি। সদা আল্লার রাহে তার রহে মতি।। এসমে আজম হতে কদর ইহার পায় ঘরে ব’সে খোদা রসুলের দিদার তাহারি হৃদয়াকাশে সাত বেহেশত নাচে আল্লার আরশে হয় আখেরে গতি। তার আল্লার আরশে হয় আখেরে গতি।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

রুম্ ঝুম্ রুম ঝুম্ কে বাজায় জল-ঝুম্ঝুমি। চমকিয়া জাগে ঘুমন্ত বনভূমি ॥ দুরন্ত অরণ্যা গিরি- নির্ঝরিণী রঙ্গে সঙ্গে ল’য়ে বনের হরিণী, শাখায় শাখায় ঘুম ভাঙায় ভীরু মুকুলের কপোল চুমি’ ॥ কুহু-কুহু কুহরে পাহাড়ি কুহু পিয়াল-ডালে, পল্লব-বীণা বাজায় ঝিরিঝিরি সমীরণ তা’রি তালে তালে। সেই জল-ছলছল সুরে জাগিয়া সাড়া দেয় বন-পারে বাঁশি রাখালিয়া১’, পল্লীর প্রান্তর ওঠে শিহরি’ বলে — ‘চঞ্চলা কে গো তুমি’ ॥
১. ‘বউ কথা কও কোকিল পাপিয়া’ পঙক্তিটি অতিরিক্ত আছে।
রাগঃ নির্ঝরিণী (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ ত্রিতাল

হে গোবিন্দ, ও অরবিন্দ চরণে শরণ দাও হে। বিফল জনম কাটিল কাঁদিয়া, শান্তি নাহি কোথাও হে।। জীবন-প্রভাত কাটিল খেলায়, দুপুর ফুরাল মোহের মেলায়। ডাকিব যে নাথ সন্ধ্যা-বেলায়, ডাকিতে পারিনি তাও হে।। এসেছি দুঃখ-জীর্ণ পথিক মৃত্যু-গহন রাতে। কিছু নাহি প্রভু সম্বল, শুধু জল আছে আঁখি-পাতে।। সন্তান তব বিপথগামী, ফিরিয়া এসেছে হে জীবন-স্বামী। পাপী তাপী তবু সন্তান আমি ধূলা মুছে-কোলে নাও হে।।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ একতাল

বকুল তলে ব্যাকুল বাঁশি কে বাজায় যে বাঁশরি শুনে কিশোরী সহসা যেন গো যৌবন পায়॥ রয় না মন ঘরে সেই বাঁশির সুরে দূরে ভেসে যেতে চায় পরান ঘুরে মরে তাহার রাঙা পায়॥ তারি নূপুর শুনি নিশিদিনই প্রাণে মোর নিশীথ রাতে আসে পাশে বসে মনোচোর। তারে কি মালা দিব অশ্রু-মুক্তা গাঁথা বিছাবো পথে কি তার মরা ফুল ঝরা পাতা প্রাণের দীপালি জ্বালি তারি আশায়॥
রাগঃ মিশ্র পিলু
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
