বাণী
সখি দখিনা মলয় ঝিরি ঝিরি বয় কানে কথা কয় ধীরে ধীরে ধীরে। চোখের মতন কেন ঘোরে অকারণ আমার ফুলবন ঘিরে।। সখি! ব’লে দিস্ মলয়ারে, যেন সে আসে না চাঁদের প্রিয়া আমি চৈতালি হেনা, করুণা যাচে কেন মোর কাছে ফিরে ফিরে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
সখি দখিনা মলয় ঝিরি ঝিরি বয় কানে কথা কয় ধীরে ধীরে ধীরে। চোখের মতন কেন ঘোরে অকারণ আমার ফুলবন ঘিরে।। সখি! ব’লে দিস্ মলয়ারে, যেন সে আসে না চাঁদের প্রিয়া আমি চৈতালি হেনা, করুণা যাচে কেন মোর কাছে ফিরে ফিরে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগঃ
তালঃ
চঞ্চল সুন্দর নন্দকুমার। গোপী চিতচোর প্রেম-মনোহর নওল কিশোর অন্তর মাঝে বাজে বেণু তার নন্দকুমার নন্দকুমার, নন্দকুমার॥ শ্রাবণ আনন্দ নূপুর ছন্দ রুনুঝুনু বাজে নন্দের আঙিনায় নন্দন চন্দ, নাচিছে হেলে দুলে গোপাল সাজে। টলমল টলে রাঙা পদতলে লঘু হ’য়ে বিপুল ধরণীর ভার — নন্দকুমার, নন্দকুমার, নন্দকুমার॥ রূপ নেহারিতে এলো লুকায়ে দেবতা কেহ গোপগোপী হলো, কেহ তরুলতা; আনন্দ-অশ্রু নদী হ’য়ে বয়ে যায়, উতল যমুনায়। প্রণতা প্রকৃতি নিরালা সাজায়, বনডালায় পূজা ফুল সম্ভার। নন্দকুমার, নন্দকুমার, নন্দকুমার॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চুড়ি কিঙ্কিনী রিনি রিন ঝিনি বীণ বাজায়ে চলে শুনি নদীর নীল জলে জোয়ার উথলে।। বাজে পায়ে পাঁইজোর ঘুঙুর ঝুমুর ঝুমুর গাহে পাপিয়া পিয়া পিয়া শুনি সে সুর শত পরান হতে চায় ঐ চরণে নূপুর হৃদি হতে চায় চাবি তাহার আঁচলে।। পথিকে বধিতে কি নদীতে সে জলকে যায় ছল চল বলি তাহার কলসিতে জল ছ’লকে যায় কাজল-ঘন চোখে বিজলি জ্বালা ঝলকে যায় মন-পতঙ্গ ধায় ঐ আঁখির অনলে শুনি নদীর নীল জলে জোয়ার উথলে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

নাইতে এসে ভাটির স্রোতে কলসি গেল ভেসে সেই দেশে যাইও রে কলসি, বন্ধু রয় যে দেশে।। জলকে এসে' কাল সকালে কখন মনের ভুলে ভাসিয়েছিলাম বন্ধুর লাগি' খোঁপার কুসুম খুলে' কূলে এসে লাগলো সে ফুল আজকে বেলাশেষে।। কালকে আমার খোঁপার কুসুম পায়নি খুজেঁ যারে, কলসি আমার যাও রে ভেসে' খুঁজে আনো তারে। আমার নয়ন-জল নিয়ে যাও, ঢেলো বন্ধুর পা'য়; পিদিম জ্বেলে' রইব জেগে তাহারি আশায় আর কতদিন রইব এমন যোগিনীরই বেশে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

জানি পাব না তোমায় হে প্রিয় আমার এ জীবনে আর॥ এ আমার ললাট লেখা আমি রব চির একা নিমেষের দিয়ে দেখা কাঁদাবে আবার॥ তুব হে জীবন স্বামী তোমারি আশায় আমি আসিব এ ধরণীতে যুগে যুগে অনিবার॥
রাগঃ মনোরঞ্জনী
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালি

ঘুম পাড়ানি মাসিপিসি ঘুম দিয়ে যেয়ো, বাটা ভ’রে পান দেবো গাল ভ’রে খেয়ো। ঘুম আয় রে, ঘুম আয় ঘুম।। ঘুম আয় রে, দুষ্টু খোকায় ছুঁয়ে যা চোখের পাতা লজ্জাবতী লতার মত নুয়ে যা, ঘুম আয় রে, ঘুম আয় ঘুম।। মেঘের মশারিতে রাতের চাঁদ পড়ল ঘুমিয়ে, খোকার চোখের পাপড়ি পড়ুক ঘুমে ঝিমিয়ে। শুশুনি শাক খাওয়াব, ঘুম পাড়ানি আয় ঝিঁঝিঁ পোকার নূপুর খোল, খোকা ঘুম যায়, ঘুম আয় রে, ঘুম আয় ঘুম।।
চলচ্চিত্র : ‘চৌরঙ্গী’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
