বাণী
বনপথে কে যায়। মনে হয় যেন তারে চিনি আমি হায়।। ছন্দে জাগায়ে সে-নিশীথ নিঝুম বাজে নূপুর তার রুমা ঝুমা ঝুম্, জাগে নিশীথিনী এলোচুলে পাষাণ বুকে নির্ঝর জাগায়।।
রাগ ও তাল
রাগঃ চন্দ্রকোষ
তালঃ ত্রিতাল
বনপথে কে যায়। মনে হয় যেন তারে চিনি আমি হায়।। ছন্দে জাগায়ে সে-নিশীথ নিঝুম বাজে নূপুর তার রুমা ঝুমা ঝুম্, জাগে নিশীথিনী এলোচুলে পাষাণ বুকে নির্ঝর জাগায়।।
রাগঃ চন্দ্রকোষ
তালঃ ত্রিতাল
প্রিয় তুমি কোথায় আজি কত সে দূর। প্রাণ কাঁদে ব্যথায় বিরহ-বিধুর।। স্বপন-কুমারী, স্বপনে এসে মিশাইলে কোন্ ঘুমের দেশে তড়িত-শিখা ক্ষণিক হেসে লুকালে মেঘে আঁধারি’ হৃদি-পুর।। আপনা নিয়ে ছিনু একেলা কোন্ সে কূলে ভিড়ালে ভেলা জীবন নিয়ে মরণ-খেলা খেলিতে কেন আসিলে নিঠুর।। ঊষার গাঙে গাহন করি’ দাঁড়ালে নভে রঙের পরী প্রেমের অরুণ উদিল যবে মিশালে নভে, হে লীল-চতুর।।
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা

পিও শরাব পিও! তোরে দীর্ঘ সে কাল গোরে হবে ঘুমাতে সে তিমির-পুরে তোর বন্ধু স্বজন প্রিয়া রবে না সাথে।। পিও নিমেষ-মধু! পুন গাহিব না কা’ল আজি যে গীত গাহি। শোনো শোনো মোর গান — ‘রাতে শুকাল যে গুল্ হাসিবে না সে প্রাতে’।। ওরা কহিছে সদাই — ‘পাবি মোহিনী হুরী’, শোনো আমার বাণী — ‘ওরে মধুরতর এই আঙুর-পানি এই পান্শালাতে।। ধর্ নগ্দা যা পাস্, মিছে র’স্নে ব’সে বাকি পাওনা-আশায়, দূরে মৃদঙ বাজে শুধু ফাঁকা আওয়াজে তোর মন ভোলাতে।।
রাগঃ ভৈরোঁ
তালঃ কাওয়ালি
আমি হব মাটির বুকে ফুল প্রভাত বেলা হয়ত পাব তোমার চরণ মূল।। ঠাঁই পাব গো তোমার থালায় রইব তোমার গলার মালায় সুগন্ধ মোর মিশবে হাওয়ায় আনন্দ আকুল।। আমার রঙে রঙিন হবে বন পাখির কণ্ঠে আনব আমি গানের হরষণ। নাই যদি নাও তোমার গলে তোমার পূজা বেদীর তলে শুকাবে গো সেই হবে মোর মরণ অতুল।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

স্বাগতা কনক-চম্পক বর্ণা। ছন্দিতা চপল নৃত্যের ঝর্না।। মঞ্জুলা বিধুর যৌবন-কুঞ্জে যেন ও-চরণ-নূপুর গুঞ্জে, মন্দিরা মুরলী-শোভিত হাতে এসো গো বিরহ-নীরস-রাতে, হে প্রিয়া করিব প্রাণ অপর্ণা।।
রাগঃ
তালঃ স্বাগতা (১৬ মাত্রা)
আসিয়া কাছে গেলে ফিরে কেন আসিয়া কাছে গেলে ফিরে।। মুখের হাসি সহসা কেন নিভে গেল আঁখি নীরে ফুটিতে গিয়া কোন কথার মুকুল ঝরে গেল অধরের তীরে।। ঝড় উঠিয়াছে বাহির ভুবনে আঁধার নামে বন ঘিরে যে কথা বলিলে না-ব'লে যাও বিদায়-সন্ধ্যা তিমিরে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা
