বাণী
উত্তরীয় লুটায় আমার ধানের ক্ষেতে, হিমেল্ হাওয়ায়। আমার চাওয়া জড়িয়ে আছে নীল আকাশের সুনীল চাওয়ায়॥ ভাটির শীর্ণা নদীর কূলে আমার রবি-ফসল দুলে, নবান্নেরই সুঘ্রাণে মোর চাষির মুখে টপ্পা গাওয়ায়॥
হৈমন্তী
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ তেওড়া
উত্তরীয় লুটায় আমার ধানের ক্ষেতে, হিমেল্ হাওয়ায়। আমার চাওয়া জড়িয়ে আছে নীল আকাশের সুনীল চাওয়ায়॥ ভাটির শীর্ণা নদীর কূলে আমার রবি-ফসল দুলে, নবান্নেরই সুঘ্রাণে মোর চাষির মুখে টপ্পা গাওয়ায়॥
হৈমন্তী
রাগঃ
তালঃ তেওড়া
মোর ঘনশ্যাম এলে কি আজ কালো মেঘের বেশে। দূর মথুরার নীল-যমুনা পার হ’য়ে মোর দেশে।। এলে কালো মেঘের বেশে।। বৃষ্টি ধারায় টাপুর টুপুর বাজে তোমার সোনার নূপুর, বিজলিতে চপল আঁখির চমক বেড়ায় হেসে।। তোমার তনুর সুগন্ধ পাই, যুঁই কেতকীর ফুলে ওগো রাজাধিরাজ! ব্রজে আবার এলে কি পথ ভুলে। মেঘ-গরজনের ছলে ডাকো ‘রাধা রাধা’ বলে বাদল হাওয়ায় তোমার বাঁশির বেদন আসে ভেসে।।
রাগঃ মালবশ্রী
তালঃ দাদ্রা

একি অসীম পিয়াসা শত জনম গেল তবু মিটিল না তোমারে পাওয়ার আশা।। সাগর চাহিয়া চাঁদে চির জনম কাঁদে তেমনি যত নাহি পায় তোমা পানে ধায় অসীম ভালোবাসা।। তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন সেই জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন তোমার স্মৃতি তার মরণের সাথি হয় মেটে না প্রেমের পিয়াসা।।
রাগঃ তিলং মিশ্র
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ শংকর কুমার পাল

আমি বাণিজ্যেতে যাব এবার মদিনা শহর। আমি এদেশে হায় গোনাহ্গারি ছিলাম জীবন ভর।। পাঞ্জেগানার বাজার যেথা বসে দিনে রাতে দু’টি টাকা ‘আল্লাহ্’ ‘রসুল’ পুঁজি নিয়ে হাতে, কত পথের ফকির সওদা ক’রে হ’ল সওদাগর।। সেথা আজান দিয়ে কোরান প’ড়ে ফিরিওয়ালা হাঁকে বোঝাই ক’রে দৌলত দেয়, যে সাড়া দেয় ডাকে ওগো জানেন তাহার পাকে কা’বা খোদার অফিস্-ঘর।।১ বেহেশ্তে রোজগারের পরে ছাড়পত্র পায়, পায় সে সাহস ঈমান-জাহাজ যদি ডুবে’ যায়। ওগো যেতে খোদার খাস্-মহলে পায় সে সিল্মোহর।।
রাগঃ
তালঃ রূপক

মাগো আমি তান্ত্রিক নই তন্ত্র মন্ত্র জানি না মা। আমার মন্ত্র যোগ-সাধনা ডাকি শুধু শ্যামা শ্যামা।। যাই না আমি শ্মশান মশান দিই না পায়ে জীব বলিদান, খুঁজতে তোকে খুজি না মা অমাবস্যা ঘোর ত্রিযামা।। ঝিল্লী যেমন নিশীথ রাতে একটানা সুর গায় অবিরাম তেমনি করে নিত্য আমি জপি শ্যামা তোমারি নাম। শিশু যেমন অনায়াসে জননীরে ভালোবাসে, তেমনি সহজ সাধনা মোর তাতেই পাব তোর দেখা মা।।
রাগঃ
তালঃ একতাল

চাষ কর দেহ জমিতে হবে নানা ফসল এতে। নামাজে জমি ‘উগালে’ রোজাতে জমি ‘সামালে’, কলেমায় জমিতে মই দিলে চিন্তা কি হে এই ভবেতে।। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাতে বীজ ফেল্ তুই বিধি-মতে, পাবি ‘ঈমান’ ফসল তাতে — আর রইবি সুখেতে।। নয়টা নালা আছে তাহার ওজুর পানি সিয়াত যাহার, ফল পাবি নানা প্রকার — ফসল জন্মিবে তাহাতে।। যদি ভালো হয় সে-জমি হজ্ জাকাত লাগাও তুমি, আরো সুখে থাকবে তুমি — কয় নজরুল এসলামেতে।।
লেটো : ‘চাষার সঙ’
রাগঃ
তালঃ