মিলন-গোধূলি রাঙা হয়ে এলো

বাণী

মিলন-গোধূলি রাঙা হয়ে এলো ঐ সোনার গগনময়।
দাও আশিস অভয়, হে দেব জ্যোতির্ময়।।
	মিলিল আবার দুইটি প্রাণ
	কত যুগ পরে, হে ভগবান
সার্থক কর, হে মনোহর, এ মিলন অক্ষয়
যেন চির-সুখী হয়, হে দেব জ্যেতির্ময়।।

নাটিকাঃ ‌‘পুতুলের বিয়ে’

আমি রচিয়াছি নব ব্রজধাম হে মুরারি

বাণী

আমি	রচিয়াছি নব ব্রজধাম হে মুরারি
সেথা	করিবে লীলা এসো গোলক-বিহারী।।
মোর	কামনার কালীদহ করি মন্থন
	কালীয় নাগে হরি করিও দমন
আছে	গিরি-গোরবর্ধন মোর অপরাধ
যদি	সাধ যায় সেই গিরি ধ'রো গিরিধারী।।
আছে	ষড় রিপু কংসের অনুচর দল
আছে	অবিদ্যা পুতনা শোক দাবানল
আছে	শত জনমের সাধ আশা-ধেনুগণ
আছে	অসহায় রোদনের যমুনা-বারি
আছে	জটিলতা কুটিলতা প্রেমের বাধা
হরি	সব আছে, নাই শুধু আনন্দ-রাধা
তুমি	আসিলে হরি ব্রজে রাসেশ্বরী
	আসিবেন হ্লাদিনী রূপে রাধা প্যারী।।

আমার সকলি হরেছ হরি

বাণী

আমার	সকলি হরেছ হরি এবার আমায় হ’রে নিও।
যদি	সব হরিলে নিখিল-হরণ তবে ঐ চরণে শরণ দিও।।
আমায়	ছিল যারা আড়াল ক’রে 
	হরি তুমি নিলে তাদের হ’রে,
ছিল	প্রিয় যারা গেল তারা (হরি) এবার তুমিই হও হে প্রিয়।।

কেন ঝুলনাতে একেলা দোলে

বাণী

	কেন ঝুলনাতে একেলা দোলে রাইকিশোরী।
	বুঝি মেঘের মাঝে হারিয়ে গেল মেঘ-বরণ হরি।।
	সই	দধির মাঝে ননী থাকে
	মোরা	মথন করে আনি তাকে,
মোরা	নিঙ্‌ড়ে মেঘের সাগর, শ্যামে আনব বাহির করি’।।
ঐ	কালাকে সই ভালো জানি, জানি তাহার ঢং,
তার	কৃষ্ণ রূপের আঁধার খরা শুধু রাধার রং।
	যে	না থাকিলে রাধার মাঝে
		দোলনাতে রাই দুলত না যে
সই	মেঘ যদি না থাকে সই কেন চমকায় বিজরী।।

গীতি-আলেখ্য : ‌‘হিন্দোলা’

বলেছিলে ভুলিবে না মোরে

বাণী

বলেছিলে ভুলিবে না মোরে।
ভুলে গেলে হায়, কেমন ক’রে।।
নিশীথের স্বপনে কে যেন কহে
ধরণীর প্রেম সে কি স্মরণে রহে,
ফুলের মতন ফুটে যায় রে ঝ’রে।।
বোঝে না বিরহী মন অসহায়,
যত নাহি পায় তত জড়াইতে চায়।
যত দূরে যাও তত, তব গাওয়া গান
কেন স্মৃতিপথে এসে কাঁদায় এ প্রাণ,
আঁখিতে দেখি না দেখি আঁখির লোরে।।

বঁধু হে বঁধু ফিরে এসো

বাণী

বঁধু হে
বঁধু ফিরে এসো আজো প্রাণের প্রদীপ রেখেছি আঁচল ঢেকে
বিরহ নিশাসে দীরঘ বাতাসে কেঁপে ওঠে থেকে থেকে।
আর রাখতে নারি, নিবু নিবু দীপ রাখতে নারি
বুঝি আমার পরান প্রদীপ নিভাবে আমারি নয়ন বারি।
বঁধু যমুনারি তীরে আসি ফিরে ফিরে কাঁদি কদম তরু তলে
হেরি বালুচরে বেণু আছে পড়ে ডাকে না আর রাধা বলে।
অভিমানে বাঁশি আমার বুকে আসি’ কেঁদে কেঁদে কহে যেন গো
হরি আরাধিকা রাধিকা এলে যদি শ্রীহরি এলো না কেন গো।
পায়ে পড়ে কাঁদে এসে যমুনারি ঢেউ
বলে রাধা রাধা বলে আর ডাকে না তো কেউ।
জটিলা কুটিলা আজ কলহ ভুলে জড়াইয়া মোরে কাঁদে যমুনা কূলে।
বলে কৃষ্ণ কই লো প্রলয়েরি কালে আর লইব কার নাম।
এই বিরহ যমুনা পার হব কবে বল হে বিরহী মম
গেলে কোন সে গোলকে রহিবে চোখে চোখে
প্রিয়তম হে কৃষ্ণ আঁখি তারা সম।।