বাণী
ভবানী শিবানী দশপ্রহরণধারিনী দুখ-পাপ-তাপ হারিণী ভবানী।। কলুষ-রিপু-দানব-জয়ী জগৎ-মাতা করুণাময়ী জয় পরমাশক্তি মাতা ত্রিলোকধারিণী।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ঝাঁপতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

ভবানী শিবানী দশপ্রহরণধারিনী দুখ-পাপ-তাপ হারিণী ভবানী।। কলুষ-রিপু-দানব-জয়ী জগৎ-মাতা করুণাময়ী জয় পরমাশক্তি মাতা ত্রিলোকধারিণী।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ঝাঁপতাল

মোর প্রথম মনের মুকুল ঝরে গেল হায় মনে মিলনের ক্ষণে। কপোতীর মিনতি কপোত শুনিল না, উড়ে গেল গহন-বনে।। দক্ষিণ সমীরণ কুসুম ফোটায় গো আমারি কাননে ফুল কেন ঝরে যায় গো জ্বলিল প্রদীপ সকলেরি ঘরে হায় নিভে গেল মোর দীপ গোধূলি লগনে।। বিফল অভিমানে কাঁদে ফুলমালা কণ্ঠ জড়ায়ে কাঁদি ধূলি-পথে একা ছিন্ন-লতার প্রায় লুটায়ে লুটায়ে। দারুণ তিয়াসে এসে সাগর-মুখে ঢলিয়া পড়িনু হায় বালুকারি বুকে ধোঁয়ারে মেঘ ভাবি’ ভুলিনু চাতকী জ্বলিয়া মরি গো বিরহ-দহনে।।
রাগঃ বনকুন্তলা (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ কাশফিয়া বিল্লাহ

নূরের দরিয়ায় সিনান করিয়া কে এলো মক্কায় আমিনার কোলে ফাগুন-পূর্ণিমা-নিশীথে যেমন আস্মানের কোলে রাঙা চাঁদ দোলে।। কে এলো কে এলো গাহে কোয়েলিয়া, পাপিয়া বুল্বুল্ উঠিল মাতিয়া, গ্রহতারা ঝুঁকে করিছে কুর্নিশ হুরপরী হেসে পড়িছে ঢ’লে।। জিন্নাতের আজ খোলা দরওয়াজা পেয়ে ফেরেশ্তা আম্বিয়া এসেছে ধেঁয়ে তাহ্রীমা বেঁধে ঘোরে দরুদ গেয়ে দুনিয়া টলমল্, খোদার আরশ টলে।। এলো রে চির-চাওয়া এলো আখেরি নবী সৈয়দে মক্কী মদনী আল্-আরবি, নাজেল হয়ে সে যে ইয়াকুত-রাঙা ঠোঁটে শাহ্দতের বাণী আধো আধো বোলে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওরে ও দরিয়ার মাঝি! মোরে নিয়ে যা রে মদিনা। তুমি মুর্শিদ হ'য়ে পথ দেখাও ভাই আমি যে পথ চিনি না।। আমার প্রিয় হজরত সেথায় আছেন নাকি ঘুমিয়ে ভাই, আমি প্রাণে যে আর বাঁচি না রে আমার হজরতের দরশ বিনা।। নদী নাকি নাই ও দেশে, নাও না চলে যদি — আমি চোখের সাঁতার পানি দিয়ে বইয়ে দেব নদী। ঐ মদিনার ধূলি মেখে কাঁদবো 'ইয়া মোহাম্মদ' ডেকে ডেকে রে — কেঁদেছিল কারবালাতে, (ওরে) যেমন বিবি সাকিনা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চোখের নেশার ভালোবাসা সে কি কভু থাকে গো জাগিয়া স্বপনের স্মৃতি স্মরণে কে রাখে গো।। তোমরা ভোল গো যা’রে চিরতরে ভোল তা’রে মেঘ গেলে আবছায়া থাকে কি আকাশে গো।। পুতুল লইয়া খেলা খেলেছ বালিকা বেলা খেলিছ পরাণ ল’য়ে তেমনি পুতুল খেলা। ভাঙ্গিছ গড়িছ নিতি হৃদয়–দেবতাকে গো। চোখের ভালোবাসা গ’লে শেষ হ’য়ে যায় চোখের জলে বুকের ছলনা সেকি নয়ন জলে ঢাকে গো।।
রাগঃ বাগেশ্রী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা

স্বাগত হে অতিথি! ধর হৃদি-ফুলহার নব উপহার তব বরণ-গীতি! ওগো প্রিয় বরণীয় অতিথি।। বন্দিনী গাহে শোনো বন্দনা গান কণ্ঠে তরঙ্গিত তরলিত তান, গীতি-মধু গুঞ্জনে নিতি মধু-ভুঞ্জনে, অঞ্জলি লহ মম পরম প্রীতি! ওগো প্রিয় অতিথি।।
নাটক : ‘কাফন চোরা’
রাগঃ
তালঃ