কলমা শাহাদতে আছে খোদার জ্যোতি

বাণী

	কলমা শাহাদতে আছে খোদার জ্যোতি
	ঝিনুকের বুকে লুকিয়ে থাকে যেমন মোতি।।
	ঐ কলমা জপে যে ঘুমের আগে
	ঐ কলমা জপিয়া যে প্রভাতে জাগে,
	দুখের সংসার যার সুখময় হয়, তা’র —
তার	মুসিবত আসে নাকো, হয় না ক্ষতি।।
	হরদম জপে মনে কলমা যে জন
	খোদায়ী তত্ত্ব তা’র রহে না গোপন
	দিলের আয়না তার হয়ে যায় পাক সাফ
	আল্লার রাহে তার রহে মতি।
সদা	আল্লার রাহে তার রহে মতি।।
	এসমে আজম হতে কদর ইহার
	পায় ঘরে ব’সে খোদা রসুলের দিদার
	তাহারি হৃদয়াকাশে সাত বেহেশত নাচে
	আল্লার আরশে হয় আখেরে গতি।
তার	আল্লার আরশে হয় আখেরে গতি।

হে মাধব হে মাধব হে মাধব

বাণী

হে মাধব, হে মাধব, হে মাধব!
তোমারেই প্রাণের বেদনা কব তোমারি শরণ লব।।
সুখের সাগরে লহরি সমান
হিল্লোলি’ উঠে যেন তব নমি গান
দুঃখে শোকে কাঁদে যবে প্রাণ যেন নাম না ভুলি তব।।
তুমি ছাড়া বিশ্বে কাহারও কাছে
এ প্রাণ যেন কিছু নাহি যাচে।
যেনতোমারি অধিক কেহ প্রিয় নাহি হয়
বিশ্ব ভুবনে যেন হেনি তুমি-ময়
কলঙ্ক-লাঞ্ছনা যত বাধা ভয় তব প্রেমে সকলি স’ব।।

নিশিদিন তব ডাক শুনিয়াছি মনে মনে

বাণী

নিশিদিন তব ডাক শুনিয়াছি মনে মনে
শ্রবণে শুনিনি আহ্বান তব পবনে শুনেছি বনে বনে।।
	হে বিরহী তব আতাস
	পাণ্ডু করেছে তোমার আকাশ
বিজনে তোমারে করিয়াছি ধ্যান শুধা যে ফিরিনি জনে জনে।।
সকলে যখন ঘুমায়ে পড়েছে আধ রাতে
স্মৃতি মঞ্জুষা খুলিয়া দেখেছি নিরালাতে।
	যদি তব ছবি ম্লান হয়ে যায়
	অশ্রু সলিলে ধুয়ে রাখি তায়
দেবতা তোমারে মৌন পূজায় নীরবে ধেয়াই নিরজনে।।

ভুবনজয়ী তোরা কি হায় সেই মুসলমান

বাণী

ভুবনজয়ী তোরা কি হায়, সেই মুসলমান।
খোদার রাহে আনলো যারা দুনিয়া না-ফরমান।
এশিয়া য়ুরোপ আফ্রিকাতে যাহাদের তক্‌বীর
হুঙ্কারিল, উড়ল যাদের বিজয়-নিশান।।
যাদের নাঙ্গা তলোয়ারের শক্তিতে সেদিন
পারস্য আর রোম রাজত্ব হইল খান-খান।।
শুকনো রুটি খোরমা খেয়ে যাদের খলিফা,
হেলায় শাসন করিল রে অর্ধেক জাহান।।
যাদের নবী কম্‌লিওয়ালা শাহানশাহ্ হয়ে,
আজকে তা’রা বিলাস-ভোগের খুলেছে দোকান।।
সিংহ-শাবক ভুলে আছিস্ শৃগালের দলে,
দুনিয়া আবার পায়ে কি তোর হবে কম্পমান।।

তুই জগত-জননী শ্যামা

বাণী

তুই জগত-জননী শ্যামা আমি কি মা জগত ছাড়া,
কোন দোষে মা তুই থাকিতে আমি চির মাতৃহারা।।
পুত্র অপরাধী ব'লে মা কি তারে নেয় না কোলে,
মা শাসন করে মারে-ধরে তবু কাছ ছাড়া করে না তারা।
কোন দোষে মা তুই থঅকিতে আমি চির মাতৃহারা।।
ছেলের চোখে ঠুলি দিয়ে কি মা নিজেরে লুকিয়ে রাখে
ছেলের দুঃখে মা উদাসীন দেখিনি তো এমন মাকে।
মাতৃস্নেহ পেলে শ্যামা এমন মন্দমতি হতেম না মা
তুই যাহারে হানিস হেলা তার কে মোছাবে নয়ন-ধারা
কোন দোষে মা তুই থাকিতে আমি চির মাতৃহারা।।

খেলে নন্দের-আঙিনায় আনন্দ দুলাল

বাণী

খেলে নন্দের-আঙিনায় আনন্দ দুলাল।
রাঙা চরণে মধুর সুরে বাজে নূপুর-তাল॥
	নবীন নাটুয়া বেশে
	নাচে কভু হেসে হেসে,
যাশোমতীর কোলে এসে দোলে কভু গোপাল॥
‘ননী দে’ বলিয়া কাঁদে কভু রোহিণী-কোলে,
জড়ায়ে ধ’রে কদম তরু তমাল-ডালে দোলে।
	দাঁড়ায়ে ত্রিভঙ্গ হ’য়ে
	বাজায় মুরলী ল’য়ে,
কভু সে চরায় ধেনু বনের রাখাল॥