ফুরিয়ে এলো রমজানেরি মোবারক মাস

বাণী

ফুরিয়ে এলো রমজানেরি মোবারক মাস
আজ বাদে কাল ঈদ তবু মন করে উদাস।।
রোজা রেখেছিলি, হে পরহেজগার মোমিন!
ভুলেছিলি দুনিয়াদারি রোজার তিরিশ দিন;
তরক করেছিলি তোরা কে কে ভোগ-বিলাস।।
সারা বছর গুনাহ যত ছিল রে জমা,
রোজা রেখে খোদার কাছে পেলি সে ক্ষমা,
ফেরেশতা সব সালাম করে কহিছে সাবাস।।

নাটিকাঃ ‘ঈদল ফেতর’

সুনয়না চোখে কথা ক’য়ে যায়

বাণী

সুনয়না চোখে কথা ক’য়ে যায়
বনের রানী, দুটি ফুলে শুনি
নয়ন ফাঁকে প্রাণ লুকিয়ে চায়॥
দেহ দেউলে, দুটি দীপ দুলে
হেরি সারা অন্তর তায়॥

বর্ণচোরা ঠাকুর এলো রসের নদীয়ায়

বাণী

	বর্ণচোরা  ঠাকুর এলো রসের নদীয়ায়
	তোরা দেখবি যদি আয়
তারে	কেউ বলে শ্রীমতি রাধা কেউ বলে সে শ্যামরায়।।
	কেউ বলে তার সোনার অঙ্গে রাধা-কৃষ্ণ খেলেন রঙ্গে;
ওগো	কেউ বলে তায় গৌর-হরি কেউ অবতার বলে তায়।।
তার	ভক্ত তারে ষড়ভুজ শ্রী নারায়ণ বলে,
কেউ	দেখেছে শ্রীবাসের ঘরে কেউ বা নীলাচলে।
	দুই হাতে তার ধনুর্বাণ ঠিক যেন শ্রীরাম,
	দুই হাতে তার মোহন বাঁশি যেন রাধা-শ্যাম,
	আর দু'হাতে দণ্ড ঝুলি নবীন সন্ন্যাসীরই প্রায়।।

রূপের দীপালি-উৎসব আমি দেখেছি

বাণী

	রূপের দীপালি-উৎসব আমি দেখেছি তোমার নয়ন অঙ্গে।
	শথ ফুলশর মুরছায় প্রিয়া, তোমার নয়ন-ভঙ্গে।।
		যে আঁখি পরম সুন্দরে দেখিয়াছে
		সেই আঁখি কাঁদে তোমার পায়ের কাছে,
	দেখেছে সে-আঁখি, বিশ্ব দুলিছে তোমার রূপ-তরঙ্গে।।
	তোমারে দেখিতে আমার আকাশ আনত হইয়া কাঁদে,
(তব)	মণিহার হ’তে বিবাদ করে গো কোটি গ্রহ তারা চাঁদে।
	তুমি দেখিতে যদি গো আপন রূপের আলো
	আমারে ভুলিয়া নিজেরে বাসিতে ভালো,
	তোমারে আড়াল করিয়া গো তাই ছায়া-সম ফিরি সঙ্গে।।

আমি চাঁদ নহি চাঁদ নহি অভিশাপ

বাণী

	আমি চাঁদ নহি, চাঁদ নহি অভিশাপ
	শূন্য হৃদয়ে আজো নিরাশায় আকাশে করি বিলাপ।।
		শত জনমের অপূর্ণ সাধ ল'য়ে
আমি	গগনে কাদিঁ গো ভুবনের চাঁদ হয়ে
	জোছনা হইয়া ঝরে গো আমার অশ্রু বিরহ-তাপ।।
	কলঙ্কহয়ে বুকে দোলে মোর তোমার স্মৃতির ছায়া
	এত জোছনায় ঢাকিতে পারিনি তোমার মধুর মায়া।
		কোন সে সাগর মন্থন শেষে মোরে
		জড়াইয়া যেন উঠেছিলে প্রেমভরে
হায়	তুমি গেছ চলে বুকে তবু দোলে তব অঙ্গের ছাপ।।

শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী

বাণী

শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী।
মানস মধু-বনে মধুমাধবী সুরে মুরলী বাজাও বনচারী।।
মধুরাতে হে হৃদয়েশ মাধবী চাঁদ হয়ে এসো,
হৃদয়ে তুলিও ভাবেরই উজান রস-যমুনা-বিহারী।।
অন্তর মন্দিরে প্রীতি ফুলশয্যায় বিলাস কর লীলা-বিলাসী,
আঁখির প্রদীপ জ্বালি' শিয়রে জাগিয়া রব শ্যাম, তব রূপ-পিয়াসি।
যত সাধ আশা গেল ঝরিয়া, পর তাই গলে মালা করিয়া;
নূপুর করিব তব চরণে গাঁথি' মম নয়নের বারি।।