বাণী
(সে) ধীরে ধীরে আসি' আধো ঘুমে বাজাল বাঁশি। ফুল-রাখি দিল বাঁধি হাসি।। জাগিয়া নিশি-ভোরে না হেরি বাঁশির কিশোরে, চাঁদ-তরী বেয়ে গেল ভাসি।।
রাগ ও তাল
রাগঃ দেশী টোড়ি
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

(সে) ধীরে ধীরে আসি' আধো ঘুমে বাজাল বাঁশি। ফুল-রাখি দিল বাঁধি হাসি।। জাগিয়া নিশি-ভোরে না হেরি বাঁশির কিশোরে, চাঁদ-তরী বেয়ে গেল ভাসি।।
রাগঃ দেশী টোড়ি
তালঃ ত্রিতাল

কোন্ সুদূরের চেনা বাঁশির ডাক শুনেছিস্ ওরে চখা? ওরে আমার পলাতকা! তোর প’ড়লো মনে কোন্ হানা–ঘর, স্বপন-পারের কোন্ অলকা? ওরে আমার পলাতকা।। তোর জল ভ’রেছে চপল চোখে, বল কোন্ হারা–মা ডাক্লো তোকে রে ঐ গগন–সীমায় সাঁঝের ছায়ায় — হাতছানি দেয় নিবিড় মায়ায় — উতল পাগল! চিনিস্ কি তুই চিনিস্ ওকে রে? যেনবুক–ভরা ও’ গভীর স্নেহে ডাক দিয়ে যায়, ‘আয়, ওরে আয় আয় আয়, কোলে আয় রে আমার দুষ্টু খোকা! ওরে আমার পলাতকা।।‘ দখিন হাওয়ায় বনের কাঁপনে — দুলাল আমার! হাত–ইশারায় মা কি রে তোর ডাক দিয়েছে আজ? এতদিনে চিনলি কি রে পর ও আপনে! নিশি ভোরেই তাই কি আমার নামলো ঘরে সাঁঝ? ধানের শীষে, শ্যামার শিষে — যাদুমণি! বল্ সে কিসে রে, তুই শিউরে চেয়ে ছিঁড়্লি বাঁধন! চোখ ভরা তোর উছলে কাঁদন রে! তোরে কে পিয়ালো সবুজ স্নেহের কাঁচা বিষে রে! যেন আচম্কা কোন্ শশক–শিশু চম্কে ডাকে হায়, ‘ওরে আয় আয় আয় — বনে আয় ফিরে আয় বনের সখা। ওরে চপল পলাতকা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ সুধীন দাস

আমি পথ-মঞ্জরী ফুটেছি আঁধার রাতে। গোপন অশ্রু-সম রাতের নয়ন-পাতে।। দেবতা চাহে না মোরে গাঁথে না মালার ডোরে, অভিমানে তাই ভোরে শুকাই শিশির-সাথে।। মধুর সুরভি ছিল আমার পরাণ ভরা, আমার কামনা ছিল মালা হয়ে ঝ’রে পড়া। ভালোবাসা পেয়ে যদি আমি কাঁদিতাম নিরবধি, সে-বেদনা ছিল ভালো, সুখ ছিল সে-কাঁদাতে।।
রাগঃ পটমঞ্জরি
তালঃ ত্রিতাল (ঢিমা)

আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগঃ
তালঃ
তুমি বিরাজ কোথা হে উৎসব দেবতা মম গৃহ অঙ্গনে এসো সঙ্গী হয়ে আনো আনন্দ বারতা॥ পূজা সম্ভারে প্রসন্ন দৃষ্টি হানো শুভ শঙ্খ বাজাও দশদিক জাগানো হে মঙ্গলময়! আসি’ অভয় দানো আনো প্রভাত আকাশ সম নির্মলতা॥ লহ বিহগের গীতি অভিনন্দন চাঁদের থালিকা হতে গোপীচন্দন আনন্দ অমরার নন্দন হে প্রণত কর চরণে কহ কথা কহ কথা॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কি মজার কড়াই ভাজা কুড়ুর মুড়ুর খাই রে, যদি পয়সা একটি পাই রে। মোদের জামাও আছে পকেটও আছে পয়সা কিন্তু নাই রে।। দাদা, পয়সা যদি পাই চল পেয়ারা তলায় যাই, আমি আনি নুন লঙ্কা, তুমি লুকিয়ে চল বাইরে।।
রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘খুকি ও কাঠবেরালি’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
