বাণী
জল দাও, দাও জল! মরু-পথে মরি তৃষ্ণায় সাহারার মত হৃদি-তল।। আঁখিজল পিয়া, পিয়া এতদিন — বেঁচেছিনু, সে-আঁখি আজ জলহীন! সে কি ছল? তব নয়ন সদাই করিত যে ছল ছল।।
সঙ্গীতালেখ্য : ‘কাফেলা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
জল দাও, দাও জল! মরু-পথে মরি তৃষ্ণায় সাহারার মত হৃদি-তল।। আঁখিজল পিয়া, পিয়া এতদিন — বেঁচেছিনু, সে-আঁখি আজ জলহীন! সে কি ছল? তব নয়ন সদাই করিত যে ছল ছল।।
সঙ্গীতালেখ্য : ‘কাফেলা’
রাগঃ
তালঃ
গুলশান কো চুম্ চুম্ কহ্তি বুলবুল রুখসারী সে বেদর্দী বোর্খা খুল খুল।। হাঁসতি হায় বোস্তা মস্ত্ হো যা দোস্তা শিরি শিরাজি সে হো যা বেহোঁশ জাঁ সব কুছ আজ রঙ্গীন হ্যায় সব কুছ মশগুল হাঁসতি হায় গুল হো কর দোজখ্ বিল্কুল্। হারে আশক মাশুক কি চমনোঁ মে ফুলতা নেই দোবারা ফুল, ফুল ফুল ফুল।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

বিষ্ণুসহ ভৈরব অপরূপ মধুর মিলন শম্ভু মাধব। দক্ষিণে শঙ্কর শ্রীহরি বামে, মিলিয়াছে যেন রে কানু বলরামে দেখি এক সাথে যেন দেখি রে স্বয়ম্ভু কেশব।। বিমল চেতনা আনন্দ মদন শিব-নারায়ণের যুগল মিলন, এক সাথে ব্রজধাম শিবলোকে অরূপ স্বরূপ নেহারি চোখে — শোন্ রে একসাথে বেণূকার প্রণব।।
রাগঃ বিষ্ণু-ভৈরব
তালঃ
তুমি সুখে থাক প্রিয়া আমি আজ চ’লে যাই। তোমারে চাহিয়া জনমে জনমে এই ব্যথা যেন পাই।। দুদিনের সাথী দু’দিনের লাগি’ এসেছিনু আমি তব অনুরাগী, হৃদয় বাণীতে চেয়েছিনু শুধু আর কিছু চাহি নাই।। আকাশে তব দিয়ে গেনু ফুল কণ্ঠে গানের মালা, হয়তো একদা অন্তরে তব জাগিবে স্মৃতির জ্বালা। হয়তো বা তব নয়নের কোণে নতুনের ছায়া জাগিবে গোপনে, স্মৃতিটি আমার মুছে যাবে জানি তবু কিছু ক্ষতি নাই — এই ব্যথা যেন পাই।।
রাগঃ
তালঃ
এসো শঙ্কর ক্রোধাগ্নি হে প্রলয়ঙ্কর। রুদ্রভৈরব! সৃষ্টি সংহর, সংহর।। জ্ঞান-হীন তমসায় মগ্ন পাপ-পঙ্কিলা বিশ্ব জুড়ি’ চলে শিবহীন যজ্ঞের লীলা, শক্তি যথায় করে আত্ম-বিসর্জন ঘৃণায় — ধ্বংস কর সেই অশিব-যজ্ঞ — অসুন্দর।। যথা দেবী শক্তি — নারী অপমান সহে গ্লানিকর হানাহানি চলে ধরমের মোহে, হানো সংঘাত, অভিসম্পাৎ সেথা নিরন্তর।।
রাগঃ রুদ্র-ভৈরব
তালঃ সুরফাঁক্তাল

(তুমি) যে-হার দিলে ভালোবেসে সে-হার আমার হ’ল ফাঁসি। (প্রিয়) সেই হার আজ বক্ষে চেপে আকুল নয়ন-জলে ভাসি।। তুমি জান অন্তর্যামী দান তো তোমার চাইনি আমি, তোমায় শুধু চেয়েছিলাম১ সাধ ছিল মোর হ’তে দাসী।। দুখের মালা কেড়ে নিয়ে কেন দিলে মতির মালা, মালায় শীতল হবে কি নাথ! শূন্য আমার বুকের জ্বালা? (মোরে) রেখো না আর সোনার রথে ডাকো তোমার তীর্থ-পথে, (আমার) সুখের ঘরে আগুন জ্বালো শোনাও বাঁশি সর্বনাশী।।
১. চেয়েছিলাম তোমায় স্বামী
রাগঃ
তালঃ