বাণী
ঘুমপরী : আমি হেরে এবার নেবো লো সই বঁধুর গলার হার। স্বপনপরী : হার মেনে তুই জিত্বি ওলো হবে না তা আর।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ঘুমপরী : আমি হেরে এবার নেবো লো সই বঁধুর গলার হার। স্বপনপরী : হার মেনে তুই জিত্বি ওলো হবে না তা আর।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
আকাশের মৌমাছি-তারকার দল, পিয়ে চৈতালী চাঁদের মধু, হ’ল বিহ্বল।। মোর মাধবী বনে মৌমাছি আসে না আমার আকাশে আর চাঁদ হাসে না। ভালো লাগে না এ চাঁদের আলো পুষ্পল পরিমল-ছাওয়া বনতল।। দক্ষিণ সমীরণে বন বিঘোর গানে, মন ভরে না। বিধুর বাঁশরি বাজে, মধু মঞ্জরী, তবু মঞ্জুরে না। বুলবুলি এসেছিল, ভুল সে কি ভুল? তেমনি তো ফোটে হেনা চম্পার ফুল। বেণী বাঁধা বধু লো ধূলায় লুটায় কাঁদে এলো-কুন্তল।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
মোরা বিহান-বেলা উঠে রে ভাই চাষ করি এই মাটি। যে মাটির বুকে আছে পাকা ধানের সোনার কাঠি॥ ফসল বুনে রোদের তাতে উঠি যখন ঘেমে সদয় হয়ে আকাশ বেয়ে বৃষ্টি আসে নেমে (ওরে) মুচকি হেসে বৌ এনে দেয় পান্তা ভাতের বাটি॥ আশ মেটে না চারা ধানের পানে চেয়ে চেয়ে মরাই ভ’রে থাকবে ওরাই আমার ছেলে মেয়ে। (আমি) চাই না স্বর্গ, পাই যদি এই পাকা ধানের আটি (রে ভাই)॥ জল নিতে যায় আড়চোখে চায় বৌ-ঝি নদীর কূলে খুশিতে বুক ভ’রে ওঠে, খাটুনি যাই ভুলে। এ মাঠ নয় ভাই বৌ পেতেছে ঠান্ডা শীতল পাটি॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চাও চাও চাও নব বধূ অবগুণ্ঠন খোলো আনত নয়ন তোলো॥ আমি যে ননদী খরতর নদী লজ্জা কি লজ্জায় ফুল শয্যায় কাল ছিল না তো নত ওই আঁখি সবি বলে দেব যদি বউ কথা না বলো॥ ‘বউ কথা কও’ ডাকে পাখি তবুও নীরব রবে নাকি দেখি দেখি গালে লালী ও কিসের? ও! লজ্জায় বুঝি লাল হলো॥ ও কি অধীর চরণে যেয়ো না যেয়ো না আন-ঘরে লুকাইতে দেখে যদি কেউ সখি পাশের ও ঘরে মানুষ যে রহে তারও অন্তরে বহে বিরহের ঢেউ। লজ্জাই যদি তব ভূষণ সজ্জায় তবে কি প্রয়োজন? সুখে সুখী হব দুখে দুখী ব’সো মুখোমুখি লাজ ভোলো।
নাটিকাঃ ‘বিয়ে বাড়ি’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

এমনি মধুর ক্ষণে প্রিয়তম নাহি পাশে। আকুল পরান মম চম্পা-ফুল-সুবাসে।। উতলা সমীরে বাজে ব্যাকুল বাঁশি কাননে উছলি’ পড়ে সুরের রাশি, আলোকে সুরভি তারি গগন ভরিয়া হাসে।। বাতায়নে মোর নিশীথের তারা সুধায় নীরবে ডাকি, ‘হায় গো উদাসী এমন নিশায় সজল কেন গো আঁখি।’ সুদূরে রহিল বঁধু একেলা আমি অসহ বিরহ সহি দিবসযামী, আশার মালিকা রচি’, বসিয়া তাহারি আশে।।
রাগঃ
তালঃ
উত্তরীয় লুটায় আমার ধানের ক্ষেতে, হিমেল্ হাওয়ায়। আমার চাওয়া জড়িয়ে আছে নীল আকাশের সুনীল চাওয়ায়॥ ভাটির শীর্ণা নদীর কূলে আমার রবি-ফসল দুলে, নবান্নেরই সুঘ্রাণে মোর চাষির মুখে টপ্পা গাওয়ায়॥
হৈমন্তী
রাগঃ
তালঃ তেওড়া