বহিছে সাহারায় শোকেরই 'লু' হাওয়া

বাণী

বহিছে সাহারায় শোকেরই 'লু' হাওয়া
দোলে অসীম আকাশ আকুল রোদনে।
নূহের প্লাবন আসিল ফিরে যেন,
ঘোর অশ্রু-শ্রাবণ ধারা ঝরে সঘনে।।
'হায় হোসেনা' 'হায় হোসেনা' বলি'
কাঁদে গিরি নদী, কাঁদে বনস্থলী
কাঁদে পশু ও পাখী তরুলতার সনে।।
ফকির বাদশাহ গরীব ওমরাহে
কাঁদে তেমনি আজো তাঁরি মর্সিয়া গাহে,
বিশ্বে যাবে মুছে মুছিবে না এ আঁসু,
চিরকাল ঝরিবে কালের নয়নে।।
সেই সে কারবালা সেই ফোরাত নদী
কুল-মুসলিম-হৃদে গাহিছে নিরবধি,
আসমান জমীন রহিবে যতদিন
সবে কাঁদিবে এমনি আকুল কাঁদনে।।

মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে নওল কিশোর মদনমোহন

বাণী

মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে নওল কিশোর মদনমোহন!
চারু ত্রিভঙ্গিম ঠাম বঙ্কিম, বন্দে পদ কোটি চন্দ্র তপন॥
	বৃষ্টিধারা সম নব নবতম,
	সৃষ্টি পড়ে ঝরি সে নাচে নিরূপম
রতন মঞ্জির বাজে রমঝম, ঘোরে গ্রহতারা ঘিরি শ্রীচরণ॥

চলচ্চিত্রঃ ‘ধ্রুব’

নবীর মাঝে রবির সম আমার মোহাম্মদ রসুল

বাণী

নবীর মাঝে রবির সম আমার মোহাম্মদ রসুল।
খোদার হবিব দীনের নকিব বিশ্বে নাই যার সমতুল।।
	পাক আরশের পাশে খোদার
	গৌরবময় আসন যাঁহার,
খোশ-নসীব উম্মত আমি তাঁর (আমি) পেয়েছি অকূলে কূল।।
	আনিলেন যিনি খোদার সালাম;
	তাঁর কদমে হাজার সালাম;
ফকির দরবেশ জপি' সেই নাম (সবে) ঘর ছেড়ে হলো বাউল।।
	জানি, উম্মত আমি গুনাহগার
	হবো তবু পুলসরাত পার;
আমার নবী হযরত আমার করো মোনাজাত কবুল।।

ওগো নন্দ দুলাল নাচে ছন্দতালে

বাণী

দ্বৈত	:	ওগো নন্দ দুলাল নাচে ছন্দতালে
স্ত্রী	:	মধু মঞ্জির বোলে মণি কুন্তল দোলে
পুরুষ	:	চন্দন লেখা শোভে চারুভালে॥
স্ত্রী	:	রস যমুনায় জাগে ঢেউ উতরোল
পুরুষ	:	ব্রজগোপিকার প্রাণে লাগে তারি হিল্লোল
দ্বৈত	:	রাস পূর্ণিমা রাতে শিখী নাচে সাথে সাথে
		ফুল দোলে কুঞ্জেরই বকুল ডালে॥
স্ত্রী	:	নাচে নন্দ দুলাল বাজে মোহন বেণূ
পুরুষ	:	অঙ্গের লাবনিতে আলো করে অবনিতে
দ্বৈত	:	হাসিতে ঝরায় ফুল পরাগ রেণু।
স্ত্রী	:	রাঙা পায়ে রুমুঝুমু বাজে মধুর
পুরুষ	:	জীবন মরণ তার যুগল নূপুর
দ্বৈত	:	মুগ্ধ তারকা শশী রাতের দেউলে বসি
		আরতি প্রদীপ শিখা নিত্য জ্বালে॥

রাঙামাটির পথে লো

বাণী

	রাঙামাটির পথে লো মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি,
	বাঁশি বাজে বুকের মাঝে লো, মন লাগে না কাজে লো,
	রইতে নারি ঘরে ওলো প্রাণ হলো উদাসী লো।।
	মাদলীয়ার তালে তালে অঙ্গ ওঠে দুলে লো,
	দোল লাগে শাল পিয়াল বনে, নোটন খোঁপার ফুলে লো,
	মহুয়া বনে লুটিয়ে পরে মাতাল চাঁদের হাসি লো।।
	চোখে ভালো লাগে যাকে, তারে দেখবো পথের বাঁকে,
তার 	চাঁচড় কেশে বেঁধে দেবো ঝুমকো জবার ফুল
তার 	গলার মালার কুসুম কেড়ে করব কানের দুল।
তার 	নাচের তালের ইশারাতে বলবো ভালোবাসি লো।।

সন্ধ্যা-আঁধারে ফোটাও দেবতা

বাণী

সন্ধ্যা-আঁধারে ফোটাও দেবতা, শুভ্র রজনীগন্ধা।
নিরাশা-শুষ্ক পরানে বহাও প্রেমের অলকানন্দা।।
	অশ্রু-জলের অকূল সায়রে
	ফুটুক কমল তব শুভ্র বরে
বেদনা-আহত কবির চিত্তে বাণী দাও মধু-ছন্দা।।
	দুঃখ আসিলে, সে-দুখ ভুলিলে
	দাও আনন্দ দুঃখীর চিতে,
আঁধার-গহন নিবিড় নিশীথে ভাঙিয়ো না সুখ-তন্দ্রা।।