আমি মুসলিম যুবা

বাণী

পুরুষ	:	(আমি) মুস্‌লিম যুবা, মোর হাতে বাঁধা আলির জুল্‌ফিকার।
স্ত্রী	:	(আমি) মুস্‌লিম নারী জ্বালিয়া চেরাগ ঘুচাই অন্ধকার।।
পুরুষ	:	ধরিয়া রাখিতে দীনের নিশান
		আনন্দে করি জান কোরবান,
স্ত্রী	:	কত ছেলে মোর শহীদ হয়েছে মরুতে কারাবালার।
				আমি নন্দিনী মা ফাতেমার।।
পুরুষ	:	য়ুরোপ-এশিয়া-আফ্রিকা জুড়ে ছড়ানু খোদার বাণী,
স্ত্রী	:	মোর একা গৃহ-মক্কাতে আমি আনি জম্‌জম্‌ পানি।
পুরুষ	:	(আমি) জিনিব পৃথিবী আছে মোর আশা
স্ত্রী	:	(আমি) প্রাণে দেই তেজ, বুকে ভালোবাসা,
পুরুষ	:	আমি মুস্‌লিম যুবা
স্ত্রী	:	আমি মুস্‌লিম নারী,
উভয়ে	:	দুইধারী তলোয়ার।।

জগতের নাথ তুমি তুমি প্রভু প্রেমময়

বাণী

জগতের নাথ তুমি, তুমি প্রভু প্রেমময়।
আমি জগতের বাহিরে নহি দেহ চরণে আশ্রয়।।
যাহাদের তরে আমি খাটিনু দিবস-রাতি,
(আমার)যাবার বেলায় কেহ তাদের হ’ল না সাথের সাথি।
সম্পদ মোর পাঁচ ভূতে খায়, কর্ম কেবল সঙ্গে রয়।।
ভুলিয়া সংসার মোহে লই নাই তোমারি নাম —
তরাতে এমন পাপী পাবে না হে ঘনশ্যাম।
শুনেছি তোমারে যদি কাঁদিয়া কেহ ডাকে —
তুমি অমনি তারে কর ক্ষমা চরণে রাখ তাকে।
আমি সেই আশাতে এসেছি নাথ যদি তব কৃপা হয়।।

ওরে তরু তমাল শাখা

বাণী

ওরে	তরু তমাল শাখা।
আছে	পল্লবে তোর মোর বল্লভ কৃষ্ণ কান্তি মাখা।
আমি	তাইতো তমাল কুঞ্জে আসি
	তাইতো তমাল ভালোবাসি,
তোর	পথ-ছায়ায় আছে যে তার (কৃষ্ণ) চরণ-চিহ্ন আঁকা।।
	তোর চূড়ায় ময়ূর নাচে,
যেন	কৃষ্ণ-ময়ূর পাখা তাই দেখে পরান বাঁচে —
	কৃষ্ণহারা পরান আমার বাঁচে।
	তোর শাখাতে স্বর্ণ-লতা দোলে
	আমি ভাবি শ্যামের পীত বসন বলে,
মোর	অঙ্গ যেন থাকে রে তোর কালো ছায়ায় ঢাকা
তোর	ছায়া নয় রে শ্যামের ছোঁওয়া, যেন শ্যামের শীতল ছোঁওয়া।।

জল ছল ছল এসো মন্দাকিনী

বাণী

জল ছল ছল এসো মন্দাকিনী।
রস-ঢলঢল বারি-সঞ্চারিণী।।
হৃদয়-গগন আজি তৃষ্ণা-ভরে
উতল হইল প্রেম-গঙ্গা-তরে,
মুদিত নয়ন খোলো বৈরাগিনী।।
বিরস ভুবন রাখ সঞ্জীবিতা
সজল সলিল আনো হিল্লোলিতা,
ঝর ঝর ঝর স্রোত-উন্মাদিনী।।

তোমায় কূলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে

বাণী

		তোমায় কূলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে।
আমি		কাঁটা হয়ে রই নাই বন্ধু তোমার পথের তলে॥
আমি		তোমায় ফুল দিয়েছি কন্যা তোমার বন্ধুর লাগি’
		যদি আমার শ্বাসে শুকায় সে ফুল তাই হলাম বিবাগী।
		আমি বুকের তলায় রাখি তোমায় গো, ওরে শুকায়নি ক’ গলে॥
(ওই)	যে-দেশ তোমার ঘর্‌ রে বন্ধু সে দেশ হতে এসে,
আমার	দুখের তরী দিছি ছেড়ে, (বন্ধু) চলতেছে সে ভেসে।
এখন		যে-পথে নাই তুমি বন্ধু গো, তরী সেই পথে মোর চলে॥

মহুয়া বনে আধো নিশিীথ রাতে

বাণী

মহুয়া বনে আধো নিশিীথ রাতে বেণুকা বাজায়ে
	ডাকে গো মোরে কোন বিরহী
সে মানা মানে না, সখি সে কি জানে না
	আমি ভবনের বধূ, বন-বালিকা নহি।।
বন-কেতকী ব’লে তারে চাতকী জানে
তাই কাঁদিয়া মরে চেয়ে মেঘের পানে,
বলে যমুনার জল, ওর ডাক সে যে ছল,
	তাই রোদনের স্রোত হয়ে অকূলে বহি।।

নাটক : ‘মদিনা’