বাণী
বনের হরিণ বনের হরিণ ওরে কপট চোর। কেমন ক’রে করলি চুরি প্রিয়ার আঁখি মোর।। লায়লীরে তুই দেখ্লি কখন কর্লি বদল তোদের নয়ন, ওরে বন হয়েছে স্বর্গ আমার হেরি নয়ন তোর।।
নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক
স্বরলিপি

বনের হরিণ বনের হরিণ ওরে কপট চোর। কেমন ক’রে করলি চুরি প্রিয়ার আঁখি মোর।। লায়লীরে তুই দেখ্লি কখন কর্লি বদল তোদের নয়ন, ওরে বন হয়েছে স্বর্গ আমার হেরি নয়ন তোর।।
নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

কোথায় গেলি মাগো আমার খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে রেখে ক্লান্ত আমি খেলে খেলে এ সংসারে ও-মা ধুলা মেখে।। বলেছিলি সন্ধ্যা হ'লে ধুলা মুছে নিবি কোলে ও-মা ছেলেরে তুই গেলি ছ'লে পাইনে সাড়া ডেকে' ডেকে'।। এ কি খেলার পুতুল মা গো দিয়েছিলি মন ভুলাতে আধেক তাহার হারিয়ে গেছে আধেক ভেঙে আছে হাতে। এ পুতুলও লাগছে মা ভার তোর পুতুল তুই নে গো এবার এখন সন্ধ্যা হলো ও-মা সন্ধ্যা হলো নামলো আঁধার ঘুম পাড়া মা আঁচল ঢেকে।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ দাদ্রা

আমার পায়ের বেড়ি এই সোনার পুরী ভেঙে। যাও গো নিয়ে তোমার দেশে (তোমায়) পাব সেথায় জেগে।। এই যে সাগর এই যে কুমার এই যে তোমার আমি এই যে তুমি স্বপ্নে-পাওয়া মধুমালার স্বামী, (এবার) তোমার হাসির রঙে, আঁধার পুরী উঠুক রেঙে।।
নাটক : 'মধুমালা'
রাগঃ
তালঃ
রুম্ ঝুম্ রুম ঝুম্ কে বাজায় জল-ঝুম্ঝুমি। চমকিয়া জাগে ঘুমন্ত বনভূমি ॥ দুরন্ত অরণ্যা গিরি- নির্ঝরিণী রঙ্গে সঙ্গে ল’য়ে বনের হরিণী, শাখায় শাখায় ঘুম ভাঙায় ভীরু মুকুলের কপোল চুমি’ ॥ কুহু-কুহু কুহরে পাহাড়ি কুহু পিয়াল-ডালে, পল্লব-বীণা বাজায় ঝিরিঝিরি সমীরণ তা’রি তালে তালে। সেই জল-ছলছল সুরে জাগিয়া সাড়া দেয় বন-পারে বাঁশি রাখালিয়া১’, পল্লীর প্রান্তর ওঠে শিহরি’ বলে — ‘চঞ্চলা কে গো তুমি’ ॥
১. ‘বউ কথা কও কোকিল পাপিয়া’ পঙক্তিটি অতিরিক্ত আছে।
রাগঃ নির্ঝরিণী (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ ত্রিতাল

নূরের দরিয়ায় সিনান করিয়া কে এলো মক্কায় আমিনার কোলে ফাগুন-পূর্ণিমা-নিশীথে যেমন আস্মানের কোলে রাঙা চাঁদ দোলে।। কে এলো কে এলো গাহে কোয়েলিয়া, পাপিয়া বুল্বুল্ উঠিল মাতিয়া, গ্রহতারা ঝুঁকে করিছে কুর্নিশ হুরপরী হেসে পড়িছে ঢ’লে।। জিন্নাতের আজ খোলা দরওয়াজা পেয়ে ফেরেশ্তা আম্বিয়া এসেছে ধেঁয়ে তাহ্রীমা বেঁধে ঘোরে দরুদ গেয়ে দুনিয়া টলমল্, খোদার আরশ টলে।। এলো রে চির-চাওয়া এলো আখেরি নবী সৈয়দে মক্কী মদনী আল্-আরবি, নাজেল হয়ে সে যে ইয়াকুত-রাঙা ঠোঁটে শাহ্দতের বাণী আধো আধো বোলে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কত ফুল তুমি পথে ফেলে দাও (প্রিয়) মালা গাঁথ অকারনে আমি চয়েছিনু একটি কুসুম সেই কথা পড়ে মনে।। তব ফুলবনে কত ছায়া দোলে জুড়াইতে চেয়েছিনু তারি তলে চাহিলে না ফিরে চলে গেলে ধীরে ছায়া-ঢাকা অঙ্গনে।। অঞ্জলি পাতি' চেয়েছিনু, তব ভরা ঘটে ছিল বারি শুষ্ক-কন্ঠে ফিরিয়া আসিনু পিপাসিত পথচারী। বহুদিন পরে দাঁড়াইনু এসে তোমারি দুয়ারে উদাসীন বেশে শুকানো মালিকা কেন দিলে তুমি তব ভিক্ষার সনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
