হে প্রিয়তম অন্তরে মম রোদনের একি ঢেউ

বাণী

হে প্রিয়তম অন্তরে মম রোদনের একি ঢেউ নিশিদিন দুলে।
নদী-স্রোতের মত মোরে টানিয়া আনিলে কোন্ বিরহের সাগর কূলে।।
	আঁধার বনে ছিনু বনলতা একা
	কেন ফুল ফোটালে কেন দিলে দেখা,
অসহ বেদনার এত মধু দিলে যদি বুকে কেন নিলে না তুলে’।।
	বাহির ভুবনে রহ যেন তুমি উদাসী
	অন্তরে বসি’ চোর বাজাও বাঁশি,
এই মন হয়ে ওঠে বিরহ-বৃন্দাবন, লোক লাজ গৃহ কাজ সব যাই ভুলে।।

সঙ্গীতালেখ্য : ‘ঠুংরির জলসা’

কুহু কুহু কুহু কুহু কোয়েলিয়া

বাণী

কুহু কুহু কুহু কুহু কোয়েলিয়া
কুহরিল মহুয়া-বনে
চমকি জাগিনু নিশীথ শয়নে।।
শূন্য ভবনে মৃদুল সমীরে
প্রদীপের শিখা কাঁপে ধীরে ধীরে
চরণ-চিহ্ন রাখি দলিত কুসুমে
	চলিয়া গেছ তুমি দূর-বিজনে।।
বাহিরে ঝরে ফুল আমি ঝুরি ঘরে
বেণু-বনে সমীরণ হাহাকার করে
ব’লে যাও কেন গেলে এমন ক’রে
	কিছু নাহি ব’লে সহসা গোপনে।।

ও কে বিকাল বেলা ব’সে

বাণী

ও কে বিকাল বেলা ব’সে নিরালা বাঁধিছে কেশ।
হেরি’ আর্শিতে নিজেরই চারু-মুখ (চোখে) জাগে আবেশ।।
বসনের শাসন নাই অঙ্গে তাহার
উথ্‌লে পড়ে মুক্ত-দেহে যৌবন-জোয়ার,
খুলে’ খুলে’ পড়ে কেশের কাঁটা বেণীর লেশ।।
আঙুলগুলি নাচের ভঙ্গিতে,
খেলে বেড়ায় বেণীর বিনুনিতে।
কভু বাঁকায় ভুরু কভু বাঁকায় গ্রীবা
ঠিক্‌রে পড়ে আয়নায় রূপের বিভা,
জাগে সহসা গালে তা’র সিঁদুর-ডিবার রঙের রেশ।।