ঈদ মোবারক হোক আজি

বাণী

ঈদ মোবারক হোক আজি ঈদ মোবারক হোক!
সব ঘরে পঁহুচুক এ ঈদের চাঁদের আলোক।।
যে আছে আজ প্রাণের কাছে, আছে আপন পুরে
যে আছে পরদেশে যার লাগি নয়ন ঝুরে
আজ সবারে বারে বারে খোশ খবরি কো’ক্।।
আজের মত দিলে দিলে থাকুক মহাব্বত
আজের মত খুশি থাকুক সবার তবিয়ত্,
কারো যেন থাকে না আর দুঃখ-ব্যথা-শোক।।
আজের মত এক জামাতে মিলন ঈদগাহে
দাঁড়াই যেন চলি যেন খোদারই রাহে,
দীন ইসলামের এ ক্যওমী যোশ জিন্দা হোক।।

আল্লার নাম জপিও ভাই দিবসে ও রেতে

বাণী

		আল্লার নাম জপিও ভাই দিবসে ও রেতে
		সকল কাজের মাঝে রে ভাই তাঁহার রহম পেতে
কোরাস:   	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
		হাত করবে কাজ রে ভাই মন জপবে নাম
	ঐ	নাম জপতে লাগে না ভাই টাকা কড়ি দাম,
		নাম জপো ভাই মাঠে ঘাটে হাটের পথে যেতে।
কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
	ঐ	আল্লার নাম যদি রে ভাই তুমি থাকো ধ’রে
	ঐ	নামও তোমায় থাকবে ধ’রে দুঃখ বিপদ ঝড়ে,
	ঐ	নামেরে সঙ্গী করো নাইতে শুতে খেতে।
কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
		তোমার দেহ মন হবে রে ভাই নূরেতে রওশন
		মাতোয়ারা হও যিকির করো খোদার প্রেমে মেতে।
কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।

চুড়ি কিঙ্কিনী রিনি রিন ঝিনি বীণ বাজায়ে চলে

বাণী

চুড়ি কিঙ্কিনী রিনি রিন ঝিনি বীণ বাজায়ে চলে
শুনি নদীর নীল জলে জোয়ার উথলে।।
বাজে পায়ে পাঁইজোর ঘুঙুর ঝুমুর ঝুমুর
গাহে পাপিয়া পিয়া পিয়া শুনি সে সুর
শত পরান হতে চায় ঐ চরণে নূপুর
হৃদি হতে চায় চাবি তাহার আঁচলে।।
পথিকে বধিতে কি নদীতে সে জলকে যায়
ছল চল বলি তাহার কলসিতে জল ছ’লকে যায়
কাজল-ঘন চোখে বিজলি জ্বালা ঝলকে যায়
মন-পতঙ্গ ধায় ঐ আঁখির অনলে
শুনি নদীর নীল জলে জোয়ার উথলে।।

ঘুম যবে ভাঙবে কন্যা

বাণী

ঘুম যবে ভাঙবে কন্যা (সুখ) স্বপন যাবে টুটে।
ফুল-শয্যার ফুটবে কাঁটা প্রভাতবেলা উঠে।।

নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)

বন-ফুলে তুমি মঞ্জরি গো

বাণী

	বন-ফুলে তুমি মঞ্জরি গো
	তোমার নেশায় পথিক-ভ্রমর ব্যাকুল হ'ল গুঞ্জরি' গো।।
তুমি	মায়ালোকের নন্দিনী ন্দনের আনন্দিনী
তুমি	ধূলির ধরার বন্দিনী, যাও গহন কাননে সঞ্চরি গো।।
	মৃদু পরশ-কুঞ্চিতা তুমি বালিকা
	বল্লভ-ভীতা পল্লব অবগণি্ঠিতা মুকুলিকা।
তুমি	প্রভাত বেলায় মঞ্জরি লাজে সন্ধ্যায় যাও ঝরি'
	অরণ্যা-বল্লরি শোভা, পুণ্য পল্লী-সুন্দরী।।

হুল ফুটিয়ে গেলে শুধু পারলে না হায়

বাণী

হুল ফুটিয়ে গেলে শুধু পারলে না হায় ফুল ফোটাতে।
মৌমাছি যে ফুলও ফোটায় হুল ফোটানোর সাথে সাথে।।
	আঘাত দিলে, দিলে বেদন
	রাঙাতে হায়, পারলে না মন,
প্রেমের কুঁড়ি ফুটল না তাই পড়ল ঝ’রে নিরাশাতে।।
আমায় তুমি দেখলে নাকো, দেখলে আমার রূপের মেলা,
হায় রে দেহের শ্মশান-চারী, শব নিয়ে মোর করলে খেলা।
শয়ন-সাথি হলে আমার, রইলে নাকো নয়ন-পাতে।।
ফুল তুলে হায় ঘর সাজালে, করলে নাকো গলার মালা
ত্যাজি’ সুধা পিয়ে সুরা হলে তুমি মাতোয়ালা,
নিশাস ফেলে নিভাইলে যে-দীপ আলো দিত রাতে।।