বাণী
শারদ-সন্ধ্যা সমীরে দোলা লাগে ধরণীর বিহ্বল-চিত্তে। এসো পুরবাসী করি’ সজ্জা, ভরাও ভুবনে গীত-নৃত্যে।। পুঞ্জিত মেঘ হ’ল রিক্ত অবিরল ধারে ধরা সিক্ত, মেহেদী ফুলের মঞ্জরি ল’য়ে, সাজাও ভবনে অনুপম বিত্তে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ গৌরী
তালঃ ত্রিতাল
শারদ-সন্ধ্যা সমীরে দোলা লাগে ধরণীর বিহ্বল-চিত্তে। এসো পুরবাসী করি’ সজ্জা, ভরাও ভুবনে গীত-নৃত্যে।। পুঞ্জিত মেঘ হ’ল রিক্ত অবিরল ধারে ধরা সিক্ত, মেহেদী ফুলের মঞ্জরি ল’য়ে, সাজাও ভবনে অনুপম বিত্তে।।
রাগঃ গৌরী
তালঃ ত্রিতাল
চরণে দলিয়া গিয়াছে চলিয়া তবু কেন তারে ভালোবাসি। বলিতে পারি না বোঝাতে পারি না আঁখি-জলে যায় বুক ভাসি’।। কেন সে বিরাজে হৃদয়েরি মাঝে তার স্বর যেন সদা প্রাণে বাজে কি বাঁধনে মোরে বেঁধেছে বল সে দিয়ে গেছে গলে প্রেম-ফাঁসি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা (ঢিমা)

আজি পূর্ণশশী কেন মেঘে ঢাকা। মোরে স্মরিয়া রাধিকাও হ’ল কি বাঁকা।। কেন অভিমান-শিশিরে মাখা কমল, কাজল-উজল-চোখে কেন এত জল, লহ মুরলী হরি লহ শিখী-পাখা।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ
পুষ্পধনুর ইঙ্গিতে হায় হারানো হিয়ার বনে, মন দেয়া-নেয়া খেলা চলে নিরজনে। মায়া-মৃগ যেন রচিত ছলনার কায়া, বাঁধা পড়িল নিজে? একি রে প্রেমের মায়া।। দু’জনে রচিত মিলন-স্বর্গ ধূলিতলে রমণীয়, দু’জনের কাছে বন্দী দু’জনে প্রিয়তমা আর প্রিয়। আঁখির মিলনে সারা দিন-যামী ক্লান্ত না হয় আঁখি, আঁখির কুলায় চলে গো আঁখির পাখি। দু’জনে কুজনে একটি গানের কলি, অনাহত সুরে বারে বারে যায় বলি’।।
মিশ্র সুর
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ওলো এক চাঁদকে সৃষ্টি ক’রে বিধির পুঁজি শেষ। এই চাঁদের পাশে চাঁদ শোভা পায় আছে সে-কোন্ দেশ।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগঃ ইমন-কল্যাণ
তালঃ কাহার্বা
আমার ভুবন কান পেতে রয় প্রিয়তম তব লাগিয়া দীপ নিভে যায়, সকলে ঘুমায় মোর আঁখি রহে জাগিয়া।। তারারে শুধাই, ‘কত দেরি আর কখন আসিবে বিরহী আমার?’ ওরা বলে, ‘হের পথ চেয়ে তার নয়ন উঠেছে রাঙিয়া’।। আসিতেছে সে কি মোর অভিসারে কাঁদিয়া শুধাই চাঁদে মোর মুখপানে চেয়ে চেয়ে চাঁদ নীরবে শুধু কাঁদে। ফাগুন বাতাস করে হায় হায় বলে, বিরহিণী তোর নিশি যে পোহায় ফুল বলে, ‘আর জাগিতে নারি গো ঘুমে আঁখি আসে ভাঙিয়া’।।
রাগঃ খাম্বাজ-পিলু
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ যুথিকা রায়
