জয় জয় মা গঙ্গা পতিত পাবনী

বাণী

জয় জয় মা গঙ্গা পতিত পাবনী ভাগীরথী।
হর-শির-বিহারিণী সুরেশ্বরী অগতির গতি।।
মৃতু সাগরের দেশে প্রাণদাত্রী তুমি
তোমার পুণ্যে হল তীর্থ ভারতভূমি,
পাপ-নিবারিণী কলুষ-হারিণী ত্রিলোকতারিণী
		মাগো লহ প্রণতি।।

ওমা দুঃখ-অভাব-ঋণ যত মোর

বাণী

(ওমা)	দুঃখ-অভাব-ঋণ যত মোর (শ্যামা) রাখলাম তোর পায়ে।
(এবার)	তুই দিবি মা, ভক্তের তোর সকল ঋণ মিটায়ে।।
		মাগো		সমন হাতে মোর মহাজন
				ধরতে যদি আসে এখন,
		তোরই পায়ে পড়বে বাঁধন ছেলের ঋণের দায়ে।।
ওমা		সুদ আসলে এ সংসারের বেড়েই চলে দেনা,
এবার		ঋণ মুক্তির তুই নে মা ভার, রইব তোরই কেনা।
				আমি আমার আর নহি ত
		(আমি)	তোর পায়ে যে নিবেদিত,
এখন		তুই হয়েছিস্ জামিন আমার দে ওদের বুঝায়ে।।

রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ রুম্ ঝুম্ ঝুম্

বাণী

রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ রুম্ ঝুম্ ঝুম্
	খেজুর পাতার নূপুর বাজায়ে কে যায়।
ওড়না তাহার ঘূর্ণি হাওয়ায় দোলে
	কুসুম ছড়ায় পথের বালুকায়।।
তার ভুরুর ধনুক বেঁকে ওঠে তনুর তলোয়ার,
সে যেতে যেতে ছড়ায় পথে পাথর-কুচির হার।
তার ডালিম ফুলের ডালি গোলাপ-গালের লালি
			ঈদের-চাঁদ ও চায়।।
আরবি ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে, বাদ্‌শাজাদা বুঝি
সাহারাতে ফেরে সেই মরীচিকা খুঁজি
কত তরুণ মুসাফির পথ হারালো, হায়!
কত বনের হরিণ মরে তারি-রূপ তৃষায়।।

সিনেমাঃ‘চৌরঙ্গী’

মরণ ডাকে আয় রে চ’লে

বাণী

মরণ ডাকে — ‘আয় রে চ’লে!’ জীবন বলে — ‘যাই গো যাই।’
জীবনে হায় পায়নি ব’লে (আমার) মরণে তাই চাই গো চাই।।
	জীবন শুধু কাঁটায় ভরা
	তাই বুঝি সে দেয়নি ধরা,
ফুল-বিছানো কবরে তার মধুর পরশ পাই গো পাই।
মরণ-বঁধূর ডাক শুনে আর জীবনে সাধ নাই গো নাই।।

নাটকঃ ‘কাফন চোরা’

নিশীথ রাতে ডাক্‌লে আমায়

বাণী

নিশীথ রাতে ডাক্‌লে আমায়, কে গো তুমি কে?
কাঁদিয়ে গেলে আমার মনের বনভূমিকে,
		কে গো তুমি কে।।
	তোমার আকুল করুণ স্বরে
	আজকে তা’রেই মনে পড়ে,
এম্‌নি রাতে হারিয়েছি যে হৃদয়-মণিকে।।
দুয়ার খু’লে চেয়ে আছি১ তারার পানে দূরে,
আর একটিবার ডাকো ডাকো তেম্‌নি করুণ সুরে।
	একটি কথা শুন্‌ব ব’লে
	রাত কেটে যায় চোখের জলে,
দাও সাড়া দাও, জাগিয়ে তোলো আঁধার পুরীকে।।

১. থাকি

খাতুনে জান্নাত ফাতেমা জননী

বাণী

খাতুনে জান্নাত ফাতেমা জননী — বিশ্ব-দুলালী নবী নন্দিনী,
মদিনাবাসিনী পাপতাপ নাশিনী উম্মত-তারিণী আনন্দিনী।।
	সাহারার বুকে মাগো তুমি মেঘ-মায়া,
	তপ্ত মরুর প্রাণে স্নেহ-তরুছায়া;
মুক্তি লভিল মাগো তব শুভ পরশে বিশ্বের যত নারী বন্দিনী।।
হাসান হোসেনে তব উম্মত তরে, মাগো
কারবালা প্রান্তরে দিলে বলিদান,
বদলাতে তার রোজ হাশরের দিনে
চাহিবে মা মোর মত পাপীদের ত্রাণ।
	এলে পাষাণের বুকে চিরে নির্ঝর সম,
	করুণার ক্ষীরধারা আবে-জমজম;
ফিরদৌস হ’তে রহমত বারি ঢালো সাধ্বী মুসলিম গরবিনী।।