মোরে ভালোবাসায় ভুলিয়ো না

বাণী

মোরে	ভালোবাসায় ভুলিয়ো না
			পাওয়ার আশায় ভুলিয়ো
মোরে	আদর দিয়ে দুলিয়ো না
			আঘাত দিয়ে দুলিয়ো।।
		হে প্রিয় মোর একি মোহ
		এ প্রাণ শুধু চায় বিরহ
তুমি	কঠিন সুরে বেঁধে আমায়
			সুরের লহর তুলিয়ো।।
প্রভু	শান্তি চাহে জুড়াতে সব
			আমি চাহি পুড়িতে
		সুখের ঘরে আগুন জ্বেলে’
		পথে পথে ঝুরিতে;
		বঁধু	পথে পথে ঝুরিতে।
			নগ্ন দিনের আলোকেতে
			চাহি না তোমায় ব’ক্ষে পেতে
তুমি	ঘুমের মাঝে স্বপনেতে
			হৃদয়–দুয়ার খুলিয়ো।।

আঁখি-পাতা ঘুমে জড়ায়ে আসে

বাণী

আঁখি-পাতা ঘুমে জড়ায়ে আসে
ওগো চাঁদ জাগিয়া থেকো সুদূর আকাশে।।
জাগিয়া থেকো কবরীর মালা
পথ যেন পায় সে তোমার সুবাসে।।

ও ভাই হাজি! কোন্ কাবা ঘর

বাণী

ও ভাই হাজি! কোন্ কাবা ঘর হজ করিয়া এলে।
গিয়ে কি ভাই খোদায় পাওয়ার পথের দিশা পেলে।।
খোদার ঘরের দিদার পেয়ে বল কেমন ক’রে
ফিরে এলে দুনিয়াদারীর এই না-পাক ঘরে,
কেউ বলেছে কি কোন্ কাবাতে গেলে খোদায় মেলে।।
খেলেছিলেন নবীজী যে-মক্কা মদিনায়
বেহোঁশ হয়ে পড়নি কি পৌঁছিয়া সেথায়,
কেমন ক’রে ফিরে এলে সেই মদিনা ফেলে
এই দুনিয়ার কারবালাতে অধিক তৃষা আরো
এনেছ কি আব্হায়াতের পানি? দিতে পারো?
মোর আঁধার ঘরে দিতে পারো নূরের চেরাগ জ্বেলে?

বলেছিলে ভুলিবে না মোরে

বাণী

বলেছিলে ভুলিবে না মোরে।
ভুলে গেলে হায়, কেমন ক’রে।।
নিশীথের স্বপনে কে যেন কহে
ধরণীর প্রেম সে কি স্মরণে রহে,
ফুলের মতন ফুটে যায় রে ঝ’রে।।
বোঝে না বিরহী মন অসহায়,
যত নাহি পায় তত জড়াইতে চায়।
যত দূরে যাও তত, তব গাওয়া গান
কেন স্মৃতিপথে এসে কাঁদায় এ প্রাণ,
আঁখিতে দেখি না দেখি আঁখির লোরে।।

আমি পথ-ভোলা ভিনদেশি গানের পাখি

বাণী

আমি	পথ-ভোলা ভিনদেশি গানের পাখি
	তোমাদের সুরের সভায় এই অজানায় লহ গো ডাকি'।।
	তোমরা বেঁধেছে বাসা যে তরু-শাখায়
	আমারে বসিতে দিও তাহারি ছায়ায়
	গাহিবার আছে আশা, জানি না গানের ভাষা
তবু	ভালোবাসা দিয়ে বাঁধ গো রাখি।।
	মায়াময় তোমাদের তরুলতা, ফুল
	তোমাদের গান শুনে' পথ হ'ল ভুল।
	যেন শতবার এসে' জন্মেছি এই দেশে-
বন্ধু	হে বন্ধু, অতিথিরে চিনিবে না-কি।।

ওহে রসিক রসাল কদলী

বাণী

ওহে রসিক রসাল কদলী।
ভাবুকের তুমি ভাবের আধার পেটুকের প্রাণ-পুতলী।।
আহা, তুমি যুগে যুগে বর্তমান
বৃন্দাবনে মোহন বাঁশি বাঙলায় মর্তমান।
বহুরূপী তুমি বহুনামধারী চম্প বীচে কাঁঠালি।।
তোমার কাঁচকলা রূপের উপাসক পেট-রোগা যত ভক্ত,
ঝোলে কি ভাজায় তোমারে সাজায় (তুমি) মজাও পলতা শুক্ত।
নৈবেদ্যে ও আদ্য শ্রাদ্ধে দয়াময়, জগতের যত নর-বানর
তোমার কৃপার কাঙালি।।

কৌতুক নাটিকা : ‘পণ্ডিত মশায়ের ব্যাঘ্র শিকার’