বাণী
বৃন্দাবনে এ কি বাঁশরি বাজে। গোপিনী উন্মনা, মন নাহি কাজে।। কুলবধূ-ঘটে-ঘটে সে-বাঁশি স্বনে উছলি’ উছলি’ উঠে নীর ক্ষণে ক্ষণে, নয়ন-সলিল ঝরে গাগরি-মাঝে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ কাওয়ালি
বৃন্দাবনে এ কি বাঁশরি বাজে। গোপিনী উন্মনা, মন নাহি কাজে।। কুলবধূ-ঘটে-ঘটে সে-বাঁশি স্বনে উছলি’ উছলি’ উঠে নীর ক্ষণে ক্ষণে, নয়ন-সলিল ঝরে গাগরি-মাঝে।।
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ কাওয়ালি
আয় বিজয়া আয় রে জয়া উমার লীলা যা রে দেখে। সেজেছে সে মহাকালী চোখের কাজল মুখে মেখে।। সে ঘুমিয়েছিল আমার কোলে জেগে উঠে কেঁদে বলে, আমায় কালী সাজিয়ে দে মা ছেলেরা মোর কাঁদছে ডেকে।। চেয়ে দেখি মোর উমা নাই নাচে কালী দিগম্বরী, হুঙ্কার দেয় কোটি গ্রহের মুণ্ডমালা গলায় পরি’। আমি শুধু উমায় চিনি এ কোন্ মহামায়াবিনী, কালোরূপে বিশ্বভুবন আকাশ-পবন দিল ঢেকে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ
যাস্নে মা ফিরে, যাস্নে জননী ধরি দুটি রাঙা পায়। শরণাগত দীন সন্তানে ফেলি’ ধরার ধূলায় (মা) ধরি রাঙা পায়।। (মোরা) অমর নহি মা দেবতাও নহি শত দুখ সহি’ ধরণীতে রহি’, মোরা অসহায়, তাই অধিকারী মাগো তোর করুণায়।। দিব্যশক্তি দিলি দেবতারে মৃত্যু-বিহীন প্রাণ, তবু কেন মাগো তাহাদেরি তরে তোর এত বেশি টান? (আজো) মরেনি অসুর মরেনি দানব ধরণীর বুকে নাচে তান্ডব, সংহার নাহি করি’ সে অসুরে চলে যাস্ বিজয়ায়।।
নাটিকা: ‘বিজয়া’
রাগঃ জৌনপুরী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

(তোমায়) যেমন ক’রে ডেকেছিল আরব মরুভূমি। ওগো আমার নবী প্রিয় আল্ আরবি — তেমনি ক’রে ডাকি যদি আস্বে না কি তুমি।। যেমন কেঁদে’ দজলা ফোরাত নদী ডেকেছিল নিরবধি, হে মোর মরুচারী নবুয়তধারী! তেমনি ক’রে কাঁদি যদি আস্বে না কি তুমি।। (যেমন) মদিনা আর হেরা পাহাড় জেগেছিল আশায় তোমার, হে হজরত মম, হে মোর প্রিয়তম! তেমনি ক’রে জাগি যদি আস্বে না কি তুমি।। মজলুমেরা কাবা ঘরে কেঁদেছিল যেমন ক’রে, হে আমিনা-লালা, হে মোর কম্লিওয়ালা! তেমনি ক’রে চাহি যদি আস্বে না কি তুমি।।
রাগঃ
তালঃ
বেসুর বীণায় ব্যথার সুরে বাঁধ্ব গো পাষাণ-বুকে নিঝর হয়ে কাঁদব গো।। কুলের কাঁটায় স্বর্ণলতার দুল্ব হার, ফণীর ডেরায় কেয়ার কানন ফাঁদ্ব গো।। ব্যাধের হাতে শুনব সাধের বঙশী-সুর, আস্লে মরণ চরণ ধ’রে সাধব গো।।
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা

পান্সে জোছ্নাতে কে চল গো পানসি বেয়ে’। ঢেউ-এর তালে তালে বাঁশিতে গজল গেয়ে’।। মেঘের ফাঁকে ফোটে বাঁকা শশীর চিকন হাসি, উজান বেয়ে চল তুমি কি তার চোখে চেয়ে।। ও-পারে লুকায়ে আঁধার গভীর ঘন বন-ছায়, আকাশে হেলান দিয়ে আলসে পাহাড় ঘুমায়। ঘুমায়ে দূরে সে কোন গ্রাম বাসরে পল্লী-বধূর প্রায় এ-পারে ধূ-ধূ বালুচর যেন নদীর আঁচল লুটায়। ছাড়ি’ এ সুখ-বাস চলেছ কোথায় গো নেয়ে।। নদীর দু’তীরে টানে বেতস-লতা উত্তরীয়, চমকি’ উঠি’ চখি ডাকে মুহু মুহু ‘কিও!’ চকোরী চাঁদে ভুলি’ চাহে তব মুখপানে, কেঁদে পাপিয়া শুধায়, ‘পিউ কাঁহা, কাঁহা পিও।’ তুমি যাও আপন-বিভোল স্বপনে নয়ন ছেয়ে’।।
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
