বাণী
রিম্ ঝিম্ রিম্ ঝিম্ বরষা এলো আমারি আশালতা সজল হলো॥ কুসুম কলি মুঞ্জরিল বিরহী লতিকা সহসা ফুটিল মন এলোমেলো মেদুর ছাইলো॥
রাগ ও তাল
রাগঃ গৌড় সারং
তালঃ তেওড়া
রিম্ ঝিম্ রিম্ ঝিম্ বরষা এলো আমারি আশালতা সজল হলো॥ কুসুম কলি মুঞ্জরিল বিরহী লতিকা সহসা ফুটিল মন এলোমেলো মেদুর ছাইলো॥
রাগঃ গৌড় সারং
তালঃ তেওড়া
আমার আছে অসীম আকাশ, তোমার আছে ঘর। তোমার আছে পারের তরী, আমার বালুচর।। তোমার আছে কূলের আশা আমার অকূল স্রোতে ভাসা, আমায় ডাকে (গো) দূর আলেয়া, তোমার প্রদীপ-কর।। থাকুক তোমার দখিন হাওয়া, আমার থাকুক ঝড়, তোমার তরে তরুর ছায়া, আমার তেপান্তর। তুমি ঘুমাও সুখের কোলে আমি ভুলে’ যাওয়ার দলে, হারিয়ে তোমায় মোর ধরণী হলো বিপুলতর।।
রাগঃ
তালঃ ঝাঁপতাল
ঐ কাজল-কালো চোখ। আদি কবির আদি রসের যেন দু’টি শ্লোক।। দু’টি কুসুম আছে ফু’টে পুষ্প-লতার পত্র-পুটে, সেই আলোকে১ রেঙে উঠে — বনের গহন লোক।। রূপের সাগর সাঁত্রে বেড়ায় পান কৌড়ি পাখি ঐ কাজল-কালো আঁখি, মদির আঁখির নীল পেয়ালায় শরাব বিলাও নাকি, ওগো কাজল-কালো আঁখি। তোমার দু’টি আঁখি-তারা তারার মত তন্দ্রাহারা, আমার মুখে চেয়ে চেয়ে অশ্রু-সজল হোক।।
১. হাসিতে
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
বনে যায় আনন্দ-দুলাল বাজে চরণে নূপুরের রুনুঝুনু তাল বনে যায় গোঠে যায়। ও কি নন্দ-দুলাল, ও কি ছন্দ-দুলাল ও কি নন্দন-পথ, ভোলা নৃত্য-গোপাল।। বেণু-রবে ধেনুগণ আগে যেতে পিছে চায় ভক্তের প্রাণ গ'লে উজান বহিয়া যায় লুকিয়ে দেখিতে এলো দেবতারি দল (তায়) হয়ে কদম তমাল- ব্রজ-গোপিকার প্রাণ তার চরণে নূপুর শ্রীমতী রাধিকা তার বাশরির সুর। সে যে ত্রিলোকের স্বামী তাই ত্রিভঙ্গ-রূপ করে বিশ্বের রাখালি সে চির-রাখাল।।
রাগঃ কাফি
তালঃ কাহার্বা

বৃজমে আজ স্যখি ধূম ম্যচাও অওরী বৃজবালা ম্যঙ্গল গাও।। গুঁথো স্যখিরি স্যব কুসুম-মালা দেখ্যন কো চ্যলো নন্দকে লালা বৃজকে ঘ্যর ঘ্যর হর্যষ মানাও।।
নাটিকাঃ ‘জন্মষ্টমী’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

জাগো কৃষ্ণকলি, জাগো কৃষ্ণকলি। মধুকরের মিনতি মানো, ডাকে জাগো বলি’, বিহগ-কাকলি।। তব দ্বারে বারে বারে মন-উদাসী ভোরের হাওয়া এসে বাজায় বাঁশি, ফিরে গেল ভ্রমরা মউ-পিয়াসি — অযথা বিতানে কানে কথা বলি।। হের হাতের তার ফুলঝুরি ফেলে’ ধূলায় উদাসী বসন্ত মাগে বিদায়, দীরঘ-শ্বাস ফেলি’ ঝরা পাতায়। চাহে রঙিন ঊষা তব রঙের আভাস তব লাল আভায় লজ্জা পায় হিঙুল পলাশ। এলো কোকিল তোমার রঙে খেল্তে হোলি।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ আড়খেম্টা
