বাণী
জল দাও, দাও জল! মরু-পথে মরি তৃষ্ণায় সাহারার মত হৃদি-তল।। আঁখিজল পিয়া, পিয়া এতদিন — বেঁচেছিনু, সে-আঁখি আজ জলহীন! সে কি ছল? তব নয়ন সদাই করিত যে ছল ছল।।
সঙ্গীতালেখ্য : ‘কাফেলা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
জল দাও, দাও জল! মরু-পথে মরি তৃষ্ণায় সাহারার মত হৃদি-তল।। আঁখিজল পিয়া, পিয়া এতদিন — বেঁচেছিনু, সে-আঁখি আজ জলহীন! সে কি ছল? তব নয়ন সদাই করিত যে ছল ছল।।
সঙ্গীতালেখ্য : ‘কাফেলা’
রাগঃ
তালঃ
যখন আমার কুসুম ঝরার বেলা তখন তুমি এলে ভাটির স্রোতে ভাসলো যখন ভেলা পারের পথিক এলে।। আঁধার যখন ছাইল বনতল পথ হারিয়ে এলে হে চঞ্চল দীপ নিভাতে এলে হে বাদল ঝড়ের পাখা মেলে।। শূন্য যখন নিবেদনের থালা তখন তুমি এলে শুকিয়ে যখন ঝরল বরণ-মালা তখন তুমি এলে। নিরশ্রু এই নয়ন পাতে শেষ পূজা মোর আজকে রাতে নিবু নিবু প্রাণ শিখাতে আরতি দীপ জ্বেলে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কত জনম যাবে তোমার বিরহে স্মৃতির জ্বালা পরান দহে।। শূন্য গেহ মোর শূন্য জীবনে, একা থাকারি ব্যথা কত সহে (ওগো) স্মৃতির জ্বালা পরান দহে।। দিয়েছি যে জ্বালা জীবন ভরি' হায় গলি নয়ন -ধারায় সে ব্যথা বহে স্মৃতির জ্বালা পরান দহে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা

ঝিল্লি-নূপুর বাজে। বিভাবরী নাচে বন-শবরী সাজে।। তিমির কুন্তলে তারার ফুল দোলে চাঁদের চন্দন-ফোঁটা ললাট-মাঝে।। দোলে নদী-জল অঞ্চল ধীরে বন-বেণী দোলে চঞ্চল-সমীরে। জাগে দুরন্ত নিশীথ-বসন্ত ঘুমন্ত নববধূ রেঙে ওঠে লাজে।।
রাগঃ খাম্বাবতী
তালঃ সাদ্রা
শ্রান্ত-ধারা বালুতটে শীর্ণা-নদীর গান সেই সুরে গো বাজবে আমার করুণ বাঁশির তান॥ সাথী-হারা একেলা পাখি, যে-সুরে যায় বনে ডাকি’ সেই সুরেরি কাঁদন মাখি’ বিধুর আমার প্রাণ॥ দিন শেষের ম্লান আলোতে ঘনায় যে বিষাদ আমার গানে জড়িয়ে আসে তারই অবসাদ। ঝরা-পাতার মরমরে, বাদল-রাতে ঝরঝরে বাজে আমার গানের সুরে গোপন অভিমান॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

এ কুঞ্জে পথ ভুলি কোন বুলবুলি আজ গাইতে এলে গান। বসন্ত গত মোর আজ পুষ্প-বিহীন লতিকা-বিতান।। এলে কি দলিতে আজ ধুলি ঢাকা ফুল-সমাধি মোর, নাহি আর চৈতি হাওয়া, বহে আজি বৈশাখী তুফান।। সাজায়ে ফুলের বাসর ছিনু তব পথটি১ চেয়ে। সে বাসর বাসি হল কেঁদে নিশি হল অবসান।। বাজে মোর তোরণ দ্বারে খেলা শেষের বিদায়-বাঁশরি। ফিরে যাও শেষ-অতিথি দাও যেতে দাও লয়ে অভিমান।।
১. পথ
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ লাউনি
