শাদী মোবারকবাদী শাদী মোবারক

বাণী

শাদী মোবারকবাদী শাদী মোবারক।
দেয় মোবারক-বাদ আলম রসুলে-পাক আল্লা হক।।
	আজ এ খুশির মাহফিলে
	দুলহা ও দুলহিনে মিলে
	মিলন হল প্রাণে প্রাণে
		মাশুক আর আশক।।
	আউলিয়া আম্বিয়া সবে
	এসো এ মিলন-উৎসবে,
	দোয়া কর আজ এ খুশির
		গুলিস্তান গুলজার হোক।।

নাটিকাঃ‘পুতুলের বিয়ে’

ওরে হুলো রে তুই রাত বিরেতে

বাণী

ওরে		হুলো রে তুই রাত বিরেতে ঢুকিস্‌নে হেঁসেল্।
তুই		কবে বেঘোরে প্রাণ হারাবি বুঝিস্‌নে রাস্কেল্।।
আমি		স্বীকার করি শিকারি তুই তোর গোঁফ দেখেই চিনি,
		গাছে কাঁঠাল ঝুলতে দেখে দিস্ গোঁফে তুই তেল।।
		ওরে ছোঁচা ওরে ওঁছা বাড়ি বাড়ি তুই হাঁড়ি খাস,
		নাদ্‌নার বাড়ি খেয়ে কোন্‌দিন ধনে প্রাণে বা মারা যাস্‌,
কেঁদে		মিয়াঁও মিয়াঁও ব’লে বিবি বেরালি করবে রে হার্টফেল।।
		তানপুরারই সুরে যখন তখন গলা সাধিস্,
শুনে		ভুলো তোরে তেড়ে আসে, ন্যাজ তুলে ছুটিস্,
তোরে	বস্তা পু’রে কবে কে চালান দিবে ধাপা-মেল।।
		বৌঝি যখন মাছ কোটে রে, তুমি খোঁজ দাঁও,
		বিড়াল-তপস্বী আড়নয়নে থালার পানে চাও,
তুই		উত্তম মধ্যম খা’স এত তবু হ’ল না আক্কেল।।

মহাবিদ্যা আদ্যাশক্তি পরমেশ্বরী কালিকা

বাণী

মহাবিদ্যা আদ্যাশক্তি পরমেশ্বরী কালিকা।
পরমা প্রকৃতি জগদম্বিকা, ভবানী ত্রিলোক-পালিকা।।
	মহাকালি মহাসরস্বতী,
	মহালক্ষ্মী তুমি ভগবতী
তুমি বেদমাতা, তুমি গায়ত্রী, ষোড়শী কুমারী বালিকা।।
কোটি ব্রক্ষ্মা, বিষ্ণু, রুদ্র মা মহামায়া তব মায়ায়,
সৃষ্টি করিয়া করিতেছ লয় সমুদ্রে জলবিম্ব-প্রায়।
	অচিন্ত্য পরমাত্মারূপিণী,
	সুর-নর চরাচর-প্রসবিনী।
নমস্তে শিরে অশুভ নাশিনী, তারা মঙ্গল চন্ডিকা।
নমস্তে শিরে অশুভ নাশিনী, তারা মঙ্গল সাধিকা।।

মেঘ মেদুর বরষায় কোথা তুমি

বাণী

মেঘ মেদুর বরষায় কোথা তুমি
ফুল ছাড়ায়ে কাঁদে বনভূমি।।
ঝুরে বারিধারা
ফিরে এসো পথহারা
কাঁদে নদী তট চুমি’।।

ভোরের হাওয়া এলে

বাণী

ভোরের হাওয়া এলে ঘুম ভাঙাতে কি
		চুম হেনে নয়ন-পাতে।
ঝিরি ঝিরি ধীরি ধীরি কুণ্ঠিত ভাষা
		গুণ্ঠিতারে শুনাতে॥
হিম-শিশিরে মাজি’ তনুখানি
ফুল-অঞ্জলি আন ভরি’ দুই পাণি,
ফুলে ফুলে ধরা যেন ভরা ফুলদানি
		বিশ্ব-সুষমা সভাতে॥

মা! আমার মনে আমার বনে

বাণী

মা! আমার মনে আমার বনে
		ফোটে যত কুসুম দল
সে ফুল মাগো তোরই তরে
		পূজ্‌তে তোরই চরণতল।।

নাটকঃ ‘বিদ্যাপতি’