ভেসে আসে সুদূর স্মৃতির সুরভি

বাণী

ভেসে আসে সুদূর স্মৃতির সুরভি হায় সন্ধ্যায়
রহি’ রহি’ কাঁদি’ ওঠে সকরুণ পূরবী, আমারে কাঁদায়।।
কা’রা যেন এসেছিল, এসে ভালোবেসেছিল।
ম্লান হ’য়ে আসে মনে তাহাদের সে-ছবি, পথের ধুলায়।।
কেহ গেল দ’লে – কেহ ছ’লে, কেহ গলিয়া নয়ন নীরে
যে গেল সে জনমের মত গেল চলিয়া এলো না, এলো না ফিরে।
কেহ দুখ দিয়া গেল কেহ ব্যথা নিয়া গেল
কেহ সুধা পিয়া গেল কেহ বিষ করবী তাহারা কোথায় আজ
				তাহারা কোথায়।।

বল প্রিয়তম বল

বাণী

বল প্রিয়তম বল —
মোর নিরাশা-আঁধারে আলো দিতে তুমি কেন দীপ হ’য়ে জ্বল॥
	যত কাঁটা পড়ে মোর পথে যেতে যেতে,
	কেন তুমি তাহা লহ বঁধু বুক পেতে।
যদি ব্যথা পাই বুঝি পথে তাই তুমি ফুল বিছাইয়া চল॥
	বল হে বিরহী,
তুমি আমারে অমৃত এনে দাও কেন নিজে উপবাসী রহি’।
	মোর পথের দাহন আপন বক্ষে নিয়ে,
	মেঘ হয়ে চল সাথে সাথে ছায়া দিয়ে।
মোর ঘুম না আসিলে কেন কাঁদ চাঁদ হয়ে ঢলঢল॥

আয় মা ডাকাত কালী আমার ঘরে

বাণী

	আয় মা ডাকাত কালী আমার ঘরে কর ডাকাতি
	যা আছে সব কিছু মোর লুটে নে মা রাতারাতি॥
আয় মা মশাল জ্বেলে, ও তোর ডাকাত ছেলে ভৈরবেরে করে সাথি
	জমেছে ভবের ঘরে অনেক টাকা যশঃখ্যাতি
কেড়ে মোর ঘরের চাবি, নে মা সবই পুত্র কন্যা স্বজন জ্ঞাতি॥
	মায়ার দুর্গে আমার দুর্গা নামও হার মেনেছে
ভেঙে দে সেই দুর্গ আয় কালিকা তা থৈ নেচে, আয় আয় আয়।
	রবে না কিছুই যখন রইবি শুধু মা ভবানী
	মুক্তি পাব সেদিন টানবো না আর মায়ার ঘানি
	খালি হাতে তালি দিয়ে কালী বলে উঠবো মাতি
	কালী কালী কালী বলে উঠবো মাতি
কালী কালী কালী বলে, খালি হাতে তালি দিয়ে উঠবো মাতি॥

কত ফুল তুমি পথে ফেলে দাও

বাণী

কত ফুল তুমি পথে ফেলে দাও (প্রিয়) মালা গাঁথ অকারনে
আমি চয়েছিনু একটি কুসুম সেই কথা পড়ে মনে।।
	তব ফুলবনে কত ছায়া দোলে
	জুড়াইতে চেয়েছিনু তারি তলে
চাহিলে না ফিরে চলে গেলে ধীরে ছায়া-ঢাকা অঙ্গনে।।
অঞ্জলি পাতি' চেয়েছিনু, তব ভরা ঘটে ছিল বারি
শুষ্ক-কন্ঠে ফিরিয়া আসিনু পিপাসিত পথচারী।
	বহুদিন পরে দাঁড়াইনু এসে
	তোমারি দুয়ারে উদাসীন বেশে
শুকানো মালিকা কেন দিলে তুমি তব ভিক্ষার সনে।।

কালো মেয়ের পায়ের তলায়

বাণী

		কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন।
(তার)		রূপ দেখে দেয় বুক পেতে শিব যার হাতে মরণ বাঁচন।।
			কালো মায়ের আঁধার কোলে
			শিশু রবি শশী দোলে
(মায়ের)	একটুখানি রূপের ঝলক স্নিগ্ধ বিরাট নীল–গগন।।
		পাগলী মেয়ে এলোকেশী নিশীথিনীর দুলিয়ে কেশ
		নেচে বেড়ায় দিনের চিতায় লীলার রে তার নাই কো শেষ।
			সিন্ধুতে মা’র বিন্দুখানিক
			ঠিকরে পড়ে রূপের মানিক
		বিশ্বে মায়ের রূপ ধরে না মা আমার তাই দিগ্‌–বসন।।

আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই

বাণী

পুরুষ	:	আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই যবে
		তুমি মোনাজাত কর গো নীরবে,
স্ত্রী	:	তুমি যে খোদার দেওয়া সওগাত মম বেহেশ্‌তের সাথি।।
পুরুষ	:	তুমি হেরেমের বন্দিনী নহ তুমি যে ঘরের বাতি।
স্ত্রী	:	তুমি যে ঈদের চাঁদ! তব তরে জাগিয়া কাটাই রাতি।।
পুরুষ	:	তুমি নারী আগে আনিলে ঈমান দ্বীন ইসলাম ‘পরে,
স্ত্রী	:	তুমি যে বিজয়ী খোদার রহম আনিয়াছ জয় ক’রে!
পুরুস	:	আজি দুর্বল মোরা তোমারে ত্যজিয়া
স্ত্রী	:	দাঁড়াইব পাশে উঠহ জাগিয়া,
উভয়ে	:	হাতে হাত ধরি’ চলি যদি মোরা জাগিবে নূতন জাতি —
					দুনিয়া আবার উঠিবে মাতি’।।