বাণী
জানি পাব না তোমায় হে প্রিয় আমার এ জীবনে আর॥ এ আমার ললাট লেখা আমি রব চির একা নিমেষের দিয়ে দেখা কাঁদাবে আবার॥ তুব হে জীবন স্বামী তোমারি আশায় আমি আসিব এ ধরণীতে যুগে যুগে অনিবার॥
রাগ ও তাল
রাগঃ মনোরঞ্জনী
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালি
ভিডিও
স্বরলিপি

জানি পাব না তোমায় হে প্রিয় আমার এ জীবনে আর॥ এ আমার ললাট লেখা আমি রব চির একা নিমেষের দিয়ে দেখা কাঁদাবে আবার॥ তুব হে জীবন স্বামী তোমারি আশায় আমি আসিব এ ধরণীতে যুগে যুগে অনিবার॥
রাগঃ মনোরঞ্জনী
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালি

ভীরু এ মনের কলি ফোটালে না কেন ফোটালে না — জয় করে কেন নিলে না আমারে, কেন তুমি গেলে চলি।। ভাঙ্গিয়া দিলে না কেন মোর ভয়, কেন ফিরে গেলে শুনি অনুনয়; কেন সে বেদনা বুঝিতে পার না মুখে যাহা নাহি বলি।। কেন চাহিলে না জল নদী তীরে এসে, সকরুণ অভিমানে চলে গেলে মরু–তৃষ্ণার দেশে।। ঝোড়ো হাওয়া ঝরা পাতারে যেমন তুলে নেয় তার বক্ষে আপন কেন কাড়িয়া নিলে না তেমনি করিয়া মোর ফুল অঞ্জলি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ছাড়িয়া যেও না আর। বিরহের তরী মিলনের ঘাটে লাগিল যদি আবার।। কত সে-বিফল জনমের পর পথ-চাওয়া মোর ফিরে এলে ঘর, এলো শুভ দিন, কাটিল অসহ রাতের অন্ধকার।। দেবতা গো ফিরে চাও, মোর বেদনার তপস্যা-শেষ, মিলনের বর দাও। ল’য়ে জীবনের সঞ্চিত ব্যথা তোমার চরণে হলাম প্রণতা, লহ পূজা মোর নয়নের লোর শীর্ণা তনুর হার।।
রাগঃ
তালঃ
কে দিল খোঁপাতে ধুঁতুরা ফুল লো খোঁপা খুলে কেশ হলো বাউল লো।। পথে সে বাজালো মোহন–বাঁশি তোর ঘরে ফিরে যেতে হলো এ ভুল লো।। কে নিল কেড়ে তোর পৈঁচী চুড়ি বৈঁচি মালায় ছি ছি খোয়ালি কুল লো।। ও সে বুনা পাগল পথে বাজায় মাদল পায়ে ঝড়ের নাচন শিরে চাঁচর চুল লো।। দিল নাকেতে নাকছাবি বাবলা ফুলি কুঁচের চুড়ি আর ঝুঁমকো ফুল দুল লো।। সে নিয়ে লাজ দু’কূল দিল ঘাঘরি সে আমার গাগরি ভাসালো জলে বাতুল লো।।
নাটকঃ মহুয়া
রাগঃ
তালঃ দ্রুত–দাদ্রা

চৈত্র পূর্ণিমা রাত্রি, মাধবী কানন মধুক্ষরা। মধুর আনন্দ উল্লাসে রাত্রে ভাসে বসুন্ধরা।। মুকুল-সৌগন্ধ ভারে দখিনা পবন নৃত্যের ছন্দে চলে মর্মরিয়া বেণু-বন। তটিনী ঊর্মির মর্ম নিয়া শত ভঙ্গে চন্দ্রে নিবেদিয়া — দুর্নিবার প্রেমোচ্ছ্বাসে কণ্ঠ-কল-গীতে ভরা।। মধুর পূর্ণিমা নিশি, পূর্ণপাত্র শিরাজি হস্তে যেন সাকি, জোছনার মদির স্বপ্নে মুকুলিত মাধবীর আঁখি।। গোলাপের স্নিগ্ধগন্ধে অস্থির অন্তর আজি রাত্রি হাসিছে সমাহিত প্রসন্ন সুন্দর। পরিতৃপ্ত চকোরের রুদ্ধ-কণ্ঠ১ লড়িতে চন্দ্রর পান করি শারাব গেলাস-ভরা।।
১. সম্ভবত এখানে কবি আরো কিছু শব্দ যুক্ত করতে চেয়েছিলেন।
রাগঃ
তালঃ
মাঠে আমার ফল্ল ফসল মনের ফসল কই শূন্য মনে আল্লা তোমার পানে চেয়ে রই।। আরব মরুভূমে নবীজীরে পাঠাইলে আমার মনের মরুভূমি বিফল রাখিলে, গরীব ব’লে আমি কি গো বান্দা তব নই।। চাই না যশ মান আমি চাহি না দৌলৎ, আমি চাহি শুধু — তোমার নামেরি সরবত যে যাহা চায় তুমি নাকি তারে তাহাই দাও আমার মানত পূর্ণ ক’রে পরান বাঁচাও, আমি যেন আল্লা নামের তস্বি শুধু বই।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
