ইয়া রাসুলুল্লাহ মোরে রাহ্ দেখাও

বাণী

ইয়া রাসুলুল্লাহ! মোরে রাহ্ দেখাও সেই কাবার।
যে কাবা মসজিদে গেলে পাব আল্লার দিদার।।
দ্বীন দুনিয়া এক হয়ে যায় যে কাবার ফজিলতে,
যে কাবাতে হাজি হ’লে রাজি হন পরওয়ারদিগার।।
যে কাবার দুয়ারে জামে তৌহিদ দেন হজরত আলী,
যে কাবায় কুল্-মাগফেরাতে কর তুমি ইন্তেজার।।
যে কাবাতে গেলে দেখি আরশ কুর্সি লওহ কালাম,
মরণে আর ভয় থাকে না, হাসিয়া হয় বেড়া পার।।

তৃষিত আকাশ কাঁপে রে

বাণী

তৃষিত আকাশ কাঁপে রে।
প্রখর রবির তাপে রে।।
চাহিয়া তৃষ্ণার বারি
চাতক ওঠে ফুকারি’
করুণ-শান্ত বিলাপে রে।।
রুদ্রযোগী ও-কে দূর বিমানে,
নিমগ্ন রহিয়াছে যেন ধ্যানে।
শকুন্তলা সম ভয়ে
কাঁপে ধরা র’য়ে র’য়ে,
অগ্নি-ঋষির অভিশাপ রে।।

দেশপ্রিয় নাই শুনি ক্রন্দন সহসা প্রভাতে

বাণী

‘দেশপ্রিয় নাই’ শুনি ক্রন্দন সহসা প্রভাতে জাগি’।
আকাশে ললাট হানিয়া কাঁদিছে ভারত চির-অভাগী।।
দেশবন্ধুর পার্শ্বে জ্বলিছে দেশপ্রিয়ের চিতা
এতদিন পরে বক্ষে এসেছে দুঃখের সাথি মিতা,
বহিছে অশ্রুগঙ্গা, জ্বলিছে শোকের দীপাম্বিতা —
নিভে যাবে চিতা, রয়ে যাবে ধুম, চিরদিন বুকে জাগি’।।
তুমি এসেছিলে হিন্দু-মুসলমানের মিলন-হেতু
পদ্মা ও ভাগীরথীর মাঝারে তুমি বেঁধেছিলে সেতু,
অন্ধকারের বুকে ছিলে তুমি দীপ্ত চন্দ্র-কেতু —
বন্ধন হল নন্দন-ফুল-হার তোমার ছোয়া লাগি’।।

দ্বিতীয় খন্ড

জয় কৃষ্ণ-ভিখারিনী তুলসী

বাণী

জয় কৃষ্ণ-ভিখারিনী তুলসী হরি-শিব-বিহারিণী তুলসী।
জয় কল্পতরু সমা বিষ্ণুর মনোরমা কলির কলুষ-বারিণী তুলসী।।
	অভিষ্ট-দায়িণী তুমি বসুধায়
	শ্রেষ্ঠ পুষ্প তুমি দেব-পূজায়,
তপে ও জপে তুমি মন্ত্র-শক্তি রূপা ভক্তি-প্রেম সঞ্চারিণী তুলসী।।
	তীর্থসমূহ মাগো তোমার কাছে
	আত্মশুদ্ধি তরে শরণ যাচে,
সকল কর্ম হয় নিষ্ফল ত্রিলোকে তোমার প্রসাদ বিনা তারিণী তুলসী।।
	শুদ্ধ সত্ত্বা রূপা তপস্যা মগ্না
	বিরাজ দীনা বেশে মন্দির-লগ্না,
হে হরি-বল্লভে, তব দীন পল্লবে অনন্ত নারায়ণ-ধারিণী তুলসী।।

‘শ্রীতুলসী-বন্দনা’

বনের হরিণ বনের হরিণ

বাণী

বনের হরিণ বনের হরিণ ওরে কপট চোর।
কেমন ক’রে করলি চুরি প্রিয়ার আঁখি মোর।।
	লায়লীরে তুই দেখ্‌লি কখন
	কর্‌লি বদল তোদের নয়ন,
ওরে বন হয়েছে স্বর্গ আমার হেরি নয়ন তোর।।

নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’

মম তনুর ময়ূর-সিংহাসনে

বাণী

মম তনুর ময়ূর-সিংহাসনে এসো রূপকুমার ফর্‌হাদ্‌।
(মোর)ঘুম যবে ভাঙিল, প্রিয়, গগনে ঢলিয়া পড়িল চাঁদ।।
আমি শিঁরি – হেরেমের১ নন্দিনী গো
ছিনু অহঙ্কারের কারা-বন্দিনী গো,
ভেবেছিনু তুমি শুধু রূপের পাগল —
বুঝি নাই কা’রে বলে প্রেম-উন্মাদ।।
গিরি-পাষাণে আঁকিলে তুমি যে ছবি মম, দিলে যে মধু,
সেই মধু চেয়ে, সেই শিলা বুকে ল’য়ে কাঁদি,
ফিরে এসো, ফিরে এসো বঁধু।
ল’য়ে যাও সেই প্রেম-লোকে, বিরহী
কাঁদিছে যথায় ‘শিঁরি শিঁরি’ কহি’—
আজ ভরিয়াছে বিষাদের বিলাপে গোলাপের সাধ।।

১. বাদশাহ