তুম প্রেমকে হো ঘনশ্যাম

বাণী

তুম প্রেমকে হো ঘনশ্যাম ম্যায় প্রেম কি শ্যাম-প্যায়ারী।
প্রেমকা গান তুমহারে দান ম্যায় হুঁ প্রেম-ভিখারি।।
	হৃদয় বিচমে যমুনা তীর
	তুমহারি মুরলী বাজে ধীর,
নয়ন নীর কি বহত যমুনা প্রেম সে মাতোয়ারী।।
যুগ যুগ হোয়ে তুমহারি লীলা মেরে হৃদয় বনমে,
তুমহারে সুন্দর-মন্দির মোহন সোহত মেরে মনমে।
	প্রেম-নদী নীর নিত বহি যায়
	তুমহারে চরণ কো কবহুঁ না পায়,
রোয়ে শ্যাম-প্যায়ারী সাথ ব্রিজনারী আও মুরলীধারী।।

তুমি অনেক দিলে খোদা

বাণী

তুমি অনেক দিলে খোদা, দিলে অশেষ নিয়ামত —
আমি লোভী, তাইতো আমার মেটে না হসরত।।
কেবলই পাপ করি আমি — মাফ করিতে তাই, হে স্বামী,
দয়া করে শ্রেষ্ঠ নবীর করিলে উম্মত।
তুমি নানান ছলে করছ পূরণ ক্ষতির খেসারত।।
মায়ের বুকে স্তন্য দিলে, পিতার বুকে স্মেহ;
মাঠে শস্য ফসল দিলে আরাম লাগি' গেহ।  
ঈদের চাঁদের রং মশালে রঙীন বেহেশ্‌ত পথ দেখালে
আখেরেরই সহায় দিলে আখেরী হজরত।
তুমি আজান দিলে না ভুলিতে মসজিদেরই পথ।।

এসো প্রাণে গিরিধারী বন-চারী

বাণী

এসো প্রাণে গিরিধারী বন-চারী
	গোপীজন-মনোহরী।
	চঞ্চল গোকুল-বিহারী।।
লহ নব প্রীতির কদম-মালা
আনন্দ-চন্দন, প্রেম-ফুল-ডালা
নয়নে আরতি-প্রদীপ জ্বালা
	অঞ্জলি লহ আঁখি-বারি।।
প্রণয়-বিহ্বলা প্রাণ-রাধিকা
পরেছে তব নাম কলঙ্ক-টিকা।
অথির অনুরাগ গোপ-বালিকা
	চাহে পথ তোমারি।।

চঞ্চল সুন্দর নন্‌দ্‌ কুমার গোপী

বাণী

চঞ্চল সুন্দর নন্‌দ্‌ কুমার গোপী চিতচোর প্রেম্‌ মনোহর নওল কিশোর।
বাজতাহি মন্‌মে বাঁশুরি কি ঝন্‌কার, নন্‌দ্‌ কুমার নন্‌দ্‌ কুমার নন্‌দ্‌ কুমার।।
শ্রবণ-আনন্দ্‌ বিছুয়া কি ছন্দ রুনুঝুনু বোলে
নন্দ্‌কে আঙ্গ্‌নামে নন্দন চন্দ্রমা গোপাল বন্‌ ঝুমত্‌ ঝুমত্‌ ডোলে,
ডগমগ ডোলে, রাঙ্গা পাঁউ বোলে লঘু হোকে বিরাট ধরতী কা ভার।।
রূপ নেহারনে আয়ে লূকছুপ্‌ দেওতা
কোই গোপ গোপী বনা কোই বৃকশ লতা,
নদী হো বহে লাগে আনন্দ্‌কে আঁসু যমুনা জল সুঁ —
প্রণতা প্রকৃতি নিরালা সাজোয়ে, পূজা কর্‌নে কো ফুল লিয়ে আয়ে বন্‌ডার।।

মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে

বাণী

মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে।
বকুল চাঁপার বেল যুথিকার ঘুম ভাঙাতে।।
	কৃষ্ণ চূড়ার ডালে ডালে
	নাচবে তুমি, এসে সাঁঝ সকালে,
কোকিল ডাকে, আজকে এসো, চাঁদনি রাতে।।

নাটক : ‘সর্বহারা’

আয় নেচে নেচে আয় রে বুকে দুলালী মোর

বাণী

আয় নেচে নেচে আয় রে বুকে দুলালীমোর কালো মেয়ে
দগ্ধ দিনেরবুকে যেমন আসে শীতল আঁধার ছেয়ে।।
	আমার হৃদয়-আঙিনাতে
	খেলবি মা তুই দিনে রাতে
মোর সকল দেহ নয়ন হয়ে দেখবে মা তাই চেয়ে চেয়ে।।
হাত ধরে মোর নিয়ে যাবি তোর খেলাঘর দেখবি মা
এইটুকু তুই মেয়ে আমার কেমন করে হ’স অসীমা।
	লুটে নিবি চতুর্ভূজা
	আমার স্নেহ প্রেম-পূজা
(মা) নাম ধরে তোর ডাকব মা যেই যেথায় থাকিস আসবি ধেয়ে।।