বাণী
ঘুম আয় ঘুম, ঘুম ঘুম ঘুম। আকাশ-বাতাস জল থল উপবন সব হোক নিঝ্ঝুম।। শান্ত হোক সব অশান্ত কলরোল রে পথিক! জীবন-পথের ক্লান্তি ভোল্ নয়নে লাগুক সুখ-স্বপনের কুঙ্কুম।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরী স্বপনপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ঘুম আয় ঘুম, ঘুম ঘুম ঘুম। আকাশ-বাতাস জল থল উপবন সব হোক নিঝ্ঝুম।। শান্ত হোক সব অশান্ত কলরোল রে পথিক! জীবন-পথের ক্লান্তি ভোল্ নয়নে লাগুক সুখ-স্বপনের কুঙ্কুম।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরী স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
নিশীথ নিশীথ জাগি’ গোঁয়ানু রাতি। জ্বলিয়া জ্বলিয়া নেভে শিয়রের বাতি।। সারাদিন গাঁথি মালা তুলিয়া কুসুম পথ চাহি চাহি ক’রে চোখে আসে ঘুম, রহে পড়ি’ নব শেজ কুসুমের পাঁতি।। আমার কাননে আসি’ অলি যায় ফিরে গাহি গান ফেরে সাঁঝে পাখি সব নীড়ে, একেলা রহি গো শুধু আমি বিনা সাথি।।
রাগঃ গৌড়-সারং
তালঃ যৎ
যত নাহি পাই দেবতা তোমায় , তত কাঁদি আর পূঁজি। ত্ই লুকাও ধরা নাহি দাও, ততই তোমারে খুঁজি কত সে রূপের রঙের মায়ায়, আড়াল করিয়া রাখ আপনায় তবু তব পানে অশান্ত মন কেন ধায় নাহি বুঝি।। কাঁদালে যদি গো এমন করিয়া কেন প্রেম দিলে তবে অন্তবিহীন এ লুকোচুরির শেষ হবে নাথ কবে? সহে না হে নাথ বৃথা আসা যাওয়া- জনমে জনমে এই পথ চাওয়া কাঁদিয়া কাঁদিয়া ফুরায়ে গেল চোখের জলের পুঁজি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ব্রজে আবার আসবে ফিরে আমার ননী-চোরা আর কাঁদিস্নে গো তোরা। স্বভাব যে ওর লুকিয়ে থেকে কাঁদিয়ে পাগল করা — আর কাঁদিস্নে গো তোরা। আমি যে তার মা যশোদা সে আমারেই কাঁদায় সদা, যেই কাঁদি সে যায় যে ভুলে বনে বনে ঘোরা॥ মথুরাতে আমার গোপাল রাজা হ’ল নাকি, যেখানে যায়, সে রাজা হয় (তোরে) ভুল দেখেনি আঁখি। সে রাজা যদি হয়েই থাকে তাই ব’লে কি ভুলবে মাকে, আমি হব রাজ-মাতা, তাই ওর রাজবেশ পরা॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সখি, সেই ত পুষ্প-শোভিতা হ’ল আবার মাধবীলতা। মাধবী চাঁদ উঠেছে আকাশে, আমার মাধব কোথা। রাধা আজ নিরাধারা সখি রাধামাধব কোথা। মধুপ গুঞ্জরে মালতী-বিতানে, নূপুর-গুঞ্জরণ নাহি শুনি কানে। মোর মনো-মধুবনে মধুপ কানু কই – আনন্দ-রাস নাই – রাসবিহারী নাই, আমি আর রাধা নই। সখি পূর্ণ রাসে আমি জনম লভিয়া পুষ্প আহরণ তরে, কৃষ্ণ-পূজার লাগি পুষ্প আহরণ তরে ধেয়েছিনু বনে অনুরাগ ভরে, বৃন্দাবনচারী কৃষ্ণে না পেয়ে, রাধা কাঁদে ব্রজ-পথে ধেয়ে ধেয়ে – ‘প্রাণবল্লভ আমার কই গো, সখি আমায় বলে দে গো।’ রাধা হ’ল আজি অশ্রুর ধারা কৃষ্ঞ-আনন্দিনী রাধা বিনোদিনী কবে হবে শ্রীকৃষ্ণ-হারা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

দূর আজানের মধুর ধ্বনি বাজে বাজে মসজিদেরই মিনারে। এ কী খুশির অধীর তরঙ্গ উঠলো জেগে’ প্রাণের কিনারে।। মনে জাগে হাজার বছর আগে ডাকিত বেলাল এমনি অনুরাগে, তাঁর খোশ এলেহান, মাতাইত প্রাণ গলাইত পাষাণ ভাসাইত মদিনারে প্রেমে ভাসাইত মদিনারে।। তোরা ভোল গৃহকাজ, ওরে মুসলিম থাম চল খোদার রাহে, শোন, ডাকিছে ইমাম। মেখে’ দুনিয়ারই খা, বৃথা রহিলি না-পাক, চল মসজিদে তুই, শোন মোয়াজ্জিনের ডাক, তোর জনম যাবে বিফলে যে ভাই এই ইবাদতে বিনা রে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
